শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং নিয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সংবাদ সম্মেলন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বাংলাদেশে ডেলইএমসি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - চীনে স্কাইপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - আসছে দুই সিমের আইফোন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য অসাধারণ অ্যাপ ফেসবুক-এর | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইয়োন্ডার মিউজিক বাংলাদেশের এক নম্বর মিউজিক অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - উদিয়মান ব্রান্ড হিসেবে লিনেক্স পেল ‘গ্লোবাল ব্রান্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইউনিক বিজনেস সিস্টেমস লিমিটেড ডিলার সেলিব্রেশন ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - এলো ডেলের নতুন ইন্সপাইরন এন৭৩৭০ ল্যাপটপ | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - আবার স্মার্টফোনে ফিরছে ইন্টেল |
প্রথম পাতা / টেলিকম / চার বছরে টেলিফোন সেবার আওতায় ৯০ ভাগ জনগণ

চার বছরে টেলিফোন সেবার আওতায় ৯০ ভাগ জনগণ

আগামী চার বছরে দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে টেলিফোন সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা
রয়েছে সরকারের। একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার উদ্যোগ
নেওয়া হচ্ছে।
মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে সরকারের এমন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল
আবদুল মুহিত। বর্তমানে দেশে টেলিফোন ব্যবহারের হার (টেলিডেনসিটি) ৬২ শতাংশ এবং
ইন্টারনেট ব্যবহার (ইন্টারনেট ডেনসিটি) ১৭ শতাংশ।
জাতীয় সংসদে গত ৭ জুন ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী
২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে
সরকারের ভবিষ্যৎ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলেন। এতে বলা হয়, আগামী তিন বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত
টেলিটকের দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু-জি) গ্রাহক এক কোটি ৩৬ লাখ এবং তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি-জি)
মোবাইল গ্রাহক ২৭ লাখ ২৮ হাজার হবে। অন্যদিকে ২০১৬ সালে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) গ্রাহক
পাঁচ লাখ করার কথা উল্লেখ করা হয়। সব মিলে ২০১৬ সালের জুনে টেলিটকের গ্রাহক এক কোটি
৬৮ লাখ পেরিয়ে যাবে।
ওই হিসেবে আরও বলা হয়, শেষ হতে চলা ২০১১-১২ অর্থবছরে টেলিডেনসিটি ৬০ শতাংশ হওয়ার
প্রত্যাশা করা হলেও এপ্রিল পর্যন্ত শুধু মোবাইল গ্রাহকের হিসাবেই এ হার ৬২ শতাংশ পেরিয়েছে।
সেক্ষেত্রে জুনের শেষে মোবাইল ও ল্যান্ডফোন মিলে টেলিডেনসিটি ৬৫ শতাংশ হয়ে যাবে। আর
২০১২-১৩ অর্থবছর শেষে টেলিডেনসিটি ৭০ শতাংশ পেরিয়ে যাবে। পরের চার অর্থবছরের প্রতিটিতে
পাঁচ শতাংশ হারে টেলিডেনসিটি বাড়বে বলে হিসাব করা হয়েছে। এদিকে ২০১১-১২ অর্থবছরে
ইন্টারনেটডেনসিটি ১৪ শতাংশ হবে বলে হিসা করা হলেও ইতিমধ্যে তা ১৭ শতাংশ পেরিয়েছে। এ
ধারা বহাল থাকলে ২০১২-১৩ অর্থবছরের শেষে ইন্টারনেটনেসিটি ২০ শতাংশ এবং পরের চার বছরে
৪০ শতাংশে পৌঁছবে।
এ প্রসঙ্গে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, ১৭ জুলাই থেকে
পরীক্ষামূলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালু করবেন তারা। তবে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর এসব হিসাব
স¤পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। এর আগে জুনের মধ্যে থ্রি-জি চালুর উদ্যোগের কথা বলেছিল
মোবাইল অপারেটরটি। তখন বলা হয়েছিল জুনের মধ্যে সব মিলে ২২ লাখ গ্রাহক পাবে টেলিটক।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ। এতে বলা হয়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে
টেলিটক ১২ লাখ ৯৬ হাজার থ্রি-জি গ্রাহক পাবে। তখন তাদের টু-জি গ্রাহক হবে ৫৮ লাখ। পরের
অর্থ বছরে থ্রি-জি গ্রাহক ২২ লাখ হবে। আর টু-জির গ্রাহক তখন হবে এক কোটি। আর সব শেষে
২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসে তারা ফোর-জি চালু করবে।
তিন বছরে ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা বিপুল বাড়বে : ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে দেশের মোট ব্যান্ডউইথের
পরিমাণ এক হাজার ৮৬০ জিবিপিএস (গিগাবাইটস পার সেকেন্ড) হবে বলে মধ্যমেয়াদি বাজেট
কাঠামোতে বলা হয়েছে। এ হিসাবে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা স¤পর্কে বলা হলেও তখন দেশের
ব্যান্ডউইথের ব্যবহারের পরিমাণ কত হবে সে স¤পর্কে কিছু বলা হয়নি। বর্তমানে দেশে সিম-উই-৪
সংযোগে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা রয়েছে ৮০ জিবিপিএস। গত ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত সাবমেরিন কেবল
কো¤পানির তৃতীয় আপগ্রেডেশন হয়। ফলে সিম-উই-৪ এর ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা ৪৬ জিবিপিএস থেকে
বেড়ে ১৬০ জিবিপিএস হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাড়তি এই ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। তাছাড়া এরই
মধ্যে বিএসিসিএল সিম-উই-৫ কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দেশের
চাহিদার বাড়তি ব্যান্ডউইথ রফতানি করেও অনেক বেশি ডলার আয় করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে
করছেন।

