শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - গাড়ি চালাতে এবার থেকে আর কোনও চাবির প্রয়োজন নেই! | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - বিজয়ী কাস্টমারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সিম্ফনি ঈদ অফার | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - বিশ্বব্যাপী সাইবার হামলায় ৬ মাসেই ক্ষতি ৪০০ কোটি ডলার | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - এইচটিসি স্মার্টফোন ব্যবসা কিনতে গুগলকে গুনতে হবে ১১০ কোটি ডলার | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - টাকা না পেলে টেলিটক মারা যাবে : ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - ইউনিক বিজনেস সিস্টেমস লিমিটেড পরিদর্শনে হিটাচি এক্সক্লুসিভ টিম | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী’র ‘অ্যাসোসিও ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এয়ারটেল’র ‘ইয়োলো ফেস্ট’ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় নতুন দেশি অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - ড্যাফোডিলে ‘সমন্বিত শিক্ষণ পদ্ধতিতে গুগল ক্লাসরুমের ব্যবহার’ শীর্ষক লেকচার সেমিনার অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৩ সাল ইন্টেলের জন্য একটি সাফল্যজনক বছর
এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৩ সাল ইন্টেলের জন্য একটি সাফল্যজনক বছর

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৩ সাল ইন্টেলের জন্য একটি সাফল্যজনক বছর

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৩ সাল ইন্টেলের জন্য একটি সাফল্যজনক বছর। এই অঞ্চলে প্রযুক্তির উদ্ভাবন পার্সোনাল কম্পিউটিংয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। আর এই উদ্ভাবনের পিছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করতে পেরে গর্বিত ইন্টেল। কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরি ও প্রসারিত করার মাধ্যমে জীবনকে সংযুক্ত ও সমৃদ্ধ করাই ইন্টেলের লক্ষ্য। পরবর্তী প্রজন্মের প্রসেসর বাজারে ছাড়ার মাধ্যমে এই বছরে ইন্টেল কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। স্মার্ট কার থেকে শুরু করে, ট্যাবলেট, আল্ট্রাবুক এবং সার্ভারে কম্পিউটিং প্রযুক্তি ব্যবহার ও তার প্রতিফলনের রূপ পাল্টে গেছে। এছাড়া ইন্টেল এশিয়া অঞ্চলকে গ্লোবাল পাওয়ার হাউজ হিসেবে তৈরি করতে এ অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন অব্যহত রেখেছে। একুশ শতকের দক্ষতা ব্যবহার এবং উদ্যোক্তা হিসেবে বিনিয়োগ করতেও উৎসাহ যোগাচ্ছে ইন্টেল।

২৮ জানুয়ারী শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ইন্টেল ইয়ার-এন্ড টেকনোলজি সেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চলমান ও আগামী বছরের ইন্টেলের বিভিন্ন প্রযুক্তি আপডেট দেন বাংলাদেশে ইন্টেলের কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার জিয়া মনজুর।

২৮ জানুয়ারী শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ইন্টেল ইয়ার-এন্ড টেকনোলজি সেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চলমান ও আগামী বছরের ইন্টেলের বিভিন্ন প্রযুক্তি আপডেট দেন বাংলাদেশে ইন্টেলের কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার জিয়া মনজুর।

ইন্টেল যুগান্তকারী প্রযুক্তির সমন্বয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকে আরো স্মার্ট, দ্রুত ও অধিকতর নিরাপদ করেছে এই বছরে। এই বছরেই উন্মুক্ত করা হয়েছে ৪র্থ প্রজন্মের ইন্টেল কোর প্রসেসর, যার ফলে অনেকগুলো ‘টু-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল ডিভাইস’ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে যেগুলো ট্যাবলেট এবং পার্সোনাল কম্পিউটার – দুই ভাবেই কাজ করতে পারে। ইন্টেল ল্যাবের পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, চার বছর পূর্বের চেয়ে কম্পিউটারের গতি এখন প্রায় ১.৮ গুণ বেড়ে গেছে।

এটা শুধু ট্যাবলেট আর ডেস্কটপ নয় যা ২০১৩ সালে সবাইকে অবাক ও উচ্ছ্বসিত করেছে, বরং কম্পিউটারের কার্যকারিতা ও শক্তি দক্ষতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে মে মাসে উন্মুক্ত করা হয়েছে ইন্টেলের সিলভারমন্ট মাইক্রো-আর্কিটেকচার ও ২২এনএম ৩-ডি ট্রাইগেট সিস্টেম-অন-এ-চিপ (এসওসি) প্রসেসর। সিলভারমন্ট প্রযুক্তি কম্পিউটারের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা প্রায় ৩ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া এর সহায়তায় বর্তমান প্রজন্মের ইন্টেল এটম প্রসেসর কোর থেকে প্রায় ৫ গুণ কম শক্তি ব্যয়ে একই কার্যকারিতা পাওয়া যাচ্ছে।

এ বছরে ডিভাইস মার্কেটের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ট্যাবলেট ও স্মাটফোনের জন্য ইন্টেল এটম প্রসেসর জেড৩০০০ সিরিজের উন্মোচন। বে ট্রেইল নামে পরিচিত এ চিপটি ডিজাইন করা হয়েছে উচ্চমাত্রায় ব্যবহৃত ডিভাইসের ক্ষেত্রে ব্যাটারী লাইফ বৃদ্ধি করার জন্য। এছাড়া এই চিপসেট নির্মাতাদের বিভিন্ন দামের অধিকতর পাতলা, হালকা ও শক্তিশালী ডিভাইস সরবরাহ করতে সহায়তা করছে।

হোম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য একটা পুরো নতুন সেক্টর উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটিং ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত সহজতর, দ্রুততর ও অধিকতর আকর্ষনীয় করতে গ্রাহকদের প্রতি ইন্টেলের যে প্রতিশ্রুতি তা ২০১৪ সালেও চলমান থাকবে। মোবাইল ডিভাইসের জন্য দিন দিন যত বেশি টিভি শো, মুভি এবং কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে তা মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করছে।

বিশ্বের অন্যতম হাই স্কুল সায়েন্স রিসার্স প্রতিযোগিতা ‘ইন্টেল ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফেয়ার’ (আইএসইএফ) লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কল্পনা শক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী সল্যুশন তৈরিতে উৎসাহিত করছে। পরিবেশ বিপর্যয় থেকে শুরু করে ক্যান্সার চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় মোকাবেলায় কাজ করতে তরুণ বিজ্ঞানী ও পরবর্তী প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অ্যারিজোনা’র ফিনিক্স-এ গিয়ে তাদের আইডিয়া উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top