শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - কুমিল্লায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি চালু করলো গ্রামীণফোন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ট্রাভেল বুকিং এ যুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী 23, 2018 - অনলাইন পোর্টালের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ তাসকিন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - দর্শনার্থী নেই বেসিস সফটএক্সপোতে ! | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিসিএস নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - ২০১৭ সালে রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য অপো স্মার্টফোনসমূহ ৪জি সেবা দিতে প্রস্তুত | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিইউপিবিজিএ-এর বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - উদ্বোধন হলো বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’র | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - এলো টোটেলিংক এর হাই স্পীড ওয়াইফাই রাউটার |
প্রথম পাতা / টিউটোরিয়াল / এক পিসিতেই সবকিছু

এক পিসিতেই সবকিছু

এ বছরের শুরু থেকেই অল-ইন ওয়ান পিসি বাজার দখল করেছে বেশ ভালোভাবেই। ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল কাজ থেকে শুরু যে কারো জন্যই এই পিসিগুলো বিভিন্নভাবে উপযোগী করে তৈরী করা হচ্ছে। এরকম কিছু পিসি নিয়েই এই প্রতিবেদন যা থেকে পাঠক তার নিজের প্রযোজনীয় পিসিটি বাছাই করে নিতে পারেন।

সার্বক্ষণিক কর্মক্যস্ত মানুষের জন্য
নির্ভরযোগ্য একটি কম্পিউটার একজন কর্মব্যস্ত মানুষের মেধা ও সম্ভাবনার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে। ব্যবসার কাজে যাদের প্রায়শই ভ্রমণ করতে হয়, তাদের জন্য লেনোভো’র থিংক প্যাড ল্যাপটপে ব্যবসা-বাণিজ্য সফটওয়্যার আর অ্যাপ্লিকেশন যুক্ত করা আছে। এই ধরনের সুবিধা সম্পন্ন একটি কম্পিউটার কিনতে চাইলে লেনোভো’র থিংক সেন্টার এম ৯০ জেড অল-ইন-ওয়ান সেই চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। দেখতে খুব সাধারণ কিন্তু আকর্ষনীয় এই অল-ইন-ওয়ান সিস্টেমে রয়েছে ২৩” মনিটর। এতে রয়েছে ৩.২ গিগাহার্জ কোর আই ৫-৬৫০ প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট ডিডিআর র‌্যাম আর ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক। ওয়ার্ল্ডবেঞ্চ ৬ এর পরীক্ষায় এর স্কোর ১১৭।

সংযুক্ত সুবিধাসমূহ
থিংক ষ্টোর এম৯০ জেড-এ রয়েছে লেনোভো’র থিংক ভেনটেজ টুলবক্স সফটওয়্যার যা কিনা নিজে নিজেই ডাটা ব্যাকআপ রাখতে এবং সিস্টেমের হার্ডওয়্যঅর ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করতে সক্ষম। টুলবক্সটি নিয়মিত ভাবে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার স্ক্যান করে এবং কোন ধরনের সমস্যায় তার ধরন এবং কীভাবে তা দুর করা যায়, সে সম্পর্কেও জানিয়ে দেয়। ফলে খুব সহজেই ট্রাবলশ্যুটের মাধ্যমে সমস্যা দূরীকরণের পদক্ষেপ নেয়া যায়।
এই সিস্টেমটি উইন্ডোজ ৭ এর মাল্টিটাচ সমর্থন করে। এছাড়াও এতে লেনোভোর নিজস্ব স্পর্শকাতর সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে যার মাধ্যমে আঙ্গুলের স্পর্শের মাধ্যমে সচরাচর ব্যবহার করা অ্যাপ্লিকেশন ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম সহ সমূহ চালু করা যায়। এর বাইরেও পছন্দমতো ফাইল, প্রোগ্রাম বা ওয়েবসাইটেও এই সুযোগ যুক্ত করা হবে।
থিংক সেন্টারের একটি সীমাবদ্ধতা এর বিল্ট-ইন গ্রাফিকস কার্ড। এটি নতুন নতুন উচ্চমানের গেমসগুলোর জন্য পর্যাপ্ত নয়। ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশনের ডিসপ্লেটি এইচডি ভিডিও সমর্থন করলেও তা যথাযথভাবে ছবিকে ছবিকে পরিষ্ফুটন করতে পারে না। সঙ্গীতের প্রতি বিশেষ দূর্বলতা থাকলে এর বিল্ট-ইন স্পিকার জোড়াও হয়তো পর্যাপ্ত মনে হবে না।
এক্সটার্নাল ডিভাইস সংযুক্ত করার জন্য এতে ৬টি ইউএসবি পোর্ট থাকলেও এতে ফায়ার ওয়্যার বা ইসাটা না থাকাটাও এর আরেকটি সীমাবদ্ধতা। যদিও এতে মাল্টি ফরম্যাট কার্ড রিডার, ডিভিডি রাইটার এবং ওয়াই-ফাই কানেকশন রয়েছে। আর এর ভিজিএ ও ডিসপ্লে পোর্টের মাধ্যমে অতিরিক্ত একটি মনিরটরও যুক্ত করা যায়।
গেমিং, সাউন্ড কোয়ালিটি বা ছবির মানে পিছিয়ে থাকলেও লেনোভো’র এই থিংক সেন্টারটি কাজের জন্য খুব চমৎকার একটি সিস্টেম। বৈচিত্রপূর্ণ সফটওয়্যার আর অ্যাপ্লিকেশনেরব্যবহার কর্মক্ষেত্রের জন্য একে একটি আদর্শ অল-ইন-ওয়ান সিস্টেমে পরিণত করেছে।

