শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - গুগল ফটোসে যে ভাবে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও লুকাবেন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - মধ্যবিত্তের কথা ভেবে সস্তায় মাইক্রোম্যাক্সের নতুন ফোন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - নতুন ফিচারের ক্যামেরা নিয়ে উন্মুক্ত হলো নোকিয়া ৭ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - পেপালের ‘জুম’ উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয় | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - ম্যাক্সেল এর বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আইসিটি এক্সপোতে মেট্রো কভারেজ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - সিঙ্গাপুরের মাস্টারকার্ড গ্লোবাল রিস্ক লিডারশিপ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - শুরু হলো এমসিসিআই অগ্রগামী ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - বিএমই দিচ্ছে আইসিটি এক্সপো উপলক্ষে তোশিবা পণ্যে বিশেষ অফার! | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - আইসিটি এক্সপো তে আসুসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নোটবুক | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - আইসিটি এক্সপোতে বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে গ্লোবাল ব্র্যান্ডের অংশগ্রহন |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / অনলাইন ম্যাট্রিমনিয়াল সেবায় শীর্ষে বিবাহ বিডি
অনলাইন ম্যাট্রিমনিয়াল সেবায় শীর্ষে বিবাহ বিডি

অনলাইন ম্যাট্রিমনিয়াল সেবায় শীর্ষে বিবাহ বিডি

gm-fraazerআমাদের দেশে বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। মানুষ ক্রমেই অনলাইন নির্ভর হয়ে পরছে। নিত্ত্বপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় বিক্রয় তো করছেই এখন জীবন সঙ্গী খুঁজে নিতেও অনলাইনের উপর নির্ভর হচ্ছে অনেকেই। জীবন সঙ্গী খুঁজে নিতে সহায়তাকারী একটি প্রতিষ্ঠান বিবাহ বিডি ডটকমের সিইও জিএম ফ্রেজারের সাথে আলোচনা হয়।

২০০৯ সালের ১৪ই এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) বিবাহ বিডি ডটকম আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। যারা উচ্চ শিক্ষিত, বিবাহযোগ্য, ইন্টারনেট চালাতে সক্ষম তাদের নিয়েই মুলত এই সাইটি কাজ করে। বাংলাদেশে সর্ব প্রথম এই ধরনের আইডিয়া নিয়ে কাজ শুরু করে বিবাহ বিডি ডট কম।

অনলাইন ভিত্তিক এই সাইটি যে বিষয়ে কাজ করে সে সম্পর্কে জিএম ফ্রেজার বলেন, ‘উচ্চ শিক্ষা শেষ করে প্রতিষ্ঠিত হবার পরও যদি আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো সদস্য উপযুক্ত সঙ্গীর সন্ধান না পান তখন আমরা আমাদের এই সাইট বিবাহ বিডির মাধ্যমে আপনাদের কে সহায়তা করি। এ জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরন করতে হবে।’

এই সাইটকে জনপ্রিয় করতে আপনারা কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা এই ধরনের একটি ভিন্নধর্মী ধারনা নিয়ে যাত্রা শুরু করি তখন খুববেশী মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার করতো না, অনেকেরই ইন্টারনেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা ছিলো না, গন্ডিটা ছিলো ইমেইল ও ইন্টারনেটে খবরপড়া, বা ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট করা পর্যন্ত। যারা বুঝত তারাও অতিরিক্ত খরচের ভয়ে ব্যাক্তিগত পর্যায়ে রেগুলার ইন্টারনেট ব্যবহার করতো না। এক কথায় বলা যেতে পারে অনলাইন ভিত্তিক মার্কেট তখন রেডিই ছিল না।

