শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - উইপ্রোর সঙ্গে চুক্তির কথা স্বীকার করল গ্রামীণফোন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - লেনোভোর নতুন আর্কষন – আইডিয়াপ্যাড ৩২০ | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - হজ্ব রোমিং প্যাকেজ চালু করল রবি | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - অনলাইন প্রশিক্ষণ সেবা চালু করলো ক্রিয়েটিভ-ই-স্কুল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - ল্যাপটপের চার্জ বাড়ানোর উপায় সমূহ | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - যেসব তথ্য ফেইসবুকে গোপন রাখা উচিত | বৃহস্পতিবার, জুলাই 20, 2017 - গুগলের মোবাইল সার্চ অ্যাপে পরিবর্তন | বুধবার, জুলাই 19, 2017 - আমারি ঢাকাতে ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ | বুধবার, জুলাই 19, 2017 - ঢাকায় বিজনেস ইনোভেশন সামিট ও আইডিয়া চ্যালেঞ্জ | বুধবার, জুলাই 19, 2017 - আসুস নিয়ে এলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গেমিং ল্যাপটপ |
প্রথম পাতা / সাইবার ক্রাইম / অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা
অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা

অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা

বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা এবং অর্থ লেনদেনে এটিএম কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড সর্বাধিক ব্যবহার করা হয়। তবে অনলাইনে পণ্য ক্রয় বা অর্থ লেনদেনে ঝুঁকি রয়েছে। আন্তর্জাতিক এক সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বড় ধরনের অর্থ প্রতারণার অধিকাংশ ঘটনাগুলোই এই অনলাইনে লেনদেন বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকের কারণে ঘটেছে।

korea-credit-cardতাই নিজের যে ব্যাংক একাউন্টে কষ্ট উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করে রাখছেন সেখানে চুরি হোক তা কারও কাছেই কাঙ্খিত নয়। তাই অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরী।

শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের বৃত্তান্ত দিন

অনলাইন থেকে বই কিনতে কিংবা অন্যান্য যেকোন পণ্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনা যায়। এসময় সাইট থেকে পণ্য কেনার সময় সেখানে ক্রেডিট কার্ডের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করতে হয়। এক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় যে, সব সময় বৈধ পণ্য ক্রয় করতে হবে এবং নির্ভরযোগ্য সাইট থেকে পণ্য ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। ইমেইলের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা মাস্টার কার্ডের তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ব্রাউজারের Url থেকে দেখে নিতে হবে যে, ওয়েবসাইটটির ঠিকানা https এ আছে কি-না। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য বিকি-কিনির জন্য স্বীকৃত, এমন ওয়েবসাইট থেকেই পণ্য কেনাকাটা নিরাপদ। তাই অপরিচিত বা অনির্ভরযোগ্য কোন ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনাকাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।

পণ্য কেনাকাটায় অনলাইন প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার

অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিবর্তে প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটা করা যায়। এক্ষেত্রে অনলাইন প্রিপেইড কার্ড সেবা প্রদানকারী অনেক সাইট রয়েছে সেখান থেকে সামান্য মূল্যের ব্যয়ে প্রিপেইড কার্ড ক্রয় করা যায়। এই প্রিপেইড কার্ডে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিচার্জ করা যাবে। এর সুবিধা হচ্ছে- এই কার্ডে দেয়া তথ্য হ্যাক হলেও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। এখানে শুধুমাত্র ওই টাকাই হ্যাকার হাতিয়ে নিতে পারবে যেটি রিচার্জ করা আছে। বর্তমানে পেপাল, ভিসা এবং পায়নোনিয়ার সহ অনেক প্রতিষ্ঠানই অনলাইন প্রিপেইড কার্ড সেবা দিয়ে থাকে। এই প্রিপেইড কার্ড দ্বারা অনলাইনে যেকোন সাইট থেকে পণ্য কেনা যাবে। এছাড়াও টাকা শেষ হয়ে গেলে পুনরায় ক্রেডিট কার্ড থেকে প্রিপেইড কার্ডে টাকা রিচার্জও করার ব্যবস্থা রয়েছে।