বর্তমান সময়টা ইন্টারনেটের। ইন্টারনেটেই পাওয়া যায় গান, চলচ্চিত্র আর টেলিভিশন প্রোগ্রামের খবরাখবর। ইন্টারনেট সংযুক্ত টেলিভিশন সেটের জন্য যারা অপেক্ষায় আছেন, তাদের জন্য রয়েছে এইচপি’র টাচস্মার্ট ৬০০ কোয়াড। চমৎকার ডিসপ্লে, অসাধারণ স্পিকার আর স্পর্শকাতর ইন্টাফেসের এই সিস্টেমটি আপনার শেখার ঘর বা ড্রইং রুমকে পরিণত করতে পারে স্বপ্নের হোম থিয়েটারে।

১.৬ গিগাহার্ড কোর আই-৭-৭২০ কিউ এম প্রসেসর আর ৬ গিগাবাইট র‌্যামের এই সিস্টেমটির ডিসপ্লে ২৩”। প্রসেসরটি ইন্টেলের হাইপারব্রেডিং আর টারবো বুষ্ট প্রযুক্তি সমর্থন করে আর এর শক্তি খরচ ও তাপ নির্গমন সাধারণ ডেস্কটপ প্রসেসরের চেয়ে অনেক কম। এইচপি’র সিস্টেমটিতে গান আর চলচ্চিত্রের একটি ভালো সংগ্রহের জন্য রয়েছে ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক। এর ২৩” ডিসপ্লেটির রেজুলেশন ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেল যা ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশনের এইচডি ভিডিও’র জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। আর চলচ্চিত্র দেখার জন্য বিশেষভাবে কনফিগার করা মুভি-মুড লাইটিং চলচ্চিত্র দেখার আনন্দ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ। এতে এক্সটার্নাল ডিভাইস হিসেবে রয়েছে ব্লু-রে ড্রাইভ।
টাচ স্মার্টের সফটওয়্যারের মাধ্যমে এতে স্থলু, নেটফ্লিক্স ও টুইটারের মতো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর জন্য স্পর্শকাতর ডেস্কটপ ভার্সন যুক্ত করা হয়েছে। আর কোয়াড-কোর প্রসেসর থাকায় মাল্টিটাস্কিং অনেক সুবিধা জনক এবং সহজ হয়েছে। টাচ স্মার্ট সিস্টেমটির অন্যতম আকর্ষনীয় ফচার এর সাউন্ড কোয়ালিটি। হাই-ডেফিনেশন অডিও প্রসিসিং এর জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ‘বিটস অডিও’ প্রযুক্তি। আর এইচপি’র ষ্টোরিও স্পিকার গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখেই ঘরকে ভরিয়ে দেবে সঙ্গীতের মূর্ছনায়। বিটস অডিও প্রযুক্তিতে রয়েছে ফাইন-টিউনিং ব্যবস্থা যাতে একজন শ্রোতা তার পছন্দমতো অডিও প্রোফাইল কনফিগার করতে পারে। আর এইচপি’র স্পিকারে মন না ভরলে পছন্দমতো স্পিকার সংযুক্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে এতে।