চার বছরে টেলিফোন সেবার আওতায় ৯০ ভাগ জনগণআগামী চার বছরে দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে টেলিফোন সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে সরকারের এমন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বর্তমানে দেশে টেলিফোন ব্যবহারের হার (টেলিডেনসিটি) ৬২ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ব্যবহার (ইন্টারনেট ডেনসিটি) ১৭ শতাংশ।জাতীয় সংসদে গত ৭ জুন ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সরকারের ভবিষ্যৎ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলেন। এতে বলা হয়, আগামী তিন বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু-জি) গ্রাহক এক কোটি ৩৬ লাখ এবং তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি-জি) মোবাইল গ্রাহক ২৭ লাখ ২৮ হাজার হবে। অন্যদিকে ২০১৬ সালে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) গ্রাহক পাঁচ লাখ করার কথা উল্লেখ করা হয়। সব মিলে ২০১৬ সালের জুনে টেলিটকের গ্রাহক এক কোটি ৬৮ লাখ পেরিয়ে যাবে।ওই হিসেবে আরও বলা হয়, শেষ হতে চলা ২০১১-১২ অর্থবছরে টেলিডেনসিটি ৬০ শতাংশ হওয়ার প্রত্যাশা করা হলেও এপ্রিল পর্যন্ত শুধু মোবাইল গ্রাহকের হিসাবেই এ হার ৬২ শতাংশ পেরিয়েছে। সেক্ষেত্রে জুনের শেষে মোবাইল ও ল্যান্ডফোন মিলে টেলিডেনসিটি ৬৫ শতাংশ হয়ে যাবে। আর ২০১২-১৩ অর্থবছর শেষে টেলিডেনসিটি ৭০ শতাংশ পেরিয়ে যাবে। পরের চার অর্থবছরের প্রতিটিতে পাঁচ শতাংশ হারে টেলিডেনসিটি বাড়বে বলে হিসাব করা হয়েছে। এদিকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ইন্টারনেটডেনসিটি ১৪ শতাংশ হবে বলে হিসা করা হলেও ইতিমধ্যে তা ১৭ শতাংশ পেরিয়েছে। এ ধারা বহাল থাকলে ২০১২-১৩ অর্থবছরের শেষে ইন্টারনেটনেসিটি ২০ শতাংশ এবং পরের চার বছরে ৪০ শতাংশে পৌঁছবে।এ প্রসঙ্গে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, ১৭ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালু করবেন তারা। তবে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর এসব হিসাব স¤পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। এর আগে জুনের মধ্যে থ্রি-জি চালুর উদ্যোগের কথা বলেছিল মোবাইল অপারেটরটি। তখন বলা হয়েছিল জুনের মধ্যে সব মিলে ২২ লাখ গ্রাহক পাবে টেলিটক। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ। এতে বলা হয়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে টেলিটক ১২ লাখ ৯৬ হাজার থ্রি-জি গ্রাহক পাবে। তখন তাদের টু-জি গ্রাহক হবে ৫৮ লাখ। পরের অর্থ বছরে থ্রি-জি গ্রাহক ২২ লাখ হবে। আর টু-জির গ্রাহক তখন হবে এক কোটি। আর সব শেষে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসে তারা ফোর-জি চালু করবে।তিন বছরে ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা বিপুল বাড়বে : ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে দেশের মোট ব্যান্ডউইথের পরিমাণ এক হাজার ৮৬০ জিবিপিএস (গিগাবাইটস পার সেকেন্ড) হবে বলে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে বলা হয়েছে। এ হিসাবে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা স¤পর্কে বলা হলেও তখন দেশের ব্যান্ডউইথের ব্যবহারের পরিমাণ কত হবে সে স¤পর্কে কিছু বলা হয়নি। বর্তমানে দেশে সিম-উই-৪ সংযোগে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা রয়েছে ৮০ জিবিপিএস। গত ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত সাবমেরিন কেবল কো¤পানির তৃতীয় আপগ্রেডেশন হয়। ফলে সিম-উই-৪ এর ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা ৪৬ জিবিপিএস থেকে বেড়ে ১৬০ জিবিপিএস হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাড়তি এই ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। তাছাড়া এরই মধ্যে বিএসিসিএল সিম-উই-৫ কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দেশের চাহিদার বাড়তি ব্যান্ডউইথ রফতানি করেও অনেক বেশি ডলার আয় করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top