শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - গুগল ফটোসে যে ভাবে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও লুকাবেন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - মধ্যবিত্তের কথা ভেবে সস্তায় মাইক্রোম্যাক্সের নতুন ফোন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - নতুন ফিচারের ক্যামেরা নিয়ে উন্মুক্ত হলো নোকিয়া ৭ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - পেপালের ‘জুম’ উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয় | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - ম্যাক্সেল এর বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আইসিটি এক্সপোতে মেট্রো কভারেজ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - সিঙ্গাপুরের মাস্টারকার্ড গ্লোবাল রিস্ক লিডারশিপ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - শুরু হলো এমসিসিআই অগ্রগামী ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - বিএমই দিচ্ছে আইসিটি এক্সপো উপলক্ষে তোশিবা পণ্যে বিশেষ অফার! | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - আইসিটি এক্সপো তে আসুসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নোটবুক | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 19, 2017 - আইসিটি এক্সপোতে বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে গ্লোবাল ব্র্যান্ডের অংশগ্রহন |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / পিআর-মার্কেটিংয়ে সফল হতে চাইলে
পিআর-মার্কেটিংয়ে সফল হতে চাইলে

পিআর-মার্কেটিংয়ে সফল হতে চাইলে

azamkhanক্যারিয়ার ভাবনাকে আর একটু সহজ করে দিতে পারে যদি সফল কোনো ব্যক্তি তার সফলতার গল্প সবার সামনে তুলে ধরেন। এবারের আয়োজনটা ছিল তেমনই। এমনই একজন ব্যক্তি যিনি জনসংযোগ, মার্কেটিং, ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনে সফলতার সাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন।তিনি হলেন আজম খাঁন হেড অব মার্কেটিংপাবলিক রিলেশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ডিভিশনফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মোজাহেদুল ইসলাম, অনুলিখন মাহবুব শরীফ

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার স্বপ্নকে কেন্দ্র করে লেখাপড়া করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কর্মজীবনে প্রথম কাজ করার সুযোগ হয় ‘ভলান্টিয়ার হেলথ সার্ভিস সোসাইটি’ নামক প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রকাশনা বের করার দায়িত্ব ছিলেন তিনি। ইউনিসেফের সাথে যৌথভাবে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করেন তিনি। এখান থেকেই বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করার সুযোগ হয় তার।

পরবর্তীতে সুযোগ মেলে আন্তর্জাতিক সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশে জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার। আর্ন্তজাতিক ডোনারদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখাই ছিল তার প্রধান কাজ। দরিদ্র জনগনের উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে ওই ডোনাররাই অর্থ সহায়তা করে থাকে। এর পরই সুযোগ আসে ব্যাংকিং সেক্টরে কাজ করার।

প্রথমে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে দেড় বছরের মতো দায়িত্ব পালন করেন তিনি। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সফলতার পর সুযোগ আসে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে দায়িত্ব পালন করার। জনসংযোগ বিভাগ সম্পর্কে তিনি জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাধারণত দেখা যায় জনসংযোগ বিভাগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। তিনি আরও বলেন, ‘ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ হয়। এই সময়ে সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক অনেক কাজ করেছি যার মধ্যে আছে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম আলোর গণিত অলিম্পিয়াড। এই কাজটি সূচনা আমার হাতে।

এ ছাড়াও গ্রামীণ শাখাগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ সেবা প্রদান করত ডাচ-বাংলা ব্যাংক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ সেবা কর্মসূচি করা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান কর্মসূচিও আমাদের ছিল।’ এরপর সুুযোগ হয় ঢাকা ব্যাংকে কাজ করার। কাজের ব্যপ্তি আরও বেড়ে গেলো নতুন নতুন কাজ হাতে নিতে শুরু করেন। তিনি জানান, ঢাকা ব্যাংকে সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজটা একটু কম ছিল তবে কর্পোরেট ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ বেশি করতে হয়েছে। প্রকাশনা, টেলিভিশন কমার্শিয়াল, প্রিন্ট মিডিয়া, ওয়েব মিডিয়া, বার্ষিক রিপোর্ট, পুস্তিকাসহ সকল জনসংযোগমূলক কাজগুলো করতে হয়েছে। বর্তমান কর্মস্থল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে যোগদান করার সুযোগ হয়।

এখানে দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। জনসংযোগ, মার্কেটিং এবং ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন একসাথে এই দায়িত্বগুলো পালন করতে হচ্ছে।’ ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনের কাজ হচ্ছে মূলত ব্যাংকের সেবার সম্প্রসারণ করা। বর্তমান প্রতিষ্ঠানে তার অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি যখন যোগদান করি তখন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখা ছিল ৫২টি যা বর্তমানে ১৪৮-এ পৌঁছেছে। ‘স্কুল ও কলেজ লেভেলে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য রয়েছে আমারদের ব্যাংকিং সেবা। নতুন যারা এই পেশায় আসতে চায় তাদের জন্য সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। পৃথিবীজুড়ে একটা কথা আছে-নলেজ ইজ পাওয়ার, আর এখন বলাহয় নেটওয়ার্কই ইজ পাওয়ার। এখনকার ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অনেক বেশি। যে যত সুন্দরভাবে বলতে পারবে সে তত বেশি সফলতা পাবে। আমি অনেক কিছু জানি কিন্তু বলতে পারছি না, তাহলে তো হবে না। আমি কী জানি সেটা বড় নয়, স্থান, কাল, পাত্রভেদে বলার পারদর্শিতা আছে কি না সেটাই বড় ব্যাপার।’ এ যুগের ছেলে মেয়ে ইন্টারনেট চালাতে পারদর্শী। ইন্টারনেটের ভালো দিকগুলো ব্যবহার করলে জ্ঞান আরও বাড়বে। বর্তমান সময়ে কেউ মার্কেটিং পেশায় আসতে চাইলে সে অনেক বেশি কন্ট্রিবিউট করতে পারবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘সবসময় কাজের মনোভাব নিয়েই কাজ করতে হবে। অফিস টাইম হিসেব করে এ পেশায় কাজ করা যায় না। এই পেশায় কাজ করলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ব্যাপারটা তেমন না। যেটা দরকার, নিজে নিজের কাজের প্রতি সজাগ থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।’ কাজের মধ্যদিয়ে এ যুগের ছেলেমেয়েরা মানুষের ভ্রান্ত ধারণাগুলোকে পাল্টে দিতে পারে তাদের সফলতা ও কাজের দৃষ্টান্ত দিয়ে, এমনটাই মনে করেন তিনি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top