এতে রয়েছে ৫টি ইউএসবি পোর্ট আর মাল্টিফরম্যাট কার্ড রিডার। ফলে এক্সটার্নাল ডিভাইস সংযোজন আর ইচ্ছেমতো ছবি রাখার ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। এর ব্লুটুথ, তারহীন কীবোর্ড-মাউস আর রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সোফা বা খান, যে কোন জায়গা থেকেই উপভোগ করতে পারবেন সবকিছু। গেমারদের জন্যও রয়েছে বিমেষ ব্যস্থা। এর ডিসেপ্ল ইনপুট পোর্টের মাধ্যমে যুক্ত করা যাবে গেম কনসোল আর খেলা যাবে ইচ্ছেমতো।

উন্নত অডিও-ভিডিও কোয়ালিটি আর সব ধরনের মাল্টিমিডিয়া সমর্থনকারী এই সিস্টেমটি মাল্টিমিডিয়াপাগলদের জন্য হতে পারে একটি উপযুক্ত অল-ইন-ওয়ান পিসি।

রান্নাঘরের পিসি:
অল-ইন-ওয়ান পিসিগুলোতে টাচ স্ক্রিনের ব্যবহার ভিন্নমাত্রা যোগ করলেও রান্নাঘরের পিসিটির স্ক্রিনের জন্য প্রয়োজন তারহীন ইনপুট ডিভাইস। এর ধরনেরই একটি ইন্টারনেট সংযুক্ত সিস্টেম। এইচ’পির অল-ইন-ওয়ান ২০০-৫০২০।
২১.৫” এই অল-ইন-ওয়ানে রয়েছে ২.৭ গিগাহার্জ পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট ডিডিআর ৩ র‌্যাম আর ৫০০ জিবি হার্ডডিস্ক। এর ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশনের ডিসপ্লে হাইডেফিনেশন ভিডিও সমর্থন করে। এর পর্দঅয় ব্যবহৃত এলইডি প্রযুক্তি ছবির গুনগত মানকে পূর্ণমাত্রায় অক্ষুন্ন রেখে প্রদর্শন করতে সক্ষম।

রান্নাঘরের জন্যব্যবহৃত হবার কারনে এর ডিসপ্লেটি তৈরি হয়েছে বিশেষভাবে। যার ফলে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে দেখলেও ছবির মান নষ্ট হয় না।
এতে রয়েছে ওয়াই-ফাই কানেকশন আর ৮০২.১১ এন প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো ধরনের তারের সাহায্য চাড়াই কিবোর্ড আর মাউসও তারহীন হওয়ায় রান্নাঘরে বাড়তি তারের কোন ঝামেলা থাকবে না।

এর মাল্টিফরম্যাট কার্ড রিডার দিয়ে যে কোন ছবি সিস্টেমে রাখা যাবে এবং প্রয়োজনে শেয়ার করাও যাবে। আর এতে সংযুক্ত ওয়েবক্যাম দিয়ে যে কোন মুুহুর্তর ভিডিও ধারণ করে সরাসরি ইউটিউবে শেয়ার করা যাবে। আর এর ডিভিডি বার্ণার দিয়ে সেটা ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রহে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।
এতে রয়েছে ৭টি ইউএসবি পোর্ট। এর বিল্ট-ইন স্পিকারটি মনমতো না হলে ৭.১ চ্যানেল সারাউন্ড সাউন্ড সিস্টেম লাগানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
রান্নাঘরের স্থান সংকুলান আর উপযোগিতা বিবেচনায এইচপি’র এই অল-ইন-ওয়ান ২০০-৫০২০ হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।

