শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / শেয়ার বাজার / ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া হবে

ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া হবে

সরকারি মালিকানাধীন আটটি কোম্পানির আরও শেয়ার আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পুঁজিবাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে অন্য আরও ২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারও ছাড়া হবে বাজারে। শাহজালাল সার কারখানা ও থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপন নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে গতকাল রোববার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ তথ্য জানিয়েছেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, পুঁজিবাজারে বর্তমানে তালিকাভুক্ত রয়েছে এমন কোম্পানিগুলোর মধ্যে আটটির শেয়ার অতি শিগগির ছাড়া হবে। আর অন্যগুলোর (২৪টি) শেয়ার ছাড়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে কোন আট তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার শিগগিরই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, তা অবশ্য পরিষ্কার করে বলেননি তিনি।
চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি সরকারি মালিকানাধীন ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে অর্থমন্ত্রীর গতকালের বক্তব্য ধরে হিসাব করলে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২।
এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির (ডেসকো) ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। যে ২৫ শতাংশ বাজারে রয়েছে, তার মধ্যে ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ জনগণ এবং দশমিক ৬১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের হাতে।
সরকারের হাতে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) শেয়ার রয়েছে ৭৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ১৯ দশমিক ১৬ এবং জনগণের হাতে রয়েছে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার।
যমুনা অয়েল এবং মেঘনা পেট্রোলিয়াম উভয় কোম্পানিরই ৭০ শতাংশ করে শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। যমুনার বাজারে থাকা ৩০ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে ১৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এবং ১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ রয়েছে জনগণের হাতে। আর মেঘনার ১৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
তিতাস গ্যাসের ৭৫ শতাংশ শেয়ার সরকারের এবং ২৫ শতাংশ শেয়ার জনগণের হাতে রয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ৮৭ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। জনগণের হাতে রয়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। ন্যাশনাল টিউবের ৫২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। বাকি ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক এবং ২৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কিন্তু সরকারের কাছে শেয়ার রয়েছে এমন বেশ কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে সরকারের হাতে রূপালী ব্যাংকের ৯৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের ৮৭ দশমিক ৩০ শতাংশ, এটলাস বাংলাদেশ ও ইস্টার্ন কেব্লসের ৫১ শতাংশ করে এবং পদ্মা অয়েলের ৫০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ছেড়ে দেওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ারের মধ্যে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি অংশ সংরক্ষিত থাকবে। শুধু তা-ই নয়, অন্যদের তুলনায় ৫ শতাংশ কমে শেয়ার কিনতে পারবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ট্রেড ইউনিয়নের দৌরাÍ্য বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, দু-একটি প্রতিষ্ঠানে আমি গিয়েছি। সেখানে সিবিএ নেতারা আমাকে সংবর্ধনা দিয়েছেন। আমি তাঁদের বলেছি, তোমাদের এভাবে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা নয়। তোমরা তোমাদের স্বার্থ দেখবে। আর স্বার্থ ছাড়িয়ে গেলেই করবে অনধিকার চর্চা। সেটা আমরা হতে দেব না।’
চীনের সহায়তায় দেশে থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপন ও শাহজালাল সার কারখানা স্থাপনের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করার কথা জানান অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, চীনা দিনপঞ্জি অনুযায়ী সাধারণত ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের চুক্তি শেষ হয়ে যায়। ডিসেম্বর শেষ হতে আর বাকি আছে দুই মাস। এর মধ্যেই কারিগরি ও আর্থিক—এ দুই ধরনের আলোচনা চলছে।
শাহজালাল সার কারখানাকে ইউরিয়া থেকে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেটে রূপান্তর করার সম্ভাবনার কথাও সাংবাদিকদের জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। চীনা কোম্পানির কাছেও বলা হয়েছে। এ জন্য ছোটখাটো একটি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দরকার পড়বে।’

Comments

comments



One comment

  1. You have certainly previously been exceptionally strenuous publication pointing up all of this good weblog, Completely rather interesting to be able to read. Can’t time to wait to find out everything you articles about in the up coming last seven days. New for your huge plus aspects, opt to I do not really nurturing such a web site , and after that intend this guidance, too since the great evaluations some other kinda folks wrote, ought to aid loved ones adjudicate in the case when it is some of the good alternative for you personally . May be the idealfact.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top