শিরোনাম

সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - নতুন নম্বর সিরিজ ০১৩ পাচ্ছে না জিপি | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সিওরক্যাশের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবে পেইজা গ্রাহকেরা | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই দেওয়া হবে : পলক | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে কাজ করবে টেন মিনিট স্কুল | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - আফতাব-উল-ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পরিচালক | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - কিশোর-কিশোরীদের মেধা বিকাশে আসছে কানেক্ট ডটবাংলা | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - ডয়েচে ভেলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক অনুষ্ঠান আরটিভিতে | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - ‘র‍্যাংকসটেলের ইন্টারনেটের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিটিসিএল’ | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - এবার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন আনছে ফেসবুক |
প্রথম পাতা / স্থানীয় খবর / আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব দেখভাল করবে সরকারি কমিটি
আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব দেখভাল করবে সরকারি কমিটি

আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব দেখভাল করবে সরকারি কমিটি

তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জোটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বে দেশিয় সংগঠনগুলোকে সার্বিক সহায়তা দিতে কমিটি করবে সরকার।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশে কম্পিউটার সমিতিসহ (বিসিএস)দেশিয় সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্য হিসেবে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যেন কার্যকর অবদান নিয়ে আসতে পারে সেজন্য বেসরকারি এসব সংগঠনের সাথে কাজ করবে এই কমিটি।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বে বেসিস এশিয়া প্যাসেফিক আইসিটি অ্যালায়েন্সের (এপিকটা) সদস্যপদ পাওয়া উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কমিটির গঠনের কথা জানান সম্মেলনের প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সংবাদ সম্মেলনে টেকশহরডটকমের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশেরতথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠনসমূহকে সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে। সরকার বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত থেকে তাদের সাথে কাজ করছে।

apicta

তিনি বলেন, এপিকটার সদস্য হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বেসিসকে সব ধরণের সহায়তা করবে সরকার। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে।

এরআগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রতিনিধিত্বে সেল গঠনের উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। এই সেলের মাধ্যমে টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে আইটিইউ’র কৌশল কাজে লাগানো হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণ, স্যাটেলাইট উৎক্ষপণ ও ডিজিটাল ডিভাইড কমিয়ে আনার বিষয়ে আইটিইউ’র অভিজ্ঞতা নেয়া হবে।

এপিকটার ক্ষেত্রেও এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, নিজ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরের কাঠামো গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়গুলো দেখবে কমিটি।

এছাড়া এপিকটার সদস্য দেশ হিসেবে নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তিকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরা, তথ্যপ্রযুক্তির সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ইনোভেশনগুলোকে এগিয়ে নিতে বেসিসকে পথ দেখাবে সরকার।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশন (অ্যাসোসিও) এবং ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সেস (উইটসা) এর সদস্য। এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংগঠনেও বাংলাদেশের নেতৃত্ব রয়েছে।

গত ২৩ থেকে ২৫ মার্চ সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত অ্যাপিকটার ৪৮ তম কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বেসিস এশিয়া প্যাসেফিক এই জোটের সদস্যপদ পায়। এপিকটার সদস্যপদ পেতে নিজ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে সরকারের সাথে কাজ করা নিবন্ধিত আইসিটি সংগঠন, স্থানীয়ভাবে এপিকটা অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের সক্ষমতাসহ ছয়টি যোগ্যতা পূরণ করতে হয়।

যোগ্যতা পূরণ করে আবেদনের পর বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে টিকে গেলে আবেদনকারী সংগঠনকে সদস্যপদ পাওয়র যথার্থতা তুলে ধরে নির্বাহী কমিটির কাছে প্রেজেন্টেশন দিতে হয়। এরপর কমিটি সদস্য পদ ডিক্লেয়ার করে।

গত ২৪ মার্চ এই প্রেজেন্টেশন দিতে সিঙ্গাপুর যান বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, মহাসচিব উত্তম কুমার পল এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ এইচ কাফী।

জোটের অন্য সদস্যরা হলো- অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, চাইনিজ তাইপে, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ম্যাকাও, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা,থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। এসব দেশের এক বা একাধিক আইসিটি সংগঠন স্ব স্ব দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।

শামীম আহসান বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিংয়ে শুধুমাত্র যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে ফোকাস করলেই হবে না, এশিয়ার দেশগুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া জরুরী। যেহেতু এই অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে অ্যাপিকটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে তাই এটার সদস্য হতে পেরে বেসিস সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারবে। এতে ব্যবসায়িক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়বে। আর এর মাধ্যমে বেসিসের ওয়ান বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়ন হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসিসের সাবেক সভাপতি মাহবুব জামান ও এস এম কামাল, বেসিসের সাবেক মহাসচিব আতিক-ই-রাব্বানী, সোয়েব আহমেদ মাসুদ, ফোরকান বিন কাশেম এবং বেসিসের মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, নির্বাহী পরিচালক সামি আহমেদ ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top