শিরোনাম

শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে একত্রে কাজ করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এটুআই | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রবি’র ক্যারিয়ার কার্নিভাল | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - ‘শান্তি’র জন্য প্রযুক্তি পরিচয়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - নতুন ফিচার নিয়ে ফুডপান্ডা | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় পরিচালিত হবে জীবন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - বিশবছর পূর্তি উদযাপন করলো এরিকসন বাংলাদেশ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - ফেসবুক হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচতে পারেন যে উপায়ে | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - স্মার্টফোনে আসছে আরও শক্তিশালী জুম ক্যামেরা | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - বাজারে এল স্যামসাং এর নতুন ফোন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 16, 2017 - প্রথম“সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ– ২০১৭” শুরু হচ্ছে ৩০ নভেম্বর |
প্রথম পাতা / টেলিকম / টেলিকম পলিসি / আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ৭ কোটি টাকা দিতে হবে আজকের মধ্যে
আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ৭ কোটি টাকা দিতে হবে আজকের মধ্যে

আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ৭ কোটি টাকা দিতে হবে আজকের মধ্যে

ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক সময় মতো পাওনা টাকা পরিশোধ না করার কারণে সম্প্রতি নীতিমালা সংশোধন করে বিটিআরসি। সর্বশেষ ওই নীতিমালায় এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে ১৫ কোটি টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেয়ার কথা ছিল। তবে গত ২০ নভেম্বর এক নির্দেশে আজ ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলো নানানমুখি সুবিধা পেয়ে আসছিল। আর এই সুযোগের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো যথাসময়ে পাওয়া টাকাও পরিশোধ করতো না। টাকার পরিমাণ হাজার কোটি ছাড়িয়ে গেলেও এই নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই। পরিশেষে কয়েক দফায় বিটিআরসি উদ্যোগ নিলে সামান্য কিছু টাকা পরিশোধ করে তারা পার পেয়ে যেতো। তারপরেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান টাকা দিতে গড়িমসি করে। ফলে সম্প্রতি ১০টি আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানের কল ব্লক করে দেয় বিটিআরসি।

এদিকে ঠিক সময় মতো টাকা আদায় করার লক্ষ্যে বিটিআরসি গত অক্টোবরে আইজিডব্লিউ নীতিমালা সংশোধন করে। আগের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ কোটি টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হয়। তবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে ব্যাংক গ্যারান্টির পুরো অর্থই তুলে নিতে পারত প্রতিষ্ঠানগুলো। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজস্ব আয়ের অর্থ ৩ মাসের স্থলে ২ মাস হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। আর এ অর্থ পরিশোধে প্রতিষ্ঠানগুলো সময় পাবে আগের ২৫ দিনের পরিবর্তে ২০ দিন।

sonus-ims

সম্প্রতি বার্ষিক লাইসেন্স ফি ও রাজস্ব আয়ের ভাগাভাগির অংশসহ অন্যান্য পাওনা নিয়মিত প্রদান না করায় আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক গ্যারান্টি রাখার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয় কমিশন। পাওনা আদায়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এ ব্যাংক গ্যারান্টি রাখা হচ্ছে। বকেয়া অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক গ্যারান্টি থেকে তা কেটে রাখবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ অর্থের চেয়ে পাওনার পরিমাণ বেশি হলে প্রতিষ্ঠানের কল আদান-প্রদান বন্ধ করবে বিটিআরসি।

বিটিআরসি বলছে, রাজস্ব ভাগাভাগির অর্থ নিয়মিত পরিশোধ না করায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বিপুল অঙ্কের অর্থ বকেয়া পড়ে আছে। এটা বন্ধ করতেই এ ধরনের সংশোধনী আনা হয়েছে। আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানগুলো রাজস্ব ভাগাভাগির অংশ হিসেবে তাদের আয়ের ৫১ দশমিক ৭৫ শতাংশ সরকারকে দিয়ে থাকে। বিটিআরসি সরকারের পক্ষে এ অর্থ আদায় করে।

নীতিমালায় আরো কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৮ ও ১৬ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লাইসেন্স ফিসহ সরকারের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করলে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত ১৫ শতাংশ হারে বিলম্ব ফিসহ এটা পরিশোধ করতে পারত প্রতিষ্ঠানগুলো। এ সময়ের মধ্যেও পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারত কমিশন। এ ধারা সংশোধন করে ৩০ দিন সময় দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। অর্থাৎ এখন থেকে বিলম্ব ফিসহ বকেয়া অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়া আইজিডব্লিউগুলোর কাছ থেকে পারফরম্যান্স ব্যাংক গ্যারান্টি বাবদ নেয়া অর্থের ৫০ শতাংশ বিটিআরসির কাছে রেখে দেয়ার বিধান সংযোজন করা হয়েছে নীতিমালায়। আগে পর্যায়ক্রমে এটি ফেরত দেয়ার সুযোগ ছিল। এ অর্থের চেয়ে পাওনার পরিমাণ বেশি হলে প্রতিষ্ঠানের কল আদান-প্রদান বন্ধ করে দিতে পারবে বিটিআরসি। নীতিমালা অনুযায়ী, আইজিডব্লিউগুলোকে ১৫ কোটি টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হয়।

বর্তমানে দেশে আইজিডব্লিউ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৯টি। গত বছরের এপ্রিলে নতুন ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়া হয়। এর আগে ২০০৮ সালে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে এ লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। আইজিডব্লিউগুলো আন্তর্জাতিক কল আদান-প্রদান করছে। আর আইজিডব্লিউর মাধ্যমে আসা কল গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দিচ্ছে অপারেটররা।

বর্তমানে দেশে বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কল প্রতিদিন গড়ে ৪ কোটি মিনিট। নতুন করে অনেকগুলো আইজিডব্লিউ লাইসেন্স দেয়ার পর এ খাতে প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানই সরকার নির্ধারিত ৩ দশমিক ৪৫ সেন্টের কমে আন্তর্জাতিক কল আনা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২ সেন্টেরও কমে অবৈধভাবে কল নিয়ে আসতে চুক্তি করে। ভারসাম্যহীন এ প্রতিযোগিতার কারণে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যবসায়িকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে। বিটিআরসি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন দেশে বৈধ পথে গড়ে সাড়ে ৩ কোটি মিনিট আন্তর্জাতিক কল আসছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top