শিরোনাম

সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ ও আমেরিকায় মেডিক্যাল পড়াশোনা | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ সাইপ্রাসে পড়াশোনা ও কাজ | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - আসুসের নতুন অষ্টম প্রজন্মের মাদারর্বোড বাজারে | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ক্লাউড কম্পিউটিং মেলায় অংশ গ্রহন করছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - পাতায়া ভ্রমনের স্বপ্ন পূরণ | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - বৃৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত বই পড়া প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সামিট ও অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ |
প্রথম পাতা / অফবিট / কী এই হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমা?
কী এই হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমা?

কী এই হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমা?

bomdযুদ্ধ ও বোমা নিয়ে এখন সরগরম গোটা বিশ্ব৷উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার হুমকি, পালটা হুমকিতে বারবার ঘুরেফিরে আসছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমার কথা৷ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র বলতে দুটি৷ পারমাণবিক বোম ও হাইড্রোজেন বোম৷ পারমাণবিক বোমার শক্তি বিশ্ববিদিত৷ কিন্তু তার চেয়েও শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা৷

আমেরিকার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধ নিয়ে যে হুমকি, পালটা হুমকির পর্ব চলছে, তাতে এই দুটি বোমার প্রসঙ্গ বারবার উঠছে৷ উত্তর কোরিয়া ইতিমধ্যেই জানিয়েছে তার কাছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা আছে৷ এর একটাও যদি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, তবে গোটা বিশ্ব তার ফল ভোগ করবে৷ এবার প্রশ্ন কী এই পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা?

জাপানের উপর যখন আমেরিকা লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান ফেলেছিল, তখন কী হয়েছিল, তা কারোর অজানা নয়৷ দুটোই ছিল পারমাণবিক বোমা৷ নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় এই বোমা তৈরি করা হয়৷ বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটালে তার মধ্যস্থিত ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের পরমাণু ভাঙতে থাকে৷ সেখান থেকেই এনার্জি তৈরি হয়৷ যার পরিণতি ইতিমধ্যেই হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দেখেছে বিশ্ব৷

এ-বোম (অ্যাটোমিক বোম) প্রথম টেস্ট করা হয় মরুভূমিতে৷ জায়গাটি ছিল আমেরিকার নিউ মেক্সিকোয়৷ দিন, ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই৷ মনহাট্টন প্রজেক্টের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি একটি গবেষণা বিষয়ক প্রজেক্ট৷ ব্রিটেন ও কানাডার সহযোগিতায় আমেরিকা এটি শুরু করে) এটি ছিল সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ৷ প্রজেক্টের দেশগুলি মনে করেছিল নাজি জার্মানিও এমনই কিছু পরিকল্পনা করেছে৷

১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট আমেরিকা জাপানের হিরোশিমার উপর প্রথম পরমাণু বোমাটি ফেলে৷ বোমার নাম ছিল লিটল বয়৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ তবে অবস্থার এখানেই শেষ নয়৷ এখনও পর্যন্ত এর প্রভাব বয়ে চলেছে হিরোশিমা৷ এর ঠিক ৩ দিন পর নাগাসাকির উপর ফ্যাট ম্যান ফেলে আমেরিকা৷ সেখানে ৭৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ এই বোম দুটির বিস্ফোরণের ফলে যে এনার্জি উত্পন্ন হয়, তা প্রায় ২০ হাজার টিএনটি (ট্রাই নাইট্রো টলুইন)-র সমান৷

দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় সোভিয়েত ইউনিয়ন৷ ১৯৪৯ সালে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা৷ ব্রিটেন হল তৃতীয় দেশ যেটি পারমাণবিক বোমা টেস্ট করে৷ চিন, ফ্রান্স, ভারত, উত্তর কোরিয়া ও পাকিস্তানের কাছে আজ পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ ইজরায়েলের কাছে এই বোমা আছে কিনা তা জানাতে অস্বীকার করেছে তারা৷

পারমাণবিক বোমার থেকেও শক্তিশালি হাইড্রোজেন বোমা৷ এর আর এক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোম৷ হাউড্রোজেনের আইসোটোপের নিউক্লিয় সংযোজন পদ্ধতিতে এই বোমা কাজ করে৷ এই বোমা বিস্ফোরণের ফলে যে উত্তাপ তৈরি হয় সেটি সূর্যের মধ্যস্থিত শক্তির সমান৷ এখনও পর্যন্ত হাইড্রোজেন বোমা কোনও যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়নি৷

হাইড্রোজেন বোম দুই প্রক্রিয়ায় বিস্ফোরণ হয়৷ প্রথমে নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ হয়৷ এর ফলে প্রচুর পরিমাণে তাপ উত্পন্ন হয়৷ তারপর সেটি নিউক্লিয়ার ফিউশনকে উদ্দীপ্ত করে৷ গোটা প্রক্রিয়ায় বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে৷

মার্কিন সেনা প্রথম হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে ১৯৫২ সালে৷ পারমাণবিক বোমার চেয়ে এটি ৭০০ গুণ বেশি শক্তিশালী৷ এর এক বছর পর সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজের হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়৷ সালটি ছিল ১৯৬১৷ তসার বোম্বা নামে একটি হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ৫৭ মেগা টন শক্তি উত্পন্ন হয়৷ তবে এখনও পর্যন্ত কোনও যুদ্ধে হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি৷

২০১৬ সালে উত্তর কোরিয়া একটি হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে৷ ৩ সেপ্টেম্বর আরও একটি হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করা হয়৷ এর ফলে এলাকায় ধস নামে৷

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top