শিরোনাম

বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারী ব্যাকআপ দিবে আইটেল পি ১১ স্মার্টফোন | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা এবং এসএসএলকমার্জ শুরু করলো অনলাইন ধামাকার দ্বিতীয় রাউন্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তি বিষয়ক স্টার্টআপের খোঁজে সিডস্টারস ওয়ার্ল্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ফেইসবুকে কাউকে বন্ধু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ম্যার্শম্যালো এখনো শীর্ষে | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে ওয়ালটনের নতুন ফোন | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - হ্যাকারের হানায় ঝুঁকিতে সিক্লিনার ব্যবহারকারীদের ডিভাইস | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল রিয়ালিটি শো “বাংলালিংক নেক্সট টিউবার” | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ড্যফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - এইচপি’র মাল্টিফাংশন কপিয়ার বাজারে |
প্রথম পাতা / অফবিট / নাসার সুর্য ‘ছোঁয়ার’ পরিকল্পনা
নাসার সুর্য ‘ছোঁয়ার’ পরিকল্পনা

নাসার সুর্য ‘ছোঁয়ার’ পরিকল্পনা

sunআমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসা এবার সুর্য ‘ছোঁয়ার’ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। অর্থাত্ এবার নাসার অনুসন্ধান যান সুর্যের সম্ভাব্য সবচে কাছের পয়েন্ট পর্যন্ত পৌছে যাবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সুর্যের উপরিতলের তাপমাত্রা ১০ হাজার ডিগ্রী ফারেনহাইট (৫ হাজার ৫৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস)। অথচ এর সংলগ্ন অ্যাটমোস্ফিয়ারের (দ্য করোনা) তাপমাত্রা প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রার এই বৈপরীত্যের কারণ কি তার সঠিক ব্যাখ্যা এখনো মেলেনি। তাই সুর্যের পৃষ্ঠে পৌছাতে গেলে আগে করোনার এই তাপমাত্রা হজম করতে হবে। অর্থাত্ এমন জিনিস দিয়ে অনুসন্ধান যান বানাতে হবে যা করোনা অঞ্চলের সেই সাড়ে ১৯ লাখ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রা সহ্য করে টিকে থাকতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়।

মহাবিশ্বের কোনো পদার্থেরই এই তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতা নেই। একারণে এই অ্যাটমোস্ফিয়ারের বাইরে থেকেই সুর্যকে ‘ছোঁয়ার’ সাধ মেটাতে হবে। অর্থাত্ সুর্যের ৪০ লাখ মাইল দূরত্বের মধ্যে পৌছানো সম্ভব হবে নাসার অনুসন্ধান যানের পক্ষে। এর বেশি এগোলেই পুড়ে-গলে ‘ভস্ম’ হয়ে যাবে।

নাসার যানের নাম দেয়া হয়েছে পার্কার সোলার প্রোব। এই যানের ঢাল তৈরী করা হয়েছে কার্বন-কার্বন যৌগ নির্মিত বিশেষ ধাতব পদার্থ দিয়ে। এর ভেতর সুরক্ষিত থাকবে গবেষণার সব যন্ত্রপাতি। ৮ ফুট চওড়া এবং ৫ ইঞ্চি পুরু ধাতুর তৈরী এই যান ২ হাজার ৫০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট (১ হাজার ৩৭১ ডিগ্রী সে.) পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করে অক্ষত থাকতে পারবে। একারণে এটি সুর্যের ৪০ লাখ মাইলের মধ্যে পৌছাতে পারবে।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এই সৌর অনুসন্ধান যানটি যাত্রা শুরু করবে। ওই বছর ১ নভেম্বর এটি বুধের কক্ষপথ পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে যাবে। এরপর এটি সুর্যের সবচে কাছে অর্থাত্ সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে যাবে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top