২০১২ সালের পর থেকে এই মার্কেট ধীরে ধীরে বিস্তৃত হতে শুরু করেছে। প্রথম দিকে পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যায় পরেছিলাম আমরা, সেবার বিপরীতে সেবা গ্রহীতার কাছ থেকে তখন পেমেন্ট নেয়া সহজ ছিলো না। বিদেশ থেকে পেমেন্ট নেয়ার একটি আমাদের অবলম্বন ছিল ‘পে-পল’। এর পর আস্তে আস্তে দেশে বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেম চালু হলো। বিভিন্ন ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং শুরু করল, শুরু হলো মোবাইল ব্যাংকিং। ইন্টারনেটের আরো সহজ লভ্য হতে শুরু করলো, এর পর থেকেই এই সাইট দিন দিন জনপ্রিয় হতে থাকে।’

bibahabdবিবাহ বিডি মূলত একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠান। অনেকেই মনে করেন যে, বিবাহ বিডি মনে হয় ঘটকের কাজ করে। ধারনাটা আসলে সম্পূর্ণ ভুল। আসলে বিবাহবিডি হলো বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশী পাত্র পাত্রী খুঁজার একটি ডাটাবেইজ এপ্লিকেশন। এই ওয়েব সাইট বা এপ্লিকেশনের মাধ্যমে একজন পাত্র-পাত্রী বা তাদের অভিভাবকগন ঘরে বসেই অনলাইনে তাদের পছন্দের প্রফেশন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা তাদের নিদৃষ্ট চাহিদা অনুযায়ী বিবাহবিডির ডাটাবেইজের অসংখ্য প্রোফাইল থেকে পছন্দের প্রোফাইল গুলো বেছে নিয়ে নিজেরাই সরাসরি একে অন্যের সংগে যোগাযোগ করতে পারছেন। আমরা নিজে থেকে কোন ইউজারকে খুঁজে ম্যাচ ম্যাকিং করে দিই না, এমন দু পক্ষের কোনরকম ভূমিকাতেই আমরা জড়িত থাকিনা। পুরো সার্ভিসটাই হলো সেলফ সার্ভিস।
আমরা শুধু প্রত্যেকটা প্রোফাইল ভারিফিকেশনের দায়িত্ব নিচ্ছি, কারো কোন তথ্যে সন্দেহ থাকলে রিলেটেড পেপার চাচ্ছি। মুলতঃ বিবাহ বিডিতে যে কেউ চাইলেই প্রোফাইল খুলে মেম্বার হতে পারেনা। যতক্ষন আমাদের ইউজার সাপোর্ট টিম যাচাই বাছাই করে একজন নতুন ইউজারকে আমাদের ওয়েব সাইট ব্যাবহারের অনুমোদন দিয়ে থাকে। যেমন ধরুন- যে প্রার্থী রেজিষ্ট্রেশন করেছে তার প্রদত্ত তথ্য গুলো সঠিক কিনা, ইমেইল আইডিটি সচল কি না, ছবিটি আসল কি না এবং পরিশেষে প্রার্থী ও অভিভাবকের সাথে কথা বলে শতভাগ নিশ্চিত হলেই তবেই ঐ ইউজারকে বিবাহ বিডিতে লগিন করার সুযোগ দেয়া হয়। এখানে ভুয়া আইডি খোলে সার্ভিস নেয়ার কোন নেই। এমনটিই জানিয়েছেন জিএম ফ্রেজার।

bb-frofileবিবাহ বিডি তো একটি ভিন্নধর্মী সেবা ব্যবসা বা অনলাইন ম্যাট্রিমনিয়াল সাইট। এ পর্যন্ত আপন্রাা কি ধরনের প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ আমার ভাষায় আমি বলবো- আমাদের দেশে অনলাইন ভিত্তিক ব্যাবসা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় গবেষনা বা ডাটার অভাব রয়েছে। এর মধ্যে দেশের মোট কতো শতাংশ ইউজার এই মূহুর্তে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, কত শতাংশ প্রত্যহ ইন্টারনেট ব্যাবহারে অভ্যস্থ, কি পরিমান ইউজার ট্রাফিক দেশের প্রতিদিন বাইরে থেকে আসছে, এবং কোন কোন দেশ থেকে আসছে তার সুনির্দিষ্ট অথবা গড় কোন ডাটা আমাদের কাছে নেই।

