শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উদ্বোধন করলেন জয় | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - নতুন অ্যাপ ‘ফাইলস গো’ চালু করেছে গুগল | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / ক্যারিয়ার / অষ্ট্রেলিয়ায় ট্রেনিং, জব ও পিআর
অষ্ট্রেলিয়ায় ট্রেনিং, জব ও পিআর

অষ্ট্রেলিয়ায় ট্রেনিং, জব ও পিআর

ইশতিয়াক আলম :বিদেশে চাকুরী ও পিআর বা স্থায়ী অভিবাসনের জন্য আগ্রহী নয় এদেশে এমন ছাত্র, তরুন ও পেশাজীবি পাওয়া দুস্কর। এইসবের এক আকর্ষনীয় ও দূর্লভ সুযোগ তৈরী হয়েছে অষ্ট্রেলিয়ায় যার নাম trainee-ship visa under sub-class 402”.

এই কর্মসূচীর অধীনে একজন প্রার্থী অষ্ট্রেলিয়ায় যেয়ে প্রথম বছর নির্দ্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ট্রেনিং গ্রহন করবে। ট্রেনিং এর এক বছর থাকা-খাওয়া ফ্রি এবং মাসিক এ্যালাউন্স পাওয়া যাবে ১০০০/১২০০ অষ্ট্রেলিয়ান ডলার বা পঁচাত্তর হাজার থেকে এক লাখ বা: দে: টাকা।

pr-aus

এক বছর সফলভাবে ট্রেনিং শেষ করার পর চাকুরী ৪ বছরের জন্য। প্রথম বছরের বেতন বা: দে: টাকায় তিন লাখ, ফ্রি একোমোডেশন। চার বছর পর বহু কাঙ্খিত পি.আর. বা স্থায়ী আবাসন।

নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রথমে যাওয়ার সময়েই স্ত্রী বা স্বামীকে নিয়ে যেতে পারবে। তবে পেমেন্ট, ভিসা ফি, হেলথ ইন্সুরেন্স এবং বিমান ভাড়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ লাগবে।

ভিসা সাব-ক্লাস ৪০২ হচ্ছে স্পনসরড ভিসা। অষ্ট্রেলিয়ার অনুমোদিত কোম্পানী (Bhullar Group) স্পনসর, ট্রেনিং ও আনুষাঙ্গিক সকল কাজ সম্পন্ন করবে। নমিনেশন দেবে DIBP বা ev Director of Immigration  & Border Protection Department । ভিসা অনুমোদন হবে অষ্ট্রেলিয়া থেকে। কোন প্রার্থীতে ঢাকাস্থ অষ্ট্রেলিয়া দূতাবাসে যেতে হবে না। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য থানা বা জেল পুলিশ দপ্তরেও যেতে হবে না। সকল কাজ অষ্ট্রেলিয়ান ইমগ্রেশন দপ্তর থেকে করা হবে।

আবেদন পাঠাবার পরে নির্বাচিত হওয়ার পর কোর্স ফি হিসাবে ৩৯৮০ ও ভিসা অনুমোদন হওয়ার পরে পাঠাতে হরে ১২,৩০০ অষ্ট্রেলিয়ান ডলার, ব্যাংকের মাধ্যমে প্রার্থীকে নিজে এই টাকা পাঠাতে হবে স্পনসর কর্তৃক নির্বাচিত হওয়ার পরে ইনভয়েসের বিপরীতে। এই সুযোগ-সুবিধা কেবলমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে ও তাদের জন্য যারা নিয়ম মেনে আবেদন করবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং, সাইন্স বা ব্যবসা প্রশাসনে যারা ব্যাচেলর ডিগ্রী করেছে এবং IELTS স্কোর কমপক্ষে ৫.৫ তারা সরাসরি আবেদন করতে এবং প্রায় ৪/৫ মাস সময়ের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়া যেতে পারবে।

যারা উপরোক্ত বিষয়ে ব্যাচেলর করেছে কিন্তু IELTS  নেই তারাও এখুনি আবেদন করতে পারবে কিন্তু ২/৩ মাসের মধ্যে IELTS  স্কোর ৫.৫ অর্জন করতে হবে।

এই কর্মসূচীর সবচেয়ে আকর্ষনীয় দিক হচ্ছে যারা উচ্চ মাধ্যমিক বা ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা করেছে তারাও আবেদন করতে পারবে তবে তাদেরকে ৬/৯ মাসের নির্দ্দিষ্ট বিষয়ে ঢাকায় ট্রেনিং ও IELTS Score 5.5  তুলতে হবে যেন তারা অষ্ট্রেলিয়ায় এক বছর মেয়াদী ট্রেনিং-এ ও যোগ দেওয়ার জন্য যোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

সকল কার্যক্রম অষ্ট্রেলিয়ান ইমিগ্রেশন আইন অনুসারে ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা নিজের আবেদন-যোগ্যতা যাচাই-এর জন্য জীবন-বৃত্তান্ত বা CV পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলে : traineeshipvisa.australia@gmail.com। ওয়েব পেজে যেয়ে traineeship visa বা sub-class 402 এর জন্য সার্চ করলেও অনেক কিছু জানা যাবে।

Comments

comments



2 comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top