শিরোনাম

বুধবার, মার্চ 22, 2017 - স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ কিনতে সাবধান ! | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - বাংলাদেশে ইউসিসিকে একমাত্র পরিবেশক ঘোষনা করলো ট্রান্সসেন্ড | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - এসএসডি-টেক এবং প্যাভিলিয়নের মধ্যে কন্টেন্ট পার্টনারশিপ সম্পন্ন | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - মোবাইল অ্যাপস চালু করলো উরি ব্যাংক | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - গার্ডিয়ান লাইফ এর জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে এসএসএল ওয়্যারলেস | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - মাইক্রোম্যাক্সের নতুন দুইটি মডেলের স্মার্টফোন | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরার হ্যালিও স্মার্টফোন আনল এডিসন গ্রুপ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - জিপি মিউজিকে ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - কলসেন্টার এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ইনোভেশন ফোরামের এন্টারপ্রাইজ পার্টনার হলো লিডসফট |
প্রথম পাতা / টেলিকম / দেশজুড়ে বিটিসিএলের ইন্টারনেট প্রকল্প এক বছরেও শুরু হয়নি
দেশজুড়ে বিটিসিএলের ইন্টারনেট প্রকল্প এক বছরেও শুরু হয়নি

দেশজুড়ে বিটিসিএলের ইন্টারনেট প্রকল্প এক বছরেও শুরু হয়নি

BTCL-Internet

দেশের মানুষকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার জন্য দেশজুড়ে ১০০৫ দুর্গম ইউনিয়নে বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রকল্পের আওতায় ৪৯টি জেলার ১২৮টি উপজেলার এক হাজার পাঁচ ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৮৮ কোটি ৮২ লাখ ১৬ হাজার টাকা। এ বছরের গোড়ার দিকে প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজে হাত দেয়া হয়নি।

এসব প্রকল্পের পাশাপাশি আরও পাঁচটি জেলার ১২টি উপজেলায় রেডিও লিংক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থাপনের আরেকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিটিসিএল। এ প্রকল্পটিরও একই দশা। সরকারী অর্থে প্রকল্পটি ৪ বছর মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে বিটিসিএল। পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে আরও এক হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বিটিসিএল। এ প্রকল্পের পুরোপুরি বাস্তবায়ন এ বছর শেষ হবে। তবে এ প্রকল্পে বেশকিছু ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু হয়েছে।

বিটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে হাতে নেয়া ১ হাজার ৫ ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সংযোগ দেয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিটিসিএল। প্রকল্পটি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে পরে এটি একনেকে পাঠানো হয়। একনেক প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে। ৫টি জেলায় রেডিও লিংকের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দেয়া হবে। এ ৫ জেলার ১২টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি কোন সড়ক যোগাযোগ নেই। এ কারণে ১২ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত বিটিসিএল অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করতে পারবে না। সবকটি উপজেলা বা ইউনিয়ন নদী বা সাগরের মধ্যে পড়েছে। বিটিসিএল ১২টি উপজেলার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য বিকল্প প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন হলেই কার্যক্রম শুরু করা হবে। দেশে গ্রামপর্যায়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজভাবে তথ্য যোগাযোগের জন্য ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক বেশি সাশ্রয়ী ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। এছাড়া গ্রাহক এ ইন্টারনেট খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবে। দুর্গম এলাকায় ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা বিশ্বজুড়েই গ্রহণযোগ্য। একটি বিটিএস টাওয়ারের (বেজ স্টেশন) মাধ্যমে ৫ থেকে ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে বসবাসরত জনগোষ্ঠী নেটওয়ার্কের আওতায় থাকবে।

এক্ষেত্রে বসতি অথবা বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাসরত মানুষের নেটওয়ার্ক কাভারেজের আওতায় আনতে টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। ওয়্যারলেস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ একটি স্থায়ী ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা সহজ। এটি অনেকটা মোবাইল নেটওয়ার্কের মতো। ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সহজে বিচ্ছিন্ন হয় না। ১২টি উপজেলায় এ মুহূর্তে ভৌগোলিক কারণে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে না। উপজেলাগুলো হলো ভোলা সদর, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, লংগদু, জুরাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল, বরিশালের মুলাদী, মেহেদীগঞ্জ এবং হিজলা এলাকা। এজন্য দুর্গম এলাকায় ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয়ার জন্য বিটিসিএল প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে। এসব এলাকার চারদিক দিয়েই রয়েছে নদী।

এ ব্যাপারে বিটিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বলেন, কাজের সুবিধার্থে তারা পাঁচটি জোনে ভাগ করে কাজ শুরু করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ৬৪টি জেলা সদর ৯৮ উপজেলা সদর হয়ে এক হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হবে। জোন-১-এ ঢাকা ও ফরিদপুর, জোন-২ চট্টগ্রাম, জোন-৩ রাজশাহী ও রংপুর, জোন-৪ বরিশাল ও খুলনা, জোন-৫ ময়মনসিংহ ও সিলেট। প্রকল্প পরিচালক জানান, দেশের আর্থ-সামাজিক কারণে গ্রামীণ জনগণ ঘরে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন না। আর এ অবস্থার উত্তরণে ফাইবার অপটিক স্থাপনের পর ইউনিয়ন পরিষদ তথ্যকেন্দ্রগুলো এই সেবার পরিচালনা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। প্রতিটি এলাকার কাছাকাছি বিদ্যালয়গুলোয় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ দেয়া হবে। তথ্যসেবা গ্রামাঞ্চলে কৃষি, ব্যবসা ও গ্রামভিত্তিক শিল্প খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি সরকার বাংলাদেশের সব ইউনিয়ন পরিষদকে ৩ বছরের মধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য বিটিসিএলকে নির্দেশনা দেয়। এ লক্ষ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় একই বছরের ২২ মার্চ ১০০০ ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপনের জন্য বিটিসিএলকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু কাজের অগ্রগতি এখনও শূন্যের কোঠায় রয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top