শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উদ্বোধন করলেন জয় | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - নতুন অ্যাপ ‘ফাইলস গো’ চালু করেছে গুগল | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / সাইবার ক্রাইম / চিনা চরবৃত্তির দাবি নস্যাৎ স্নোডেনের
চিনা চরবৃত্তির দাবি নস্যাৎ স্নোডেনের

চিনা চরবৃত্তির দাবি নস্যাৎ স্নোডেনের

আমেরিকার দুনিয়া জুড়ে ইন্টারনেটে আড়ি পাতার খবর ফাঁস করেছিল যে এনএসএ (ন্যাশন্যাল সিকিউরিটি এজেন্সি)গোয়েন্দা, সেই এডওয়ার্ড স্নোডেনই বোমা ফাটালেন আবার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তিনি নাকি চিনা গুপ্তচর। সেই অভিযোগকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিলেন ন্যাশানাল সিকিউরিটি এজেন্সির এই প্রাক্তন কর্মী।

Snowden-Flee

ব্রিটেনের ‘গার্ডিয়ান’ পত্রিকা পরিচালিত একটি অনলাইন সাইটে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগকে তিনি অস্বীকার করলেন। স্নোডেন জানিয়েছেন, “চিনের সঙ্গে কোনওদিন কোনওভাবে আমার যোগাযোগ ছিল না। চিনা চরবৃত্তির কথা কল্পনাপ্রসূত ও ভিত্তিহীন। চিনের গুপ্তচর হলে আমি কেন সরাসরি বেজিং-এ রাজনৈতিক আশ্রয় নিলাম না? ” প্রাক্তন মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি ডিক চেনির দাবি, স্নোডেন বিশ্বাসঘাতক। আমেরিকার বিভিন্ন গোপন তথ্য সে চিনে পাচার করত।

প্রসঙ্গত, গতকালই স্নোডেন জানিয়েছিলেন, ২০০৯ সালে এপ্রিল ও সেপ্টেম্বরে লন্ডনে আয়োজিত জি-২০ সম্মেলনে বৈঠকে যোগ দেওয়া রাজনীতিক, কর্তাব্যক্তিদের কম্পিউটার, মোবাইল ফোনে আড়ি পাতেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। পুরোটাই সরকারি নির্দেশেই। গোটা বিষয়টির দায়িত্বে ছিল ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা ‘গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স’।

ব্রিটিশ গোয়েন্দারা পেয়েছেন স্নোডেনের এক গোপন নথি। তাতে লেখা, অসাধারণ এক উপায়ে প্রতিনিধিদের প্রতিটি পদক্ষেপের উপর নজর রাখা হচ্ছে। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা ইচ্ছে করে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যাতে বিদেশি প্রতিনিধিদের ইন্টারনেট সার্ফ করতে ক্যাফেটেরিয়ায় যেতে হয়। আর সেখানেই পাতা ছিল ফাঁদ। তাঁরা যার যার সঙ্গে কথা বলেছেন, যোগাযোগ করেছেন, নজর রাখা হয়েছিল সবের উপর।

স্নোডেনের অভিযোগ, ওবামার জমানায় বুশের আবহাওয়া রয়েছে। গুয়ানতানামো বে-র মতো পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। নেট দুনিয়ায় একটা নজরবন্দি খাঁচার মধ্যে সবাই বাস করছেন। কিন্তু খাঁচাটা অদৃশ্য। ২০০৮ সালে ও ২০১২ সালে ওবামা দু’ দু বার ক্ষমতা এলেও মানবাধিকার লঙ্ঘন বেড়েই চলেছে। চরবৃত্তির জন্য কারোর কোনও স্বাধীনতা নেই।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা চিনের মেধা স্বত্ত্ব চুরি ও হ্যাকিং নিয়ে সরব হয়েছেন। সরাসরি চিনের নাম করেই তিনি বেজিংকে দাযী করেছেন। যদিও চিন এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top