শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - গুগল এআরকোর উন্মোচন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ছয় ক্যামেরার ফোরজি স্মার্টফোন নকিয়া ৮প্রো | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - উদ্ভাবনের জন্য ‘ওপেন গ্রুপ প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৮’ পেল বিসিসি | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - শাওমির নতুন ফোন এমআই ম্যাক্স ৩ | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - কুমিল্লায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি চালু করলো গ্রামীণফোন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ট্রাভেল বুকিং এ যুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী 23, 2018 - অনলাইন পোর্টালের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ তাসকিন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - দর্শনার্থী নেই বেসিস সফটএক্সপোতে ! | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিসিএস নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - ২০১৭ সালে রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা |
প্রথম পাতা / কর্পোরেট স্পেশাল / দেশে শতকরা ৪৩ ভাগ প্রেমের বিয়েই বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়:বিবাহবিডি জরিপ
দেশে শতকরা ৪৩ ভাগ প্রেমের বিয়েই বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়:বিবাহবিডি জরিপ

দেশে শতকরা ৪৩ ভাগ প্রেমের বিয়েই বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়:বিবাহবিডি জরিপ

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, দেশে শতকরা ৪৩ দশমিক ৩ ভাগ প্রেমঘটিত বিয়ে সুখের হয় না, এমন-কি সেই বিয়েগুলো বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়। বাংলাদেশি বিবাহ সংক্রান্ত সেবা দানকারী অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিবাহবিডি ডটকম-এর পরিচালিত ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ নির্ণয়’ শীর্ষক এক জরিপে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জরিপে অংশগ্রহণ করেন ৪১২ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ৭৬.৫ শতাংশ, নারী ২৩.৫ শতাংশ। অংশগ্রহণকারীদের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।

৪১২ জনের মধ্যে দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ হয়েছেন এমন অংশগ্রহণকারী ছিলেন ১০৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭৮.৪৫ শতাংশ ও নারী ছিলেন ২১.৫৫ শতাংশ। বিচ্ছেদ হওয়া এই ১০৪ জনের মধ্যে ৪৩.৩ শতাংশর বিয়ে হয়েছিল প্রেমের মাধ্যমে।

weedingজরিপে অংশ নেওয়া বিচ্ছেদ হওয়াদের মধ্যে ৫৮.৬৫ শতাংশ চাকরিজীবী, ২০.১৯ শতাংশ ব্যবসায়ী ও ১৫.৩৮ শতাংশ বেকার। তাছাড়া ৪.৮১ শতাংশ প্রবাসে কর্মরত রয়েছেন। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল মধ্যবিত্ত ৭২.১২ শতাংশ, নিম্ন মধ্যবিত্ত ১৭.৩ শতাংশ, উচ্চবিত্ত ৪.৮ শতাংশ ও নিম্নবিত্ত ৭.৭৬ শতাংশ। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪১.৪ শতাংশ যৌথ পরিবার, ৫৯ শতাংশ একক পরিবারে বড় হয়েছেন।

জরিপের ফলাফলে জানা গেছে, বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি বিভাগীয় ও জেলা শহরে বসবাসকারীদের মাঝে, যা যথাক্রমে বিভাগীয় শহরে ৪৯.০৩ শতাংশ ও জেলা শহরে ৩৫.৫ শতাংশ। এ ছাড়া উচ্চ শিক্ষিত নাগরিকদের মাঝেই বিচ্ছেদের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। তার মধ্যে উচ্চতর ডিগ্রি ৪৯.৪২ শতাংশ, স্নাতক বা সমমান ৩৬.৫৮ শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা সমসমান ৯.২ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।

জরিপে বিচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তিদের প্রশ্ন করা হয়, কীভাবে তাদের সঙ্গীর সাথে পরিচয়ের সূত্রপাত ও বিয়ের সম্পর্ক হয়েছিল। এর মধ্যে ৩০.৭৬ শতাংশের পরিচয় হয় নিকট আত্মীয়দের মাধ্যমে, ২৫ শতাংশের পরিচয় হয় ঘটকের সাহায্যে, ৪৩.৩ শতাংশের প্রেমঘটিত পরিচয় এবং অনলাইন ম্যাট্রিমনি বা স্যোশাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় মাত্র ১.৯২ শতাংশের।

তবে সকল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেখা গেছে, তাদের পরিচয়ের সূত্র নিকট আত্মীয়দের মাধ্যমে ২৭.১ শতাংশ, ঘটকের সাহায্যে ১৩.৭ শতাংশ, প্রেমঘটিত ৩৭.৪ শতাংশ ও অনলাইনে পরিচয় ৩.৪ শতাংশের। তবে অবিবাহিত (জরিপে অংশ নেওয়া) হওয়ায় ১৮.৪ শতাংশের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।

৪৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারীই মনে করেন সঙ্গীর সাথে বয়সের পার্থক্য ৫ বছরের কম হওয়া ভালো, আর ৩১ শতাংশ মনে করেন সঙ্গীর সাথে বয়সের পার্থক্য ১০ বছরের বেশি হওয়া উচিত নয়। আর ১৪ শতাংশ মনে করেন সমবয়সী হলে ভালো। তবে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীই মনে করেন, অতিরিক্ত বয়সের পার্থক্য বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ নয়।

জরিপে সকল অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন করা হয়, কোন বিষয়গুলো আপনার সাথে ঘটলে আপনি একেবারেই সহ্য করবেন না, প্রয়োজনে বিচ্ছেদ চাইতে পারেন? এর প্রতিউত্তরে উঠে আসে প্রধান ৮টি বিষয়–

১) পরকীয়া ২) ক্রমাগত ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব বৃদ্ধি ৩) সংসারে কাজ-কর্মে তীব্র অনীহা, সঙ্গীকে যথাযথ মূল্যায়ন না করা ৪) আসক্তি [মাদক, নারী, পরপুরুষ, জুয়া] ৫) মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন ৬) সঙ্গীর প্রতি অতিরিক্ত সন্দেহ প্রবণতা ৭) স্বামী বা স্ত্রীর পরিবার হতে দুর্ব্যবহার বা অবমূল্যায়ন ৮) সঙ্গীর একঘেয়ে স্বভাব বা একক কর্তৃত্ব পরায়ণতা।

এ ছাড়াও সন্তান ধারণে অক্ষমতা বা সন্তান ধারণে সঙ্গীর দ্বিমত পোষণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ভারতীয় টিভি সিরিয়াল বা বিদেশি সংস্কৃতির অতিরিক্ত প্রভাব-আসক্তির মতো বিয়য়গুলোও জরিপে উঠে আসে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে সর্বশেষ জানতে চাওয়া হয়, কোন ৫টি বিষয় বিচ্ছেদ এড়াতে পারে বলে আপনি মনে করেন? এর উত্তরে যে ৫ টি বিষয় ক্রমান্বয়ে উঠে আসে, সেগুলো হলো- ১) একে অপরকে সম্মান করা ২) সঙ্গীর সাথে বিশ্বস্ত থাকা ৩) আপস করার মানসিকতা ৪) সঙ্গীর সাথে মিথ্যাচার না করা ৫) সঙ্গীকে কখনও অবজ্ঞা বা অবহেলা না করা।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top