শিরোনাম

রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সহায়তা করবে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - অপো এফ৫ ৬জিবি’র প্রি-বুকিং-এ আশাতীত সাফল্য | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় প্রিয়শপ ডট কম-এর ‘শায়েস্তা খাঁ অফার’ | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - ‘অ্যাডাল্ট কনটেন্ট’এর হাত থেকে শিশুদের বাঁচাতে যা করবেন | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - “আগামী দিনের দক্ষতা ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লব” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - ইন্টারেস্টিং কোনো অফার পেলে বাংলাদেশি ছবিতে কাজ করবো:নাফিস | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - পিপীলিকা ক্রাউডসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম এর যাত্রা শুরু | রবিবার, ডিসেম্বর 10, 2017 - জমকালো আয়োজনে পর্দা নামলো ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের | শনিবার, ডিসেম্বর 9, 2017 - মেটাল বডিতে ফিরছে অ্যাপল | শনিবার, ডিসেম্বর 9, 2017 - বাজারে আসছে এলজি ভি৩০ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / ই-সরকার ব্যবস্থাপনা সূচকে ১৪ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ!
ই-সরকার ব্যবস্থাপনা সূচকে ১৪ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ!

ই-সরকার ব্যবস্থাপনা সূচকে ১৪ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ!

ই-গভর্মেন্ট বা ই-সরকার ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বিশ্ব সূচকে গত ৫ বছরে ১৪ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ। দাপ্তরিক জরিপ সংস্থা ইউএনপ্যাকস (ইউনাইটেড ন্যাশন পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কান্ট্রি স্ট্যাডিজ) পরিচালিত জরিপ প্রতিবেদনের বরাদ দিয়ে সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রকাশিত ম্যানিলাভিত্তিক এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি), শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনৈতিক সূচকেও একেবারেই নিচের দিকে রয়েছে বাংলাদেশ।

egov-survey

 

এ অঞ্চলের ২৮টি দেশের উপর চালানো গবেষণার পর সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, এসব সূচকে ২৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৭। এর নিচে রয়েছে শুধু মিয়ানমার। জাতিসংঘ পরিচালিত ই-গভর্মেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সের (ইজিডিআই) জরিপ ২০১৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪৮তম। ২০১০ সালে এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪তম।

তবে ২০১২ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০। সেই হিসেবে ২ ধাপ বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও সার্বিকভাবে গত পাঁচ বছরে ১৪ ধাপ পিছিয়ে গেছে।  ২০১২ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০। বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসা ভুটানের অবস্থান ছিল ১৫২। তবে এবারে ৯ ধাপ এগিয়েছে। অপরদিকে মালদ্বীপকে (৯৪) টপকে এবার ই-সরকার সূচকে ৭৪তম অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা। আর ই-সরকার ব্যবস্থাপনায় সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফগানিস্থান।  আবার ১৪৪টি দেশের মধ্যে পরিচালিত দ্য নেটওয়ার্কড রিডনেস ইনডেক্সের (এনআরআই) জরিপে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯ যা ২০১৩ সালে ছিল ১১৪।

অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন আইডিআই পরিচালিত জরিপে ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৩৫তম। ২০১১ সালে যা ছিল ১৩৯তম। তবে বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে, এই র‌্যাংকিংয়ে ভুটান (১১৮), মালদ্বীপ (৭৩), মিয়ানমারের (১৩৪) অবস্থান বাংলাদেশেরও উপরে।  ম্যানিলাভিত্তিক এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি), শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনৈতিক সূচকেও একেবারেই নিচের দিকে রয়েছে বাংলাদেশ। এ অঞ্চলের ২৮টি দেশের উপর চালানো গবেষণার পর সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, এসব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ২৬।  এ তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় আইসিটি খাতে ২৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৬তম। এ খাতে দক্ষিণ এশিয়ার গড় মান ৪ দশমিক ২৮। আর বাংলাদেশের সূচক মান ১ দশমিক শূন্য ১।

বড় ধরনের স্বপ্ন নিয়ে বর্তমান সরকার বিশ্বের সবচেয়ে বড় সরকারি ওয়েবপোর্টাল উদ্বোধন করার দাবি করলেও আন্তর্জাতিক মহলের পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা এবং সরকারের ডিজিটালাইজেশনের বিপরীত চিত্র পাওয়া যায় সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতেই। সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ওয়েবসাইট হালনাগাদকরণেও সংশ্লিষ্টদের অনীহার চিত্র ফুটে ওঠেছে।  সম্প্রতি নিউইয়র্কভিত্তিক একটি বাংলা সাপ্তাহিকে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সমালোচনা করে বলা হয়, কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগে হালনাগাদ তথ্য থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাইটগুলোতে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে দুই বছর কিংবা চার বছর আগের। কোনও কোনও মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তথ্য না থাকলেও শোভা পাচ্ছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের ছবি।  আবার কোনও কোনও মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাই যাচ্ছে না। এরমধ্যে একটি হলো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। সেখানে ক্লিক করলে ভেসে আসে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নাম। সাইটটিতে সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে এখনও লেখা আছে মো. এনামুল হক মোস্তফা শহীদের নাম।  যদিও গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সৈয়দ মহসিন আলী। সরকারি এসব ওয়েবসাইটে তথ্যগত বিভ্রান্তিসহ নানান কারণে বাংলাদেশ ই-গভর্মেন্ট সূচকে পিছিয়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ পরিচালিত ই-গভর্মেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সের (ইজিডিআই) জরিপ ২০১৪ প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ পিডিএফ পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়। 

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top