শিরোনাম

সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - নতুন নম্বর সিরিজ ০১৩ পাচ্ছে না জিপি | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সিওরক্যাশের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবে পেইজা গ্রাহকেরা | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই দেওয়া হবে : পলক | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে কাজ করবে টেন মিনিট স্কুল | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - আফতাব-উল-ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পরিচালক | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - কিশোর-কিশোরীদের মেধা বিকাশে আসছে কানেক্ট ডটবাংলা | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - ডয়েচে ভেলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক অনুষ্ঠান আরটিভিতে | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - ‘র‍্যাংকসটেলের ইন্টারনেটের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিটিসিএল’ | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - এবার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন আনছে ফেসবুক |
প্রথম পাতা / টেলিকম / এক পরিচয়পত্রে ২০ সিম নিবন্ধনের যে যুক্তি
এক পরিচয়পত্রে ২০ সিম নিবন্ধনের যে যুক্তি

এক পরিচয়পত্রে ২০ সিম নিবন্ধনের যে যুক্তি

Using-Mobile-Phone-Abroad-SIM-Cardsএকটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে একজন ব্যক্তি ২০টি মোবাইল সিম নিতে পারবেন- এমন সীমা নির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যদিও এর আগে বিভিন্ন পক্ষের প্রস্তাবনায় কখনও ১০, ২৪ বা ২৫টি সিমের কথা শোনা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ২০ সিমেই খুশি থাকতে হয়েছে ব্যবহারকারীকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একজন ব্যক্তি কয়টি সিম ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানতে চাওয়া হয়। ওই প্রশ্নের জবাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি থেকে প্রস্তাব করা হয় একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ২০ এবং এক অপোরেটরের ৭টি সিম রাখতে পারেন। যদিও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ প্রস্তাব করে যথাক্রমে ২০ এবং ৫টি। ওই সূত্র আরও জানায়, এই সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পক্ষের সুপারিশ ছিল।

কেন ২০টি সিম- এই তথ্য ঘাঁটতে গিয়ে জানা গেল অনেকগুলো বিষয় সামনে নিয়ে এই সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়ে থাকতে পারে। মোবাইল ফোনের বিভিন্ন প্যাকেজ, ইন্টারনেট প্যাকেজ, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান, বৃদ্ধ বাবা-মা ইত্যাদি বিষয় সিম সংখ্যা ২০টি নির্ধারণে সহায়তা করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

তবে এই সিম সংখ্যা ভবিষ্যতে কম মনে হতে পারে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ভারতে একজনের ৬০, শ্রীলংকায় ৫০টি সিম ব্যবহারের সীমা নির্দিষ্ট করা রয়েছে। পাকিস্তানে এ সংখ্যা বাংলাদেশের চেয়েও বেশি। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা (২০টি) সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, একেক মোবাইল ফোন অপারেটর একেক প্যাকেজ অফার করে। কারও কোনও অপারেটরের সকালের প্যাকেজ পছন্দ, কারও দুপুরের, আবার কারও রাতের। কেউ আবার অন্য কোনও অপারেটরের ইন্টারনেট প্যাকেজ পছন্দ করেন। এখানেই তো তার ৫টি সিম হয়ে গেল। তার বৃদ্ধ-বাবা মায়ের সিমও তার নামে নিবন্ধন করা থাকতে পারে। অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের সিমও তারা বাবার নামে নিবন্ধন করা হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গাড়িতে ভেহিক্যাল ট্র্যাকার বসাতে গেলে তাতেও সিম প্রয়োজন। ফলে ২০টি সিম একজন পেতেই পারেন।

প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের মতে, সিম নিবন্ধন সম্পন্ন হলে একজন ব্যক্তি অর্ধেক নিরাপদ হবেন। আইএমইআই নিবন্ধন সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী হবেন শতভাগ নিরাপদ।

 

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top