শিরোনাম

শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - দারাজ ডট কম থেকে মোবাইল কিনে গ্রাহক নাজেহাল! | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - ই-শপ প্রকল্পের হেল্প লাইনের এ কী হাল! | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - স্পিকার এর যত্নআত্তি | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - সীমান্তে অবৈধ বিটিএস স্থাপন করায় বাংলালিংককে ১৭ কোটি টাকা জরিমানা | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - তথ্যপ্রযুক্তি ও সেবার রপ্তানি খাতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - বাংলালিংকও চালু করলো ই-কমার্স সাইট | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - এক অ্যাপেই সরকারি সব কর্মকর্তাদের ঠিকানা | শনিবার, আগস্ট 19, 2017 - ‘ইনফো সরকার’ প্রকল্পের অনিয়ম রোধে অর্থমন্ত্রীকে আইএসপিএবি’র চিঠি | বৃহস্পতিবার, আগস্ট 17, 2017 - গ্রামীণফোনের সিএফও হলেন কার্ল এরিক ব্রোতেন | বৃহস্পতিবার, আগস্ট 17, 2017 - বন্যা-দুর্গত এলাকার গ্রাহকদের ২০মিনিট ফ্রি টক-টাইম ও ২০এমবি ডাটা দিচ্ছে রবি |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / গ্রামীণফোনের রাজস্ব ফাঁকি, ডেকে পাঠিয়েছে এনবিআর
গ্রামীণফোনের রাজস্ব ফাঁকি, ডেকে পাঠিয়েছে এনবিআর

গ্রামীণফোনের রাজস্ব ফাঁকি, ডেকে পাঠিয়েছে এনবিআর

nbr-gpমোবাইল ফোনের সিম রিপ্লসেমেন্ট ইস্যুতে সরকারের ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে বিশেষ শুনানি শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার প্রথম শুনানিতে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনকে ডেকে পাঠিয়েছে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)। এরপর ধারাবাহিকভাবে একই ইস্যুতে পরবর্তী দুই কার্যদিবসে একীভূত রবি ও বাংলালিংককে ডাকা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এলটিইউর তথ্য অনুযায়ী, দেশের চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের বিরুদ্ধে রিপ্লেসমেন্টের নামে নতুন গ্রাহকদের কাছে সিম বিক্রি করে নতুন করে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। এলটিইউ বলছে, ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চার বছরে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম রিপ্লেসমেন্টের তথ্য যাচাইয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিটিআরসি ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গঠন করে এনবিআর।

গত মার্চে কমিটির পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলে তা জমা দিতে গড়িমসি করে কোম্পানিগুলো। এর পর কয়েক দফা বৈঠকের পর সিম রিপ্লেসমেন্টের তথ্য দিতে কোম্পানিগুলোকে ১৪ জুন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যেও কোম্পানিগুলো তথ্য দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে দাবিনামা জারি করে চিঠি দেয় এনবিআর। গত ২৯ জুন জারি করা এনবিআরের এ চিঠির জবাবও দিয়েছে কোম্পানিগুলো। এরই আলোকে আজ থেকে অপারেটরদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে।

এর আগে ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সেলফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ আনে এনবিআর। তবে অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে পুনরায় তদন্ত করে ২০১৪ সালে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পাঁচ অর্থবছরে ৩ হাজার ৪৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে আপিলাত ট্রাইব্যুনালে মামলা করে এনবিআর।

এর মধ্যে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ২৩ কোটি, বাংলালিংকের বিরুদ্ধে ৫৩২ কোটি, রবির বিরুদ্ধে ৪১৪ কোটি ও এয়ারটেলের বিরুদ্ধে ৭৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে চলতি বছরের ৬ জুলাই এনবিআরের পক্ষে রায় দেন আপিলাত ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বকেয়া পরিশোধে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেয়া হলেও এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যায় তারা।

এলটিইউর তথ্যমতে, ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে ২ কোটি ৪০ লাখ ৬৩ হাজার ৯৮৪টি সিম রিপ্লেসমেন্ট দেখিয়েছে চার মোবাইল ফোন অপারেটর। তবে এসব সিম রিপ্লেসমেন্টের তথ্য এনবিআরকে প্রদান না করায় তার বিপরীতে ৫৫৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকার সম্পূরক শুল্ক ও ৩১৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার ভ্যাটসহ মোট ৮৮৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকার দাবিনামা জারি করা হয়েছে।

এর মধ্যে ১ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৩৫৮টি পুরনো সিম বিক্রি করেছে গ্রামীণফোন। বিক্রীত এসব সিমে সম্পূরক শুল্ক বাবদ ২৪০ কোটি ৬ লাখ ও মূসক বাবদ ১৩৮ কোটি ৮৯ লাখসহ মোট ৩৭৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকার রাজস্ব বকেয়া পড়ে অপারেটরটির কাছে। একই সময়ে ৪৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৭৭টি সিমের বিপরীতে ১৬৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার রাজস্ব বকেয়া পড়ে বাংলালিংকের। এর মধ্যে সম্পূরক শুল্ক ১০৭ কোটি টাকা ও ভ্যাট ৬১ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

এর বাইরে একীভূত হওয়ার আগে রবি আজিয়াটা ও এয়ারটেল আলোচ্য সময়ে ৩৩৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকার সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এর মধ্যে রবি আজিয়াটা ৭৫ লাখ ২৫ হাজার ৭৬৩ সিমের বিপরীতে ২৮৫ কোটি ২১ লাখ ও এয়ারটেল ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫৮৬টি সিমের বিপরীতে ৫০ কোটি ২৭ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top