শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - বাংলাদেশেই তৈরি হবে সকল ডিজিটাল ডিভাইস : মোস্তাফা জব্বার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - যে কারণে অনলাইন অ্যাকাউন্টে কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - ফিশিং জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন জিমেইল ব্যবহারকারীরা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - দেশের বাজারে লেনোভোর এইচডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - হিটাচি প্রজেক্টরে ম্যাজিক অফার | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - বাংলাদেশে ডি-লিংক কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের অংশীদার কম্পিউটার সোর্স | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - অপ্পোর নতুন ২ স্মার্টফোনে গ্রামীণফোনের ফ্রি ইন্টারনেট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এর পার্টনার মিট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নগ্রাফি ভিডিও | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - আসছে স্বল্প মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন |
প্রথম পাতা / কর্পোরেট স্পেশাল / আমেরিকার শহরে নাই মোবাইল ফোন বা ওয়াইফাই!
আমেরিকার শহরে নাই মোবাইল ফোন বা ওয়াইফাই!

আমেরিকার শহরে নাই মোবাইল ফোন বা ওয়াইফাই!

green-bankআমেরিকার পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত এই শহরের নাম গ্রিন ব্যাংক। এই শহরে বাস করেন মাত্র ১৪৩ জন। তবে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাঁরা কোনো সেলফোন বা ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করতে পারেন না।

১৩ হাজার স্কয়ার মাইলের এই এলাকা পরিচিত ‘ন্যাশনাল রেডিও কোয়াইট জোন’ হিসেবে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ রেডিও টেলিস্কোপ অপারেট করা হয় এই শহর থেকেই।

৪৮৫ ফুট লম্বা ও ১৭ মিলিয়ন পাউন্ড ওজনের এই রেডিও টেলিস্কোপ একটি ছোটখাটো স্টেডিয়ামের সমান। আর এই টেলিস্কোপের জন্যই ওয়ারল্যাস সিগন্যাল উৎপন্ন করতে পারে এমন ইলেকট্রনিক পণ্য ব্যবহার নিষিদ্ধ এই শহরে। টেলিস্কোপটি ব্যবহার হয় মহাকাশ গবেষণার কাজে। তরঙ্গভিত্তিক গবেষণার কাজ যেন নিশ্ছিদ্রভাবে করা যায়, সে জন্যই এমন নিষেধ বারণ।

রেডিও টেলিস্কোপটির দেখভাল করে ‘ন্যাশনাল রেডিও অ্যাস্ট্রনোমি অবজারভেটরি’। এই প্রতিষ্ঠানের বিজনেস ম্যানেজার মাইকেল হোলস্টাইন বলেন, ‘টেলিস্কোপটি যেন ঠিকভাবে সংকেত নিতে ও পাঠাতে পারে সে জন্য ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার এখানে সীমিত।’

 

green-bank-2শহরটিতে বিভিন্ন রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি দেখভাল ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রয়েছে ‘রেডিও পুলিশ’। এমনিতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করেন না, তারপরও সাবধানের মার নেই! আর সতর্ক থাকার জন্যই এই তদারকির কাজটি করে থাকেন ‘রেডিও পুলিশ’। তারা সব সময় পরীক্ষা করতে থাকেন অবাঞ্ছিত তরঙ্গ আছে কি না ওই অঞ্চলে।

যেহেতু মোবাইল ফোন নেই তাই ওই শহরের বাসিন্দারা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ল্যান্ডফোনের মাধ্যমে। তারা ইন্টারনেট সংযোগও ব্যবহার করে থাকেন তবে সেটা ডায়াল আপ বা ইথারনেট ক্যাবল কানেকশনের মাধ্যমে। শহরের কিশোর-কিশোরীরাও এ রকম জীবনযাপনের ক্ষেত্রে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, আর বাকিরা বেশ ভালোই আছেন।

শহরের পুরোনো বাসিন্দা শেরি চেস্টনাট বলেন, ‘একদিক থেকে আমরা ভালোই আছি। অন্যদের মতো স্মার্টফোনের স্ক্রিনের দিকে না তাকিয়ে আমরা মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলি। কারো সঙ্গে দেখা করতে হলে তার বাসায় চলে যাই, সেখানে গিয়ে আড্ডা মারি।’

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top