শিরোনাম

শনিবার, জুলাই 22, 2017 - লিংকসীস এর ১৯০০ এমবিপিএস গতির ডুয়াল-ব্যান্ড ওয়্যারলেস রাউটার | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - আগামী মাসে স্যামসাং আনছে নতুন ডিভাইস | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - আইটি খাতে কর্মসংস্থান আগামী বছর আরও কমবে:নাসকম | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - সনির ২৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরার স্মার্টফোন | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো সিগেট ডিলার মিট | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - অনলাইন কর্মসংস্থানে দ্বিতীয় বাংলাদেশ | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - অলেফিন্সে পাওয়া যাচ্ছে ফুল হাইট টার্নস্টাইল গেট | শনিবার, জুলাই 22, 2017 - নিরাপত্তা বিষয়ক পণ্য ও সেবা নিয়ে এসেছে অলেফিন্স ট্রেড কর্পোরেশন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - উইপ্রোর সঙ্গে চুক্তির কথা স্বীকার করল গ্রামীণফোন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - লেনোভোর নতুন আর্কষন – আইডিয়াপ্যাড ৩২০ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / অনলাইনে আইএস’কে ঠেকাতে ব্যবহার হচ্ছে যেসব প্রযুক্তি
অনলাইনে আইএস’কে ঠেকাতে ব্যবহার হচ্ছে যেসব প্রযুক্তি

অনলাইনে আইএস’কে ঠেকাতে ব্যবহার হচ্ছে যেসব প্রযুক্তি

অনলাইনে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের পারস্পরিক যোগাযোগ ঠেকাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অনলাইন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এবার সফটওয়্যার অটোমেশন এবং ডাটা অ্যানালাইসিস প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের নতুন এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছে গ্লোবাল এনগেজমেন্ট সেন্টার (জিইসি)। সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নিউ অ্যামেরিকা আয়োজিত এক ইভেন্টে জিইসির ডাটা অ্যানালাইসিস শপের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অব স্টাফ মেয়াগেন লেগ্রাফি। তিনি জানান, এটি শুধু সন্ত্রাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগই মনিটর করবে না, কিছু স্ট্র্যাটেজির সফলতা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কেও জানা যাবে এর মাধ্যমে।

লেগ্রাফি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘জিইসি বর্তমানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থা, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা, তরুণ সম্প্রদায়, বিদেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শনাক্তকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় বেসামরিক ব্যক্তিদের সাথে কাজ করছে। মূলত সাধারণ মানুষের আইএসে যোগদান ঠেকাতে এবং এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে সমর্থন প্রদান থেকে বিরত রাখতেই এই উদ্যোগ।’

এ কাজে ব্যবহূত প্রযুক্তি সম্পর্কে জিইসি’র একজন মুখপাত্র একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, এতে যুক্ত করা হয়েছে সরকারের সর্বশেষ কিছু প্রযুক্তি যার মধ্যে আছে ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস অ্যাজেন্সির তৈরি কোয়ান্টিটেটিভ ক্রাইসিস রেসপন্স সিস্টেম। এর পাশাপাশি এখানে আছে ক্রিমসন হেক্সাগন নামের একটি সোশ্যাল মিডিয়া ডাটা অ্যানালাইসিস প্ল্যাটফর্ম যার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড মনিটর করা সম্ভব।

dsডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস অ্যাজেন্সি সম্প্রতি কোয়ান্টিটেটিভ ক্রাইসিস রেসপন্স প্রজেক্টটি চালু করার ঘোষণা দেয়। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষ কীভাবে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহার করছে এবং কোন ধরনের প্রযুক্তি কাজে লাগাচ্ছে, এসব বিষয়ে একটি পরিমাণগত ধারণা এবং সামগ্রিক মূল্যায়ন পাওয়া সম্ভব, তাও আবার তাত্ক্ষণিকভাবে এবং বড় আকারে।

সিলিকন ভ্যালি ভিত্তিক বেশ কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে জিইসি’কে বিভিন্ন পন্য এবং সেবা দিয়ে সহযোগিতা করছে। তবে ক্রিমসন হেক্সাগনের নেপথ্যে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম জানা যায়নি।

ইসলামিক স্টেটের অনলাইন উপস্থিতি মোকাবেলায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে সম্প্রতি সিনেট পার্মানেন্ট সাবকমিটির মুখোমুখি হয়েছিলেন লেগ্রাফি।

গত কয়েক বছর ধরে সন্ত্রাসীদের ডিজিটাল কার্যক্রম প্রতিহত করতে বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করে আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে অন্যতম ছিল দ্য সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক কাউন্টার টেরোরিজম কমিউনিকেশন্স বা সিএসসিসি। তবে বিভিন্ন বিতর্কের কারণে গত বছর এই প্রতিষ্ঠানটিকে বিলুপ্ত করে নতুনভাবে গড়ে তোলা হয় জিইসি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এক নির্বাহী আদেশে এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।

বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের উপর হামলায় উত্সাহিত করতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে টুইটার এবং ইউটিউব ব্যবহার করছে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা, শুরু থেকেই এমনটা দাবি করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। গত বছরের ডিসেম্বরে সান বার্নাডিনোতে এমন একটি ঘটনা ঘটে যেখানে ১৪ জন মানুষকে হত্যা করা হয়। যদিও হত্যাকারী কখনও আইএস-এর কারও সাথে দেখা করেননি, বরং তিনি এই কাজে উত্সাহ পেয়েছেন অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও এবং লেখা পড়ে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইন্সটিটিউট কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো ক্রমেই ডিজিটাল কর্মকাণ্ডে আগ্রহী হচ্ছে। এর মাধ্যমে একইসাথে তারা মানুষকে যেমন প্রভাবিত করতে পারে, তেমনি নতুন সদস্যও নিয়োগও সহজ হয়ে যায় ডিজিটাল প্রচারণার মাধ্যমে, এমনটাই বলা হয়ে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top