শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - জেমসক্লিপ এবং অ্যাডকম লিমিটেড-এর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - টানলেই ইলাস্টিকের মতো বাড়বে এই ব্যাটারি,দাবি গবেষকদের | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - টাকার চিন্তায় ডুবে থাকা মানুষই ফেসবুকে বেশি অ্যাক্টিভ:গবেষণা | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - হোয়াটস অ্যাপে নতুন ফিচার,গ্রুপ থেকেই ব্যক্তিগত মেসেজ | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - পোক ফিচারটি ফিরিয়ে আনছে ফেসবুক | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - গ্রামীণফোনের প্যানেল আলোচনায় ডিজিটাল চট্টগ্রামের রূপরেখা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম |
প্রথম পাতা / টেলিকম / আগামী বছরের প্রথমার্ধেই ঘুরে দাঁড়াতে চায় সিটিসেল
আগামী বছরের প্রথমার্ধেই ঘুরে দাঁড়াতে চায় সিটিসেল

আগামী বছরের প্রথমার্ধেই ঘুরে দাঁড়াতে চায় সিটিসেল

সেলফোন অপারেটর সিটিসেল কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক হারাচ্ছে। দেশের ছয় অপারেটরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সবচেয়ে কম। গত বছরের ডিসেম্বরে সিটিসেলকে পেছনে ফেলেছে রাষ্ট্রীয় অপারেটর টেলিটক। এদিকে আর্থিক সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটির কাছে সরকারের পাওনাও বাড়ছে। এমন অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছে সিটিসেল। এ লক্ষ্যে আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন করবে তারা।
url1
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর শেষে সিটিসেলের গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৪৪ হাজার। অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক বেড়েছে ১৪ হাজার। তবে এর আগের ১৭ মাসে ধারাবাহিক গ্রাহক হারিয়েছে তারা।
২০১২ সালের এপ্রিলে সিটিসেলের গ্রাহক ছিল ১৮ লাখ ১ হাজার। আর প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ গ্রাহক ছিল ২০১০ সালের অক্টোবরে। তখন তাদের গ্রাহকসংখ্যা পৌঁছেছিল ১৯ লাখ ৩৩ হাজারে। ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও ধারাবাহিকভাবে এর গ্রাহক কমেছে।
সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী  বলেন, আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর উন্নয়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
এটি সম্পন্ন হলে গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া জিএসএম তরঙ্গ বরাদ্দে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। এটি পাওয়া গেলে জিএসএম প্রযুক্তির সেবা চালু করা হবে।
প্রসঙ্গত, সিটিসেলের ৪৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গটেল। বাকি অংশের মধ্যে ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্যাসিফিক মোটরস ও ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ ফার ইস্ট টেলিকমের মালিকানাধীন। গত বছর থেকেই সিঙ্গটেল নতুন বিনিয়োগ বন্ধ করে দেয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ে সিটিসেল।
জানা গেছে, বকেয়া পরিশোধ ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নয়নে তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। সিংহভাগ শেয়ারের মালিক সিঙ্গটেল নতুন বিনিয়োগ না করলেও বিভিন্ন উত্স থেকে অর্থ সংগ্রহে আলোচনা করছে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ। এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠার আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটি গত বছর শুধু প্রথম প্রান্তিকের তরঙ্গ ফি দিয়েছে। আর একই বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তরঙ্গ ফি পরিশোধ করেছে গত এপ্রিলে।
আর্থিক সংকটের কারণে সরকারের বকেয়া সব অর্থ নয় মাসে তিন কিস্তিতে পরিশোধের আবেদন করেছিল তারা। আর্থিক সংকটের কারণে থ্রিজি নিলামেও অংশ নিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি বছরের এপ্রিলে জিএসএম (গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন্স) প্রযুক্তির সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের জন্য বিটিআরসির কাছে আবেদন করে দেশের একমাত্র সিডিএমএ (কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস) প্রযুক্তির সেবাদানকারী অপারেটর সিটিসেল।
এতে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া ৫ মেগাহার্টজ সিডিএমএ তরঙ্গ পরিবর্তন করে ইজিএসএম ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দের আবেদন করা হয়।
গত জুনে বিটিআরসিকে একই বিষয়ে দেয়া অন্য একটি আবেদনে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, সিডিএমএ ডিভাইস ইকোসিস্টেম না থাকায় চেষ্টা সত্ত্বেও জিএসএম অপারেটরের তুলনায় সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার কমছে।
২০০৭ সালে যেখানে সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার ছিল ৪ শতাংশ, ২০১২ সাল নাগাদ তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। এছাড়া সিডিএমএ ডিভাইসে ভর্তুকি হিসেবে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। বিশ্বের অনেক দেশের জিএসএম অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সুমন আফসার |বনিক বার্তা

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top