শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে ডিজিটাল সেবা পৌঁছাবে সরকার ॥ মতিয়া চৌধুরী
দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে ডিজিটাল সেবা পৌঁছাবে সরকার ॥ মতিয়া চৌধুরী

দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে ডিজিটাল সেবা পৌঁছাবে সরকার ॥ মতিয়া চৌধুরী

দিন বদলের প্রত্যয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার রূপকল্প বাস্তবায়নে গত তিন বছরে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগজনমানুষের সামনে উপস্থাপনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন  প্রাঙ্গনে চলছে প্রযুক্তি  উৎসব। বৃহ¯পতিবার সকালে ল্যাপটপের ¯পর্শক্লিকপ্যাডে ক্লিক করে কৃষিমন্ত্রী  মতিয়া চৌধুরী উদ্বোধন করেন তিন দিনের এই প্রযুক্তি সম্মেলন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২ ।
324-dw
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য এই আয়োজন অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে। ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাসে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজন সরকারের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি আরো বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। নির্বাচনে জয় লাভ করা পর সেই লক্ষে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমারা সেই  লক্ষে বিভিন্ন পক্ষপেদ গ্রহণ করছি। সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য দেশকে ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি  মানুষের হাতের নাগালে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো জানান, আমার প্রথম বার যখন সরকার গঠন করি, তখন প্রযুক্তি  উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম। তারই ধারাবহিকতায় ১৯৯৬-২০০১  দেশে  প্রথমবারের মতো আমাদের সরকার ১১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চারটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করি।
শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তির অনেক উন্নয়ন করেছি। আমাদের সরকার ডিজিটাল ক্লাস রুম, ই-বুক, ক¤িপউটার শিক্ষাকে পাঠ্যসূচিতে অর্ন্তভুক্তকরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। দেশের  প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু করা আমাদের সরকারের আমলে উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনা বলে জানান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি  বিশেষজ্ঞ সজীব এ ওয়াজেদ বলেন, সারা দেশে আগামী এক বছরের মধ্যে থ্রিজি সেবা পৌঁছে দেয়া হবে। দেশে প্রতিবছর সাত হাজার আইটি প্রকৌশলী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে।
তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব এবং এটুআইয়ের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম খান এ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, মানবস¤পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভৌগলিক অবস্থান, প্রশাসন ব্যবস্থা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে তথ্য প্রযুত্তি দ্ধব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। আমরা দেশের প্রতিটি নাগরিকের হাতের নাগালে প্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দিতে চাই।
সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মাদ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্যসবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে। সবার আগে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। পূর্ব এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুলিয়ান পারসাউথের ধারণকৃতভিডিওতে তিনি শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার ভিডিও বক্তব্যে বলেন, গুগল তাদের কার্যক্রম খুব তাড়াতাড়ি চালু করা হবে। বাংলাদেশে ইন্টারনেটব্যবহারকারী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মেলা উদ্বোধনের পর দর্শণার্থীদের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খুলে দেয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এবারের মেলায় দেশীয়ও আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড শিরোনামের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘সমৃদ্ধির জন্য জ্ঞান’।  সম্মেলনে চলেছে প্রযুক্তি জ্ঞান বিনিময় এবং প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে কতটা প্রভাবিত করছে তারই প্রাঞ্জল উপস্থাপনা। উৎসবে আলো ছাড়াচ্ছ দেশে তৈরি ১৭টি যান্ত্রিক মানব।  প্রযুক্তিতে দেশের ইতিবাচক রূপ তুলে ধরতে সম্মেলনে নিজেদের বিভিন্ন প্রাযুক্তিক সেবা ও প্রযুক্তি পণ্যের পসরা নিয়ে হাজির হয়েছে ৬০টি বেসরকারি, ২৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। সম্মেলন কেন্দ্রের পাশেই মুখোমুখি তাবু ঘেরা প্রযুক্তি দুনিয়ায়।আর সম্মেলন কেন্দ্রের বিভিন্ন হলে চলছে প্রযুক্তি দুনিয়ায় নিজেদের আবস্থান ও করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা মূলক সেমিনার। প্রথমবারের মতো দেশীয় কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে নারী এবং শিশুদের এমন অংশগ্রহন আামাদের যুথবদ্ধ এগিয়ে চলার স্মারক। প্রথম ক্লাউড ক¤িপউটিং সেমিনার এবং মুক্তপেশাজীবীদের সম্মেলনে তরুণদের উপস্থিতি আগাম জানান দিচ্ছে আমাদের সমৃদ্ধি খুব বেশি দূরে নয়।
