শিরোনাম

বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - আবার স্মার্টফোনে ফিরছে ইন্টেল | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - উবারের ৫ কোটি ৭০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি হয়েছিল | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - ৫০০০মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সহ বাজারে আসতে চলেছে নোকিয়া’র নতুন ফোন | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - অনলাইন শপিংয়ে সিম কার্ড | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - রেকর্ড গড়ছে বিটকয়েন | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - প্রধানমন্ত্রীর নিকট অ্যাসোসিও ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর | মঙ্গলবার, নভেম্বর 21, 2017 - ‘ডাকছে থাইল্যান্ড’ নামে মেগা ক্যাম্পেইন রবি’র | মঙ্গলবার, নভেম্বর 21, 2017 - ডিজিটালাইজেশনে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলো এখনো পিছিয়ে | মঙ্গলবার, নভেম্বর 21, 2017 - ভলভোর ২৪,০০০ গাড়ি কিনছে উবার | মঙ্গলবার, নভেম্বর 21, 2017 - হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / গেমস / কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি
কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি

কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি

games
কম্পিউটার গেমে আসক্তি, বিষয়টা একদম নতুন কিছু নয়। বরং কয়েক বছর ধরে এটা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা প্রায় সময়েই শৈশব থেকে শুরু হয় এবং বেশির ভাগ সময় সেটা অভিভাবকদের অজ্ঞতার কারণে ঘটে থাকে। কম্পিউটার একটা টুল। এটা দিয়ে নানা ধরনের কাজ করা যেতে পারে।
এই প্রযুক্তি ব্যবহার ও প্রয়োগ সম্পর্কে এত সুন্দর সুন্দর কথা বলা হয়েছে যে, অনেক সময় অভিভাবকরা ধরে নেন এটা দিয়ে যা কিছু করা হয়, তার সবই ভালো। তাই যখন তারা দেখেন, তাদের সন্তানেরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে আছে, তারা বুঝতে পারেন না যে এর মাঝে সতর্ক হওয়া কতটা জরুরি। অনেকে খোঁজ-খবর নেওয়ারও প্রয়োজন মনে করেন না যে, সন্তানেরা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কী কাজ করছে।
কম্পিউটারে যেমন নানা কাজকর্ম করা যায়, তেমনি নানা ধরনের গেমও খেলা যায়। কম্পিউটারের গেম এক ধরনের বিনোদনের মাধ্যম। এই বিনোদনের আবার নানা রকম মাত্রা রয়েছে। যারা সেটি খেলছে তারা সেটাকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিয়ে মাত্রার ভেতরে ব্যবহার করলে সেটি অবশ্যই একটি সুস্থ বিনোদন হবে। কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু প্রায় সময় এটার বিপরীত ঘটনা ঘটে।
দেখা গেছে, একটি অবুঝ শিশু থেকে পূর্ণ বয়স্ক মানুষ পর্যন্ত কম্পিউটার গেমে ক্রমশ আসক্তি হয়ে যায়। কোরিয়ায় একজন টানা ৫০ ঘণ্টা কম্পিউটার গেম খেলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল, চীনের এক দম্পতি কম্পিউটার গেম খেলার অর্থ জোগাড় করতে নিজেদের শিশু সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছিল। এমন ঘটনা ইতিহাসে বিরল হলেও বাংলাদেশেও এমন ঘটনা ঘটছে। আজকাল কম্পিউটার গেমে আসক্তি আত্মহত্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বড়ই ভয়ানক কথা।
কম্পিউটার গেম সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো একটা কম্পিউটার গেমে তীব্রভাবে আসক্ত একজন মানুষের মস্তিষ্কে বিশেষ উত্তেজক রাসায়নিক পদার্থের দ্রুত নিঃসরণ হয়। শুধু তাই নয়, যারা সপ্তাহে ছয়দিন টানা দশ ঘণ্টা কম্পিউটার ব্যবহার করে তাদের মস্তিষ্কের গঠনেও এক ধরনের পরিবর্তন হয়ে যায়।
এই তাত্পর্যপূর্ণ উদাহরণগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কম্পিউটার গেমে আসক্ত হয়ে যাওয়া মোটেও বিচিত্র কিছু নয়। বরং ক্ষতিকর। এ বিষয়ে একটু সতর্ক না থাকলে খুব সহজেই আসক্ত হয়ে যেতে পারে আমাদের প্রিয় মানুষগুলো, কোমলমতি শিশু-সন্তানেরা, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। অতঃপর এদের ফিরিয়ে আনতে কে দায়িত্ব নিবে?
আমরা জানি, আসক্তি মানেই হচ্ছে এক প্রকার নেশা। আর নেশা সব কিছুর জন্যই খারাপ। নেশা কখনো সুফল বয়ে আনতে পারে না। একটা সুন্দর জীবন ধ্বংস করার জন্য যে-কোনো নেশাই যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে। কাজেই আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে, কম্পিউটার গেম চমৎকার একটা বিনোদনের মাধ্যম হতে পারে। কখনো কোনো নেশার বস্তু হতে পারে না।
আত্মহত্যাস্পৃহাকারী কোনো ডিভাইস হতে পারে না। বরং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি উৎকৃষ্ট ও প্রয়োজনীয় বস্তু হতে পারে। এর যথোপযুক্ত ব্যবহার কখনো ধ্বংস আনতে পারে না। কিন্তু আসল বিষয় হচ্ছে, এতে আসক্ত হওয়া খুব সহজ ব্যাপার। তার পরিণতি মোটেও ভালো নয়, সেটা সবাইকে মনে রেখে কম্পিউটার গেমের প্রতি তীব্র আসক্তি পরিহার করতে হবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top