শিরোনাম

রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - রবিকে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করেছে বিটিআরসি | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - ‘নোকিয়া-8’ এর ফিচারে চমক | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - অ্যাসোসিও পুরস্কার পাচ্ছে বিআইটিএম | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - ফ্লোরা লিমিটেড বাজারে নিয়ে এলো ক্যানন তৃতীয় প্রজন্মের কালার ফটোকপিয়ার | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - মেঘনা গ্রূপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হলো ৭ম কমিউনিকেশন সামিট | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - শুরু হচ্ছে বিসিসি আয়োজিত গেম ডেভেলপমেন্টের প্রথম ডিপ্লোমা কোর্স | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - চলছে পিকাবুর ঈদ আনন্দ উৎসব | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - বাংলাদেশি জাহাঙ্গীর আলম সুইজারল্যান্ডে চালু করলো উবারের বিকল্প সেবা | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - দারাজের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ৭০% পর্যন্ত ছাড় | রবিবার, আগস্ট 20, 2017 - এই ঈদে বিক্রয় ও মিনিস্টার নিয়ে এল ‘বিরাট হাট’ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / অনলাইন প্রফেশনালদের ব্র্যাক ব্যাংক বয়কট কর্মসূচী
অনলাইন প্রফেশনালদের ব্র্যাক ব্যাংক বয়কট কর্মসূচী

অনলাইন প্রফেশনালদের ব্র্যাক ব্যাংক বয়কট কর্মসূচী

গ্রাহকদের অনলাইনে অর্থ লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে নেমেছেন অনলাইন পেশাজীবীরা। একই সঙ্গে সার্ভিস চার্জের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করায় একযোগে এ ব্যাংক বর্জনের কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে অনলাইনে চলছে এ নিয়ে প্রচারণা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত ফ্রিল্যান্সাররা ব্র্যাক ব্যাংকর বাড়তি চার্জ আদায়সহ সঠিক সেবা না পাওয়ায় এক ফেইসবুক ইভেন্টের মাধ্যমে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষনা দিয়েছেন।

বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আউটসোর্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত এসব ফ্রিল্যান্সাররা ‘অনলাইন প্রশেফনালদের একযোগে ব্র্যাক ব্যাংক বয়কট কর্মসূচী’ নাম দিয়ে এ ফেসবুকে ইভেন্ট তৈরি করেছে।

brac-boycott

এ ইভেন্টে জানানো হয়েছে, “৩০ তারিখের পর থেকে অনলাইনে শুধু ব্যালেন্স দেখা যাবে , অনলাইনে লেনদেন করা যাবেনা !!!! তাই আমরা অনলাইন প্রফেশনালরা একযোগে ব্র্যাক ব্যাংক বয়কট করবো ও অন্য আরেকটি ব্যাংক সবাই মিলে বেছে নিবো যাতে একে অপরের সাথে লেনদেন অবাধে করা যায় ।”

এ কর্মসূচী যারা আয়োজন করেছে তারা বলেন, “আর এই ব্যাংকে থাকা সম্ভব না , কারন বাৎসরিক কার্ড চার্জ ৬৯০ টাকা +সার্ভিস চার্জ ৩৪৫ টাকা+ এস এম এস চার্জ ২৩০ টাকা + হার্ডওয়্যার ১১৫০ টাকা + সফটওয়্যার ১৭২ টাকা। আমাদের মত গরীবের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব না।”

এ বিষয়ে ব্যাংকটির অনলাইন সেবা গ্রহণকারী বিভিন্ন গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এদের অনেকের সঙ্গে ফোনে, ফেসবুকে ও ই-মেইলে কথা বলে জানা গেছে, ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন নিয়ম অনুযায়ী চলতি মাসের ত্রিশ তারিখ থেকে এর গ্রাহকরা আর অনলাইনে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন না। এ ছাড়া এটিএম কার্ডের জন্য গ্রাহকদের দিতে হবে বছরে ৬৯০ টাকা। এর মধ্যে সার্ভিস চার্জ ৩৪৫ টাকা। এখানেই শেষ নয়, কার্ডের পিন নাম্বারের জন্য হার্ডওয়্যার চার্জ এক হাজার ১৫০ টাকা এবং সফটওয়্যার চার্জ ১৭২ টাকা দিতে হবে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত বার্ষিক চার্জ, ৫০ হাজারের নিচে ব্রাঞ্চে টাকা জমা না নেওয়া, অনলাইন ট্রানজেকশন সীমা ইত্যাদি নিয়ে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন।

