শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - পাকিস্তানের টাওয়ার কোম্পানি অধিগ্রহণ করছে ইডটকো | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - নোকিয়া ৯ স্মার্টফোনে ৬জিবি এবং ৮জিবি র‌্যাম | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - চীন বানাল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - পদত্যাগ করলেন উবার প্রধান | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - আসছে উড়ন্ত গাড়ি | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - রাজধানীতে ভিক্ষাতে প্রযুক্তির ছোয়া | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - স্মার্টফোন থেকে মুছে যাওয়া ছবি ফিরে পেতে করনীয় | বুধবার, জুন 21, 2017 - সাকিব আল হাসান ও হুয়াওয়ে ভক্তদের চীন সফর | বুধবার, জুন 21, 2017 - নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেটের উন্নততর মানের সূচনা | বুধবার, জুন 21, 2017 - জিপিহাউজে টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম নিয়ে রোড শো অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / আন্তর্জাতিকমানের আইটি পেশাজীবী তৈরি করছে লীডস
আন্তর্জাতিকমানের আইটি পেশাজীবী তৈরি করছে লীডস

আন্তর্জাতিকমানের আইটি পেশাজীবী তৈরি করছে লীডস

sohel-ranaবর্তমান সময়টা হলো তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের সময়। বিশ্বব্যাপী গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এই খাতকে। বাংলাদেশ যথেষ্ট পরিমান সম্ভাবনাময়, ইতোমধ্যে প্রমান করতে সক্ষম হয়েছে যে এ দেশ চাইলেই আন্তর্জাতিকমানের সফটওয়্যার উৎপাদন ও তথ্যপ্রযুক্তিতে যেকোনো অবদান রাখতে পারে। আমাদের দেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম নেই। এসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য বিশ্বের অনেক কোম্পানির প্রতিনিধিরা এগিয়ে আসে। এ রকম একটি প্রতিষ্ঠান হলো লীডস কর্পোরেশন। কথা হয় এই প্রতিষ্ঠানের চীফ অপারেটিং অফিসারের সাথে। তার সাথে কথা হয় লীডস কর্পোরেশনের কার্যক্রম এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে।
রানা সোহেল বর্তমানে কাজ করছেন লীড কর্পোরেশনের চীফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে। লীড কর্পোরেশন মূলত একটি সফটওয়্যার তৈরি প্রতিষ্ঠান। রানা সোহেল তার শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এইটএনটি, হোমশপিং নেটওয়ার্কসহ অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। সবগুলো প্রতিষ্ঠানই প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট। ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশের একটেল (বর্তমান রবিতে) ও দায়িত্ব পালন করেন । এ বছরের শুরু থেকে আছেন লীড কর্পোরেশনের সাথে। বাংলাদেশের টেলিকম সেক্টর নিয়ে কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের টেলিকম সেক্টর খুব ভালো অবস্থানে আছে। গত ৯ বছরে অনেক উন্নত হয়েছে এই সেক্টর।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কর্মজীবনে আমি অনেক কাজের ক্ষেত্র পেয়েছি, এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই বলে বড় বড় চ্যালেঞ্জগুলো নিচ্ছি এবং সফলও হচ্ছি।’
লীড কর্পোরেশন কী ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতের সফটওয়্যার তৈরিতে এগিয়ে আছে এই প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে তারা অগ্রগামী ভূমিকা রাখছে। এখন দেশের বাইরের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়াও শেয়ার মার্কেটের ব্রোকারেজ হাউজ, জীবন বীমা, ছোট বড় যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য ইআরপিসহ সব ধরনের সফটওয়্যার সল্যুশন তৈরি করেন তারা।
টেলিকম এখন মানুষের জীবনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এটাও কম সফলতা নয়। এই সেক্টরে দারুণ সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রযুক্তির বিস্তার ঘটাতে কী করা দরকার, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘টেলিকম সেক্টরের কাস্টমার কেয়ার বেশ নাম করেছে । অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও চাইলে এটা করতে পারে। সব সেক্টরে এমনটি থাকলে আস্থার জায়গাটা অনেক বড় হয়। মনে রাখা উচিৎ ব্যবসায়ীর জন্য গ্রাহক হলো চাবিকাঠি, এ জন্য গ্রাহককেই সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে হবে এবং আস্থা যোগাতে হবে।’
তিনি আরও জানান, সরকার আইসিটি খাতকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রও অনেকগুলো কাজ করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ন একটি হলো জনশক্তিকে কর্মশক্তিতে রুপান্তর করা। তাদের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আইসিটি সেক্টরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি যোগ্য হলে সে শুধু দেশেই না, দেশের বাইরেও কাজ করার ক্ষেত্র পাবে।
তথ্যপ্রযুক্তির এই সেক্টরকে আরও ডেভেলপ দেখতে চাইলে করনীয় বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাত আরএমজি’র চেয়েও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ২০১২ সালে আমি ভিয়েলাটেক্সে সিআইও হিসেবে যোগদান করি এবং উপলব্ধি করি এই সেক্টরে যদি তথ্যপ্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তাহলে এই সেক্টর বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় আরও এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। তথ্যপ্রযুক্তির মান উন্নয়ন করে ভিয়েলাটেক্সে এর প্রমান রাখতে সক্ষম হয়েছি।’

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন করতে সংশ্লিষ্ট সবারই সহায়তা প্রয়োজন। সবাই মিলে এগিয়ে আসলে আমার মনে হয় বাংলাদেশ নিকট ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের মধ্যে উদাহরণ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারবে। এখানে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগান সকলে মিলে তৈরি করতে পারলে তারা ভবিষ্যতে কেবল বাংলাদেশ নয়, প্রযুক্তি বিশ্বেরই নেতৃত্ব প্রদান করার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।’

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top