সম্মেলনে সরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ই-ভোটিং, অনলাইনে রেলের টিকিট ক্রয়, কর দেয়া, টেলি চিকিৎসা, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে পরিবেশিত পরিষেবা ছাড়াওয় বেসরকারি উদ্যোগে পরাবাস্তব দুনিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবাররোম নেটজিনি ও সিম্যানটেক এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিটিসেল, বাংলালিংক, এয়ারটেল এর বিভিন্ন এমভ্যাস সেবা স¤পর্কে অবগত করা হচ্ছে  দর্শনার্থীদের। আট কোটি টাকা ব্যায়ে এই যে সম্মেলন তার শেষ সম্মেলনের মাধ্যমেই যেন ইতি না ঘটে সেদিকটায় নজর দেয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে ডিজিটাল সেবা পৌঁছাবে সরকার ॥ মতিয়া চৌধুরীমোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ ॥দিন বদলের প্রত্যয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার রূপকল্প বাস্তবায়নে গত তিন বছরে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ জনমানুষের সামনে উপস্থাপনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন  প্রাঙ্গনে চলছে প্রযুক্তি  উৎসব। বৃহ¯পতিবার সকালে ল্যাপটপের ¯পর্শক্লিকপ্যাডে ক্লিক করে কৃষিমন্ত্রী  মতিয়া চৌধুরী উদ্বোধন করেন তিন দিনের এই প্রযুক্তি সম্মেলন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২ ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য এই আয়োজন অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে। ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাসে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজন সরকারের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।তিনি আরো বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। নির্বাচনে জয় লাভ করা পর সেই লক্ষে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমারা সেই  লক্ষে বিভিন্ন পক্ষপেদ গ্রহণ করছি। সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য দেশকে ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি  মানুষের হাতের নাগালে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো জানান, আমার প্রথম বার যখন সরকার গঠন করি, তখন প্রযুক্তি  উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম। তারই ধারাবহিকতায় ১৯৯৬-২০০১  দেশে  প্রথমবারের মতো আমাদের সরকার ১১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চারটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করি।শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তির অনেক উন্নয়ন করেছি। আমাদের সরকার ডিজিটাল ক্লাস রুম, ই-বুক, ক¤িপউটার শিক্ষাকে পাঠ্যসূচিতে অর্ন্তভুক্তকরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। দেশের  প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু করা আমাদের সরকারের আমলে উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনা বলে জানান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি  বিশেষজ্ঞ সজীব এ ওয়াজেদ বলেন, সারা দেশে আগামী এক বছরের মধ্যে থ্রিজি সেবা পৌঁছে দেয়া হবে। দেশে প্রতিবছর সাত হাজার আইটি প্রকৌশলী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে।তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব এবং এটুআইয়ের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম খান এ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, মানবস¤পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভৌগলিক অবস্থান, প্রশাসন ব্যবস্থা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে তথ্য প্রযুত্তি দ্ধব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। আমরা দেশের প্রতিটি নাগরিকের হাতের নাগালে প্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দিতে চাই।সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মাদ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্যসবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে। সবার আগে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। পূর্ব এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুলিয়ান পারসাউথের ধারণকৃতভিডিওতে তিনি শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার ভিডিও বক্তব্যে বলেন, গুগল তাদের কার্যক্রম খুব তাড়াতাড়ি চালু করা হবে। বাংলাদেশে ইন্টারনেটব্যবহারকারী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মেলা উদ্বোধনের পর দর্শণার্থীদের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খুলে দেয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এবারের মেলায় দেশীয়ও আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড শিরোনামের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘সমৃদ্ধির জন্য জ্ঞান’।  সম্মেলনে চলেছে প্রযুক্তি জ্ঞান বিনিময় এবং প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে কতটা প্রভাবিত করছে তারই প্রাঞ্জল উপস্থাপনা। উৎসবে আলো ছাড়াচ্ছ দেশে তৈরি ১৭টি যান্ত্রিক মানব।  প্রযুক্তিতে দেশের ইতিবাচক রূপ তুলে ধরতে সম্মেলনে নিজেদের বিভিন্ন প্রাযুক্তিক সেবা ও প্রযুক্তি পণ্যের পসরা নিয়ে হাজির হয়েছে ৬০টি বেসরকারি, ২৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। সম্মেলন কেন্দ্রের পাশেই মুখোমুখি তাবু ঘেরা প্রযুক্তি দুনিয়ায়।আর সম্মেলন কেন্দ্রের বিভিন্ন হলে চলছে প্রযুক্তি দুনিয়ায় নিজেদের আবস্থান ও করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা মূলক সেমিনার। প্রথমবারের মতো দেশীয় কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে নারী এবং শিশুদের এমন অংশগ্রহন আামাদের যুথবদ্ধ এগিয়ে চলার স্মারক। প্রথম ক্লাউড ক¤িপউটিং সেমিনার এবং মুক্তপেশাজীবীদের সম্মেলনে তরুণদের উপস্থিতি আগাম জানান দিচ্ছে আমাদের সমৃদ্ধি খুব বেশি দূরে নয়।সম্মেলনে সরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ই-ভোটিং, অনলাইনে রেলের টিকিট ক্রয়, কর দেয়া, টেলি চিকিৎসা, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে পরিবেশিত পরিষেবা ছাড়াওয় বেসরকারি উদ্যোগে পরাবাস্তব দুনিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবাররোম নেটজিনি ও সিম্যানটেক এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিটিসেল, বাংলালিংক, এয়ারটেল এর বিভিন্ন এমভ্যাস সেবা স¤পর্কে অবগত করা হচ্ছে  দর্শনার্থীদের। আট কোটি টাকা ব্যায়ে এই যে সম্মেলন তার শেষ সম্মেলনের মাধ্যমেই যেন ইতি না ঘটে সেদিকটায় নজর দেয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top