শিরোনাম

রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - আকর্ষণীয় ফিচার নিয়ে বাজারে আসছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৯ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাংলালিংকের ‘হেলথলিংক ৭৮৯’ সার্ভিসে যুক্ত হল ‘ডক্টরস অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ সুবিধা | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - গ্লোবাল ব্র্যান্ড নিয়ে এসেছে লেনোভো আউডিয়াপ্যাড ৩২০ ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - ব্যবসায়ীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - হ্যাকিংয়ের কাবলে ওয়ানপ্লাস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - আসছে ইন্টেল কোর আই৯ প্রসেসর এর ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাণিজ্য মেলায় অপো এফ৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - আরও কঠিন হচ্ছে ইউটিউব থেকে উপার্জন | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - ফেসবুক হ্যাকড হলে করনীয় | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - কর্মজীবি নারীদের মানহানি বন্ধে আহব্বান |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / এশিয়ার বৃহত্তম অ্যামপ্লয়ি অনলাইন অ্যাক্টিভেশন ডে পালন করল রবি
এশিয়ার বৃহত্তম অ্যামপ্লয়ি অনলাইন অ্যাক্টিভেশন ডে পালন করল রবি

এশিয়ার বৃহত্তম অ্যামপ্লয়ি অনলাইন অ্যাক্টিভেশন ডে পালন করল রবি

robi-activationআসিয়ান ও দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশে একযোগে এশিয়ার বৃহত্তম এমপ্লয়ি অনলাইন অ্যাক্টিভেশন ইভেন্ট পালন করল আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ। কর্মকর্তাদের মেধা ও যোগ্যতাকে ডিজিটাল উপায়ে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে এ আয়োজন করেছে কোম্পানিটি। বাংলাদেশের রবি আজিয়াটা লিমিটেডের কর্মকর্তারাসহ গ্রুপের মোট ১২ হাজার কর্তকর্তা এই অ্যাক্টিভেশন ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন।

গ্রুপের কোম্পানিগুলোতে কর্মরত সকল স্তরের কর্মকর্তাদের ডিজিটাল দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী তিন বছরে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে আজিয়াটা। ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরের অন্যতম স্তম্ভ ডিজিটাল ট্যালেন্টকে আরো শাণিত করার লক্ষ্যে আজিয়াটা পরিচালিত কোম্পানিগুলোতে আরো আধুনিক, গতিশীল ও ডিজিটাল কাজের সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কোম্পানিটি।

আজিয়াটা’র প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তান শ্রী জামালুদিন ইব্রাহিম বলেন, “বিশ্বে যোগাযোগের ধরণ ও প্রক্রিয়া ক্রমাগত পরির্তন হচ্ছে। তাই গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ, সল্যুশন নির্মাণ, নতুন নতুন সেবা চালু করা, সেবা ও পণ্যে বৈচিত্র আনা এবং গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ শিল্পেরও নতুন পথ অনুসরণ করার বিকল্প নেই। আমাদের কমকর্তারা মালয়েশিয়া বা বাংলাদেশ যেখানেই কাজ করুক না কেন তারাই হচ্ছে আমাদের সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি। যেভাবে সবকিছু দ্রুত ডিজিটাল হচ্ছে, তাতে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে হলে আমাদের মেধা ব্যবস্থপানায়ও ডিজিটাল হওয়া সময়ের দাবি।”

“২০০৯ সাল থেকে আমরা ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্টে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছি। আমাদের অগ্রগতিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিতে এবং ডিজিটাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে আমরা আমাদের কর্মকর্তাদের ডিজিটাল লার্নিংয়ের ওপর জোর দিয়েছি। এর লক্ষ্য আমরা যেন কোন বিষয় নিয়ে ভাবতে, কাজ করতে বা নতুন কিছু তৈরি করতে ডিজিটাল আবহটা কাজে লাগাতে পারি।”

বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিজিটাল লাইফস্টাইলের দিকে ঝুকছে। তাই ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে গ্রাকদের চাহিদা মেটানোর দিকে নজর দিয়েছে রবি।

রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, “ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যে রবি’র উদ্যোগে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে কোম্পানির কর্মকর্তারা। আমরা সবাই ডিজিটাল উপকরণের মাধ্যমে কাজ করে অভ্যস্ত। এরপরও আমরা মনে করি আমাদের কর্মকর্তাদের ডিজিটাল মানসিকতার সাথে আরো একাত্ম হওয়া প্রয়োজন। দিনব্যাপী এই ডিজিটাল জ্যাম অনুষ্ঠান এমন একটি কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করেছে যা আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য আরো প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে। এশিয়ার ছয়টি দেশের সাথে একাত্ম হয়ে এই অনুষ্ঠান উদযাপন করলাম আমরা। বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল রুপকল্প বাস্তাবায়নে রবি অন্যতম অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। ডিজিটাল দেশ হিসেবে গড়ে উঠার জন্যও এ আয়োজনের এক বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।”

২০১৭ সালে আজিয়াটা গ্রুপ জুড়ে কর্মকর্তাদের ডিজিটাল প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সে প্রেক্ষিতেই এই ডিজিটাল জ্যাম’র আয়োজন; যার মাধ্যমে সকল কর্মকর্তারা ডিজিটাল ওয়ার্ক টুলের মাধ্যমে কাজ করা, বিওটি ইন্টারফেসিং গেম এবং আরো অনেক ডিজিটাল লার্নিংয়ের অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন। এ অ্যাক্টিভেশন ডে’র মাধ্যমে কর্মকতারা নতুন প্রযুক্তির সাথে আরো পরিচিত হয়ে উঠবেন এবং ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আজিয়াটা’র গ্রুপ চিফ ট্যালেন্ট অফিসার দাতিন শ্রি বদরুন্নিসা মো. ইয়াসিন খান বলেন, “২৩ নভেম্বর গ্রুপ জুড়ে অনলাইন ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্সের মাধ্যমে আমরা কর্মকর্তাদের একটি নতুন ও আকর্ষণীয় ডিজিটাল প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। এর মাধ্যমে কর্মকর্তারা নতুন, উদ্ভাবনী ও কার্যকর ডিজিটাল ওয়ার্ক টুলের সাথে পরিচিত হতে পারবেন যাতে তারা ডিজিটাল উপায় কাজে লাগিয়ে কাজ করতে উৎসাহী হন। আমারা তাদের ভবিষ্যত কর্মপরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দিতে এবং সে সম্পর্কে একটি বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা প্রদান করতে চাই।”

ছয়টি দেশজুড়ে বিস্তৃত আজিয়াটার কোম্পানিগুলো ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং তাদের কর্মকর্তাদের সে অনুযায়ী প্রশিক্ষিত করে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। সে প্রচেষ্টাকে সার্থক করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে ডিজিটাল জ্যাম একটি।

এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় একটি টেলিযোগাযোগ গ্রুপ হিসেবে আজিয়াটার দীর্ঘমেয়াদী উদ্দেশ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যে একটি নতুন প্রজন্মের ডিজিটাল চ্যাম্পিয়নে পরিণত হওয়া। ২০১৩ সালে আজিয়াটা ৩.০ চালুর মাধ্যমে ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি তাদের মূল মোবাইল ব্যবসাকে নতুন অবকাঠামো ও টাওয়ার সেবা, ফিক্সড-মোবাইল কনভারজেন্স, ডিজিটাল সেবা এবং এন্টারপ্রাইজ ইন্টারনেট-অফ-থিংস (আইওএটি) পর্যন্ত বিস্তৃত করেছে। দীর্ঘমেয়াদী অগ্রগতির জন্য কোম্পানির কর্মকর্তাদের ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top