ডরমেটরির অল-ইন-ওয়ান
টিউশন ফি, থাকা-খাওয়ার খরচ, বাই আর অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের খরচের পর একজন ছাত্রের পক্ষে অল-ইন-ওয়ান পিসি কেনা বিলাসিতা মনে হলেও তাদের জন্য রয়েছে এসারের এজেড ৫৭০০-ইউ ২১১২। মাত্র ১০০০ ডলার মূল্যের ২৩” এই সিস্টেমে রয়েছে ৩.২ গিগাহার্জ কোর আই৫ -৬৫০ প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‌্যাম আর ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক। ফলে কাজের পাশাপাশি প্রতিদিনের অ্যাসাইনমেন্টসহ গান, ভিডিও চলচ্চিত্র সহ যে কোন কিছু রাখার জন্য জায়গা পাওয়া যাবে অনেক বেশী। আর এই কনফিগারেশনের ল্যাপটপ বা নোটবুকের চেয়ে এর মূল্য তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

এসারের এই অল-ইন-ওয়ানের অন্যতম প্রধান আকর্ষন এর ২৩” মাল্টি টাচস্ক্রিন যা উইন্ডোজ ৭ এর স্পর্শকাতর সুবিধা সমর্থন করে। একই সাথে এসারের টাচ পোর্টাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে সহজেই জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এবং মিউজিক ও ভিডিও ষ্টোরে সংযুক্ত হওয়া যাবে। আর টাচ অপটিমাইজড ব্রাউজারের মাধ্যমে হাতের স্পর্শেই পৌছে যাওয়া যাবে কাঙ্খিত ওয়েব সাইট আর প্রোগ্রামে। এসার এতে একটি প্রোগ্রাম যুক্ত করেছে যা স্বয়ংক্রিভাবে সিস্টেমের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে সময়োপযোগী রাখবে এবং সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য প্রায়োরিটির ভিত্তিতে প্রোগ্রাম চালু রাখতে ও বন্ধ রাখতে পারবে।
সিস্টেমটির বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশনের ডিসপ্লের মাধ্যমে এইচডি ভিডিও প্রদর্শন করতে সক্ষম। আর মাল্টিফরম্যাট কার্ড রিডারের মাধ্যমে গৃহীত ছবিকেও চমৎকারভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এর ইমেজ কোয়ালিটি এবং কালার প্রোফাইল ছবি ও ভিডিওকে প্রত্যাশিত মান অনুযায়ী প্রদর্শন করতে সক্ষম। এতে রয়েছে ডিভডি বার্নার যার মাধ্যমে ডাটাকে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে।

বিল্ট-ইন টিভি টিউনার এবং উইন্ডোজ ৭ এর ডিভি আর প্রোগ্রাম এতে যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা। এর মাধ্যমে পছন্দ মতো টিভি শো রেকর্ড করে রাখা যাবে। তারহীন মাউস আর কী-বোর্ড থাকায় পিসির সামনে বসে না থেকেও প্রয়োজনীয় কাজ সারা যাবে রুমের যে কোন জায়গা থেকে। এতে একটি ওয়েবক্যামও সংযুক্ত করা আছে। প্রয়োজনীয় ভিডিও ধারন, ভিডিও চ্যাটিং সহ বিশেষ ভিডিও সারভেইল্যান্স মুভের মাধ্যমে রুমে না থেকেও নজরদারি করা যাবে।

সকল সুবিধা সহ এর যে মূল্য, তা একে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। ছাত্রদের জন্য এটি নি:সন্দেহে একটি চমৎকার প্যাকেজ।

শিশুর জন্য বহুমুখী কার্যকারিতার অল-ইন-ওয়ান
ঘরের সবচেয়ে ছোট সদস্যটির জনস্য যদি একটি পিসি প্রয়োজন হয়, লেনোভো’র অল-ইন-ওয়ান আইডিয়অ সেন্টার বি৫০০ হতে পারে খুব সাধারনের মধ্যে একট ভালো সিস্টেম। শিশুর পড়া ও খেলার জন্য এটি তার বন্ধুর মতোই আচরণ করবে। ২.৬৬ গিগাহার্জ কোর ২ কোয়াড প্রসেসর, ৪জিবি ডিডিআর৩, আর ১টেরাবাইট হার্ডডিস্কটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে শিশুদেরজন্যই। কালো ফ্রেমের মাঝকানে কমলা রঙ্গের ব্যবহার আর কৌণিক আকৃতির এই অল-ইন-ওয়ানটি সহজেই শিশুদের আকর্ষন করতে সক্ষম। এর হার্ডডিস্কেও শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় গান, চলচ্চিত্র, হোমওয়ার্ক আর গেমস সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

