শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রোহিঙ্গাদের কাছে মোবাইল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডাটা খরচ কমাতে আসছে টুইটারের নতুন সংস্করণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - লন্ডনে লাইসেন্স বাঁচানোর চেষ্টায় উবার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ড্রোন যখন কৃষকের বন্ধু | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - আইফোন ৮ এর ভেতরে যা দেখা গেল | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডি-লিংক এর স্পেশাল অফার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রংতা ব্র্যান্ডের নতুন পিওএস প্রিন্টার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - নারীর নিরাপত্তা ও শরনার্থীদের শিক্ষা বিষয়ক ধারণা যাচ্ছে ওসলোর টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / দেশেই তৈরি হবে মোবাইল সেট,হচ্ছে নীতিমালাও
দেশেই তৈরি হবে মোবাইল সেট,হচ্ছে নীতিমালাও

দেশেই তৈরি হবে মোবাইল সেট,হচ্ছে নীতিমালাও

mobileবর্তমানে দেশে মোবাইল সংযোগ রয়েছে ১৩ কোটি। হ্যান্ডসেটের বাজার প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। তাই গ্রাহকের হাতে কম মূল্যে হ্যান্ডসেট তুলে দিতে কারখানা স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে সরকার।

এ বিষয়ে এনলিস্টমেন্ট সনদ দিতে একটি খসড়া নির্দেশিকা প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি)। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, নতুন কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনবল সৃষ্টি, কম মূল্যে হ্যান্ডসেট প্রদান, অবৈধভাবে আমদানি হ্রাস এবং বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। খসড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে হ্যান্ডসেট সংযোজন, উৎপাদন ও বাজারজাতের জন্য প্রস্তুতকারক এবং ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সনদ হবে দুই ক্যাটাগরির। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী বা সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত লে-আউটের মাধ্যমে নিজস্ব একটি টেস্টিং ল্যাব থাকতে হবে।

প্রতিটি ল্যাবেই থাকবে প্রয়োজনমতো টেস্টিং সুবিধা, যাতে বাংলাদেশে উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন করা যায়। আর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব টেস্টিং ল্যাব না থাকলেও চলবে। তবে প্রস্তুতকৃত মোবাইল ফোনের মান যাচাইয়ের জন্য বিটিআরসি অনুমোদিত টেস্টিং ল্যাবের সঙ্গে তারা চুক্তিবদ্ধ হবে।খসড়ায় প্রস্তুতকারক ও ভেন্ডর এনলিস্টমেন্টে ‘এ’ ক্যাটাগরি সনদের ফি হবে ১০ থেকে ৫০ লাখ ও নবায়ন ফি ৫ লাখ টাকা। ‘বি’ ক্যাটাগরি সনদের ফি ৫ থেকে ২০ লাখ ও নবায়ন ফি ২ লাখ টাকা। সঙ্গে দুই ক্যাটাগরির ক্ষেত্রেই বার্ষিক ভ্যাট দিতে হবে ১৫ শতাংশ করে।

এ ছাড়া দেশে উৎপাদিত হ্যান্ডসেট উৎপাদনের সময় ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে। প্রতিটি জেলা শহরে পর্যাপ্তসংখ্যক সার্ভিস ও কালেকশন সেন্টারও থাকতে হবে। এমনকি দেশে উৎপাদিত হ্যান্ডসেটের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে প্রস্তুতকৃত ৫ শতাংশ হ্যান্ডসেট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টেস্টিং ল্যাব থেকে কারিগরি এবং গুণগত মান যাচাই করে সেই সার্টিফিকেট উপস্থাপন করতে হবে বিটিআরসিতে।

বাংলাদেশের বাজার মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ব্যবসার জন্য অনুকূল থাকায় প্রতিবছর বৈধ পথে প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি হয়। এ ছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আসে প্রায় ৫০ লাখ হ্যান্ডসেট। বিটিআরসির একটি কমিশনসভা থেকেই এমন তথ্য উঠে এসেছে। ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে। তাই এটি রোধ করতে এবং স্থানীয়ভাবে হ্যান্ডসেট উৎপাদনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বিটিআরসি জানায়, স্থানীয়ভাবে হ্যান্ডসেট উৎপাদন করতে পারলে সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান ও সুদক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবল। অবৈধ আমদানি হ্রাসের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব ক্ষতিও রোধ করা সম্ভব হবে। এতে দেশি বিনিয়োগকারী সময়োপযোগী বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র পাবে। আর ক্রেতারা পাবেন কম মূল্যে মোবাইল সেট।কাক্সিক্ষত বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ারও সম্ভাবনা দেখছে বিটিআরসি।

তাদের দাবি, দেশে হ্যান্ডসেট উৎপাদন হলে টেলি-ডেনসিটি (টেলি-ঘনত্ব) আরও বাড়বে। ব্যাপকহারে বেড়ে যাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। আমদানির পরিবর্তে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করাও সম্ভব হবে।ইতোমধ্যে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট তৈরির জন্য লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছে ওয়ালটন।

এ ছাড়া এসবি টেল এন্টারপ্রাইজেস মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট প্রগ্রেসিভ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও কর সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন করতে রাজস্ব বোর্ডকে সুপারিশের জন্য কমিশনের প্রতি অনুরোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্থ মন্ত্রণালয়ও এরই মধ্যে বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেমি নক ডাউন (এসকেডি) পদ্ধতিতে ১০ শতাংশ এবং কমপ্লিট নক ডাউনের (সিকেডি) জন্য এক শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের খুচরা যন্ত্রাংশ আনতে ৩৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক গুনতে হতো।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top