benifit
যার কারনে আমরা বুঝতে পারছি না আমাদের টোটাল মার্কেট সাইজটা কতটুকু। এবং কিভাবে স্বল্প ব্যায়ে আমরা আমাদের টার্গেট ইউজারদের কাছে পৌছাতে পারবো। তাছাড়া বাংলাদেশের যেসব ওয়েব সাইটের ইউজার ট্রাফিক বেশী সে সকল সাইটে বিজ্ঞাপন মূল্য বেপরোয়া। ফলে তারা ডলারে বিনিময়ে দেশের মানুষের কাছে পৌছাতে বিদেশী সাইট গুলোতে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। আর যার ফলে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এমন অসামঞ্জস্য পরিবেশে টিকে থাকা সত্যি দূরহ ব্যাপার।
আরো একটি বড় ব্যাপার হলো ই-কমার্স (অনলাইনে সেবা বা পন্য বিক্রি) ব্যাবসায় কোনো ব্যাংক অর্থায়ন বা বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে না। এক্ষত্রে রাষ্ট্রিয় সুবিধাও অপ্রতুল। ব্যাংকগুলো যদি সহজ শর্তে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে, তা হলে এই খাত দ্রুত একটি শক্ত অবস্থানে যেতে পারবে।’
profile-bbতিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদান করি বিনিময়ে একটি সার্ভিস চার্জ নিয়ে থাকি। বাংলাদেশে অনলাইন ভিত্তিক যতো ব্যবসা আছে তার মধ্যে সেবা সম্পর্কিত ব্যবসা গুলোই কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে এই খাতে টিকে আছে।’
অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসাকে আরও প্রসারিত করার জন্য প্রথমেই দরকার মোবাইল ইন্টারনেটের মূল্য আরও সুলভ করা, ব্যাক্তি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুফল পৌছে দিলেই এই খাত আরও প্রসারিত হবে। তবে সু প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো নিজেদের পন্য বা সেবার সহজ বিপননের জন্য নির্দিধায় এখনি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসায় আসতে পারে।
এতে প্রচুর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দক্ষ জনবলও তৈরী হবে। যাদের দেশব্যাপী প্রচুর এজেন্ট আছে, কিংবা যারা দেশ জুড়ে পাইকারী পন্য বিক্রি করে থাকেন যেমন- বাটা, এপেক্স, ওয়াল্টনসহ বিভিন্ন কোম্পানী চাইলেই এখনই ইকমার্সে আসতে পারে। আসতে পারে দেশের প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন হাউজ গুলোও। এতে তাদের আলাদা করে কোম্পানী তৈরি করতে হবে না, ফিক্সড কাষ্টমার গ্রুপ তাদের তৈরী করাই আছে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো ইকমার্সে আসলে এই খাত আরও দ্রুত প্রসারিত হবে বলেও জানান জিএম ফ্রেজার।
তবে যারা শুধু মাত্র একটি ইকমার্স সাইট বানিয়ে বাইরে থেকে পন্য কিনে অনলাইনে পন্য বিক্রি করতে চাচ্ছেন তারাদের জন্য এই মুহুর্তে ইকমার্স ব্যাবসায় টিকে থাকাটাই সবচে বড় চ্যালেঞ্জ।
* বাংলাদেশে এ বিবাহ বিডির মতো আরও ২৫ সাইট রয়েছে।
* প্রতি মাসে বিবাহবিডি থেকে অন্তঃত ২০ থেকে ২৫ জোড়া আইডি তাদের সফলতা খুজে পায়।
* সব সময় বিবাহবিডিতে ৩০০০- ৩৫০০ এর মতো আইডি সক্রিয় থাকে।
* ৪টি আলাদা আলাদা প্যাকেজে গ্রাহক তার সেবা বাছাই করে নিতে পারে।
* বাংলাদেশে বিবাহ বিডির অবস্থান প্রথম।
* ভারতে এই ধরনের সাইটের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top