ব্যাংকটির এমন নিয়মে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা ৮ নভেম্বর ফেসবুক পেইজ খুলে ব্র্যাক ব্যাংক বর্জনের এ ঘোষণা দেন। এরপর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এ ইভেন্টে ৬২০ জন যোগ দিয়েছেন।ইভেন্ট পেইজে কেউ কেউ ব্যাংকটিকে রক্তচোষা ব্যাংক বলেও মন্তব্য করেছেন।

ফেসবুক পেইজে রিফাত নবী নামে একজন লিখেছেন,

“ব্র্যাক ব্যাংকের ফাতরামির সীমা থাকা উচিৎ। সফটওয়্যার টোকেন এর জন্য টাকা? মানুষরে কি বলদ পাইছো! আমার নিজের ২টা অ্যাকাউন্ট আছে, দুটোই বন্ধ করে দিব।”

এক আইটি উদ্যোক্তা জানান, ঢাকার অনেকগুলো ব্রাঞ্চে ৫০ হাজার টাকার নিচে ডিপোজিট গ্রহণ করছে না। এমন নানা কারণে এই ব্যাংকের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে অনেকেই। তারা সেবা দেওয়ার নামে অযৌক্তিক ফি আরোপ করছে, যখন-তখন না জানিয়ে টাকা কেটে নিচ্ছে।”

ফ্রিল্যান্সার রফিকুল ইসলাম সজিব জানান, তিন বছর ধরে ব্র্যাক এর সাথে কাজ করার সময় নানান বিপত্তির স্বীকার হন তিনি। তিনি বলেন,

“কিছুদিন আগে সিটি চার্জ নামে নতুন এক ধরনের সার্ভিস চার্জ ধার্য্য করেছে, যা আমরা যখন অ্যাকাউন্ট করেছিলাম তখন ছিলনা । আমরা এখন এক জেলা থেকে অন্য জেলায় টাকা পাঠাতে গেলে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হচ্ছে । এখন আবার অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়ার নামে লুটপাট করার পায়তারা চলছে ।”

তার মতে এক মেইলে ইন্টারনেট ব্যাংক ব্যাবহারকারীদেরকে জানানো হয়- নির্দিষ্ট অ্যামাউন্টের টাকা চার্জ দিয়ে ডিভাইস সংগ্রহ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পরে যারা ডিভাইস সংগ্রহ করেনি তারা অনলাইনে টাকা পাঠাতে পারবে না, সঙ্গে স্মার্টফোনের অ্যাপসের জন্যও অর্থ দিতে হবে। দীর্ঘদিনের এ ব্যবহারকরী একে ব্লাকমেইল বলে মন্তব্য করেছেন।

ফেসবুকে হাবিবুর রহমান ফিরোজ নামে একজন জানান, গ্রাহক মতামতের তোয়াক্কা না করে ব্যাংক এসএমএস সার্ভিস চালু করে দিয়েছে যার খরচ বছরে অতিরিক্ত ২০০ টাকা।

ফিরোজ আরও জানান, ৬ বছর আগে অ্যাকাউন্ট করার সময় বলা হয়েছিলো টাকা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোন চার্জ লাগবে না। কিন্তু এখন এক লাখের কম হলে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় টাকা পাঠাতে কেটে নিচ্ছে ৫৭ টাকা, এর বেশি হলে কেটে নিচ্ছে ১৫০ টাকা। এটা স্রেফ এক ধরনের প্রতারণা।

Comments

comments



9 comments

  1. It should be informed to Bangladesh Bank. A DMD is also takes place in this bank without having any banking experience which is a break of BB rules.

  2. Bangladesh Bank akhon kothi..Ami brac bank er ashob onnai niomer biruddeh shobike brac bank er a/c borjoner ahobban janassi

  3. পৃতারনা আর কতদিন করবে?

  4. পৃতারনা আর কতদিন করবে?

  5. পৃতারনা আর কতদিন করবে?

  6. brac bank… er chaite kharap bank onno kono grohote ache kina amar jana nai.ei bank sobdik theke kharap.er service and pion theke manager pojonto soitan.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top