শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - ওয়ান প্লাসের নতুন পাওয়ার ব্যাংক | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্প্যাম মেসেজ ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - যাত্রা শুরু করলো ওয়ালটনের কম্পিউটার কারখানা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - নতুন স্মার্টফোন আনল হুয়াওয়ে অনার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্বল্প মূল্যের গ্যালাক্সি সিরিজের ফোন ‘অন৭ প্রাইম’ | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - একত্রে কাজ করবে এটুআই এবং একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - ল্যাপটপের সঙ্গে রাউটার ফ্রি! | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - ‘অপো এশিয়ায় সর্বাধিক বিক্রীত স্মার্টফোন’ | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - চীনে চালু হচ্ছে গুগলের এআই ল্যাব | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - বৈদ্যুতিক গাড়িতে ১১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে ফোর্ডের আগ্রহ প্রকাশ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / গ্রাহক পতনের ঠেকাতে পারছে না ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা
গ্রাহক পতনের ঠেকাতে পারছে না ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা

গ্রাহক পতনের ঠেকাতে পারছে না ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা

ডেটা সেবায় গতি হারিয়ে ফেলছে ওয়াইম্যাক্স। ২০০৮ সালে নিলামে লাইসেন্স দেওয়ার পর প্রথম বছর লক্ষ্যমাত্রা বেধে দেওয়া হয়েছিল ছিল ১৫ হাজার। দ্বিতীয় বছরের জন্য তা নির্ধারিত ছিল ৩৫ হাজার। তৃতীয় বছরে ৮০ হাজার, চতুর্থ বছরে দুই লাখ এবং পঞ্চম বছর পাঁচ লাখ গ্রাহক অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

প্রতি অপারেটরের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছিল এ লক্ষ্যমাত্রা। তখন লাইসেন্স গ্রহণকারী দুই অপারেটরের কেউই তা পূরণ করতে পারেনি। এখন অপারেটের সংখ্যা হয়েছে তিনটি। কিন্তু এরপরেও প্রত্যেক মাসে গ্রাহক কমে যাওয়ার স্রোত যেন থামছেই না।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বর শেষে দেশে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার। যদিও ১৮ মাস আগে এ সংখ্যা ছিল দ্বিগুনের বেশি। আর ঠিক একই একই সময়ে দেশের মোট ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৩০ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে।

wimax-operator

গত বছর জুন মাসে ওয়াইম্যাক্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৪ হাজার। ওই সময়ে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৩ কোটির কিছু।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) তথ্য মতে গত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে ২ লাখ ৫৫ হাজার গ্রাহক এ সেবা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন।

তবে সাম্প্রতিক গ্রাহক পতনের ক্ষেত্রে থ্রিজিকে একটি বড় কারণ বলে মানছেন ওয়াইম্যাক্স অপারেটরগুলোর কর্মকর্তারা।

ওলোর চিফ টেকনিক্যাল অফিসার মিজানুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, গত বছর থ্রিজি তাদের অনেক গ্রাহক ছুটিয়ে নিয়েছে। তবে তারা এখন তৈরি হচ্ছেন। সামনের দিনে তারা ফোর জি সেবা দিতে শুরু করলে তখন তাদের গ্রাহক বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তিনি।

দেশে বর্তমানে বাংলালায়ন, কিউবি ও ওলো ওয়াইম্যাক্স সেবা দিচ্ছে। ২০০৮ সালে নিলামের মাধ্যমে ২১৫ কোটি টাকায় ওয়াইম্যাক্স সেবা দেয়ার লাইসেন্স নেয় কিউবি ও বাংলালায়ন।

লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী, নেটওয়ার্ক সমপ্রসারণ ও গ্রাহক সংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি বছরের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেবাদান শুরুর পর এরই মধ্যে চতুর্থ বছর পার করেছে বাংলালায়ন ও কিউবি।

চতুর্থ বছরের রোল আউট শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠান দু’টির জন্য নির্ধারিত অঞ্চলের ৬৫ শতাংশ এলাকা নেটওয়ার্কের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা ছিল।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মূলত নেটওয়ার্ক দুর্বলতা ও ইন্টারনেটে গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর ব্যর্থতার কারণে ওয়াইম্যাক্সগুলো পিছিয়ে পড়ছে।

এ ছাড়া চার মোবাইল ফোন অপারেটরের থ্রিজি সেবা চালু হওয়ায় তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ায় ওয়াইম্যাক্স সংযোগ বন্ধ করছেন অনেকেই। আগামী কয়েক বছরে এ সেবার সার্বিক অবস্থা কি দাঁড়ায় তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, ইন্টারনেট সেবার ধরনে পরিবর্তন ঘটায় ব্যবসায়িকভাবে তারা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন।

তবে এ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছে অপারেটরগুলো। গ্রাহকদের অনাগ্রহের কারণে ওয়াইম্যাক্স কোম্পানির বেশ কিছু গ্রাহকসেবা বুথ বন্ধ করে দিয়েছে। অথবা সঙ্কুচিত করেছে।

২০০৯ সালে ঘটা করে দেশে শুরু হয় ওয়াইম্যাক্স সেবার পথ চলা। বিটিআরসি জানিয়েছে, সেবা শুরুর পর থেকে ২০১২ পর্যন্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী গ্রাহক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারলেও গত বছর থেকে নিম্নগামী হতে থাকে এ ধারা।

লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চতুর্থ বছর শেষে দুই প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম দুই লাখ করে গ্রাহক হওয়ার কথা থাকলেও তাতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের দেওয়া নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি।

অক্টোবর পর্যন্ত ওয়াইম্যাক্স গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে গ্রাহক ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার, আগস্টে ২ লাখ ৭১ হাজার, জুলাইয়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার, জুনে ২ লাখ ৮০ হাজার, মে মাসে ২ লাখ ৯১ হাজার, এপ্রিলে ২ লাখ ৯৬ হাজার, মার্চে ৩ লাখ ১ হাজার-পুরোটা জুড়েই পতনের ধারা।

২০১৩ সালের জুন মাসে ওয়াইম্যাক্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহক সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। ওই সময় গ্রাহক ছিল ৫ লাখ ৪ হাজার। একই বছর জানুয়ারিতে ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার। ২০১২ সালের জুলাই মাসে ছিল ৪ লাখ ১৭ হাজার এবং একই বছর ফেব্রুয়ারিতে গ্রাহক ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top