credit-card-hackপণ্য কেনার সময় ওয়েবসাইটের বিবৃতি লক্ষ্য করুণ

অনলাইনে যেকোন ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনার সময় লক্ষ্য করতে হবে, যে তারা কী তথ্য সংগ্রহ করছে এবং তাদের অন্যান্য কোন শর্ত আছে কি-না। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় প্রযোজ্য শর্ত না পরেই পণ্য কেনাকাটা সম্পন্ন করাকেই বিশেষজ্ঞরা দায়ী করেছেন। তাই পণ্য কেনার সময় অবশ্যই ওয়েবসাইটের বিবৃতিগুলো সময় নিয়ে পরে নেওয়াই নিরাপদ। অন্যথায়, কার্ড হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকে যায়। আর বিবৃতিতে কোন ধরনের জটিলতা দেখা গেলে ওই ওয়েবসাইট থেকে পণ্য ক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

অনলাইনে কার্ড হ্যাকিং ঠেকাতে ক্রেডিট কার্ডে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। কিছুকিছু প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ক্রেডিট কার্ডে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই চালু করা থাকে। এক্ষেত্রে ভিসা এবং মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য ‘সিকিওর কোড’ নামে ফিচার অ্যাপ রয়েছে। এখানে প্রতিবার পণ্য কেনার সময় মাস্টারকার্ডে একটি পৃথক নিরাপদ কোড পাওয়া যাবে। যে কোড দিয়ে নিরাপদে যেকোন পণ্য কেনাকাটা করা যাবে।

এছাড়াও এই কোড হাতিয়ে নিয়ে কখনোই হ্যাকার কার্ড থেকে টাকা তুলতে বা পণ্য কিনতে পারবে না। কারণ এই কোড পরিবর্তনশীল, তাই ব্যবহার নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য। এছাড়াও প্রতিবার সফল পণ্য কেনার জন্য মোবাইলে একটি ধন্যবাদ বার্তাও প্রেরণ করবে। এজন্য [http://bit.ly/1A2xyyk] ঠিকানা থেকে লগইন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পণ্য ক্রয় শেষে নিজের একাউন্টের ব্যালেন্স ওয়েবসাইট থেকে দেখে নেয়া যাবে। এই ‘সিকিওর কোড’ ফিচারটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। একাউন্টের ব্যালেন্স দেখার সময় অ্যাপটি ফোনে একটি গোপন কোড পাঠাবে যেটি প্রবেশ করিয়ে ঢুকতে হবে। অন্যথায় একাউন্টে প্রবেশ করা যাবে না।

ব্রাউজারে নিয়ন্ত্রিত সেটিংস

সহজে কাজ করার সুবিধার্থে অনেকই ব্রাউজারে ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড সহ অন্যান্য অনেক তথ্য যুক্ত করে রাখেন। ফলে পরবর্তীতে যেকোন সময় প্রয়োজন হলে ব্রাউজারে ওয়েবসাইটকে সকল তথ্য সহজেই দিয়ে থাকে। এতে করে ব্যবহারকারীকে কোন তথ্য লিখে দিতে হয় না। এমন সেটিংস ব্যবহারে ঝুঁকির পরিমান দ্বিগুন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র ব্রাউজারের উপর নজরদারী করেই একজন হ্যাকার সকল তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে। এজন্য গুগলক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা Settings অপশন থেকে নিচের Show Advanced Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে Passwords and Forms ট্যাবের নিচে থাকা Manage Auto-fill Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর কোন তথ্য দেয়া থাকলে তা ডিলিট করে দিতে হবে। এরপর Enable Auto-fill to fill অপশনের পাশে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে বের হয়ে আসতে পারে। এ ছাড়াও মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা Menu এ গিয়ে Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর উপরের Privacy ট্যাব থেকে History নামক ড্রপ- ডাউন মেন্যুতে ক্লিক করতে হবে। সেখানে custom settings for history অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এবার Remember search and form history অপশনের পাশে থাকা টিক চিহ্নটি তুলে দিয়ে বের হয়ে আসতে হবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top