সিস্টেমটিতে রয়েছে এনভিডিএ জিফোর্স জিটিএস ২৫০ এম গ্রাফিক্স কার্ড যা শিশুকে বিভিন্ন গেম খেলতে সহায়তা করবে। আর এর ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশনের মাধ্যমে শিশু উপভোগ করতে পারবে এইচডিভিডিও। এর ব্লুরে ড্রাইভ ব্যবহার করে পছন্দমতো ডিস্কও দেখতে পারবে। এতে আরো আছে বিল্ট-ইন টিভি টিউনার, ফলে তার পছন্দের টিভি শো দেখার জন্য আলাদা টিভির প্রয়োজন হবে না।
আইডিয়া সেন্টার বি৫০০ তে রয়েছে ৬টি ইউএসবি পোর্ট যাতে পোর্টেবল হার্ডডিস্ক সহ অন্যান্য গেমিং পেরিফেরাল ও যুক্ত করা যাবে। এতে ওয়াই-ফাই থাকায় ইন্টারনেট সংযোগের জন্য প্রয়োজন হবে না কেবলের। আর এর তারবিহীন কিবোর্ড, মাউস আর রিমোর্ট কন্ট্রোল প্রোগ্রাম থাকায় শিশুকে বসে থাকতে হবে না পিসির সামনে।
শিশুদের লক্ষ্য করে তৈরী করা হয়েছে বলেই এই অল-ইন-ওয়ান সিস্টেমে যুক্ত করা হয়নি টাচস্ক্রিন সুবিধা। এ সুবিধা থাকলে হয়তো শিশুর আঙ্গুলের ছাপ কিভাবে দুর করা যায় স্ক্রীন থেকে, সে বিষয়েই বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন হতো। এই সিস্টেমটিতে লেনোভো’র ভ্যানটেজ টেকনোলজি স্যুট ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টে মের হার্ডওয়অর ও সফটওয়্যার আপডেট করতে পারে আর যে কোন সমস্যা সমাধানে রিকভারি টুলসের মাধ্যমে সহায়তা করতে পারে। সবমিলিয়ে শিশুদের জন্য আদর্শ বলা যায় লেনোভো’র আইডিয়া সেন্টার বি ৫০০ অল-ইন-ওয়ান সিস্টেমটিকে।

আইম্যাক
অল-ইন-ওয়ান পিসির আলোচনায় অ্যাপলের আইম্যাকের উল্লেখ না করলে আলোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আইম্যাকের মডেলগুলোর মধ্যে সর্বমেষ সংযোজন ২৭” কোর আই৭ আই ম্যাকটি এ যাবৎকালের বৃহত্তম অল-ইন-ওয়ানস। ২.৮ গিগাহার্জ কোয়া-কোর প্রসেসর আর ৪জিবি র‌্যামের এই অল-ইন ওয়ানটির গতি এখন পর্যন্ত বাজারের সকল অল-ইনওয়ানের চেয়ে বেশী। আর এই ডিজাইনটাও যে কারো জন্য চত্তাকর্ষক। তবু ব্লু-রে ুক্ত না থাকায় তা উইন্ডোজ নির্ভর অল-ইন ওয়ানগুলোর চেয়ে খানিকটা পিছিয়েই থাকবে। আর মূল্য বিবেচনাতেও আইম্যাক তুলনামূলকভাবে একটু বেশীই দামী।

Comments

comments



One comment

  1. You have undoubtedly first been quite exacting remarkable moving up this skill great weblog, Finally it was very fascinating that you can examine. Can’t just to determine anything you contented inside the subsequent last seven days. Hello for your huge perks, yet , I have ever found really compassionate such website , and as well, reason for optimism might, as well as the great reviews the most pop other people showed, probably will assist that you decide in cases where it is usually the proper choice for you. Could be the most effective aspect.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top