শিরোনাম

সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ ও আমেরিকায় মেডিক্যাল পড়াশোনা | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ সাইপ্রাসে পড়াশোনা ও কাজ | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - আসুসের নতুন অষ্টম প্রজন্মের মাদারর্বোড বাজারে | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ক্লাউড কম্পিউটিং মেলায় অংশ গ্রহন করছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - পাতায়া ভ্রমনের স্বপ্ন পূরণ | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - বৃৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত বই পড়া প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সামিট ও অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ |
প্রথম পাতা / সোশ্যাল মিডিয়া / পোশাক নিয়ে ফতোয়া এবার ফেসবুকেও!
পোশাক নিয়ে ফতোয়া এবার ফেসবুকেও!

পোশাক নিয়ে ফতোয়া এবার ফেসবুকেও!

010313jakerbark_kalerkantho_pic
ফেসবুকের অফিসে নারীরা খুব বেশি খোলামেলা পোশাক পরে আসতে পারেন না। কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশ, এমন পোশাক পরবেন না, যাতে সহকর্মীর নজর আপনার দিকেই আটকে থাকে। খোদ জাকারবার্গের সাম্রাজ্যে এমনই ফতোয়া চলে বলে দাবি প্রাক্তন ফেসবুক কর্মী অ্যান্তেনিয়ো গার্সিয়া মার্টিনেজের। সম্প্রতি ‘‌ক্যায়োস মাঙ্কিস’‌ নামে একটি বই লিখছেন তিনি। সেখানেই উল্লেখ করেছেন, তাঁর কর্মজীবনে দেখেছেন, ফেসবুক সংস্থার মানবসম্পদ কর্মকর্তা এসে নারী কর্মীদের উপদেশ দেন বেশি ছোট পোশাক না পরতে।  যুক্তি ছিল, পোশাকের জন্য পুরুষ সহকর্মীদের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটবে। ফতোয়া পরে যদি কোনো নারী কর্মী অফিসে খোলা পোশাক পরে আসতেন, তাঁকে নিজের ঘরে ডেকে নিতেন তিনি। পোশাকের বিষয়ে নানা রকম উপদেশ দেওয়া হত সেই কর্মীকে। এই নাকি ছিল নিয়ম। মার্টিনেজের মতে, নারী কর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করলেও, শেষ পর্যন্ত খুব একটা কমেনি লিঙ্গবৈষম্য।
এখনও নানাভাবে মানসিক চাপ তৈরি করা হয় কর্মীদের ওপর। উদাহরণ, একবার এক কর্মী ফেসবুকের একটি নতুন ফিচার নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছিলেন। তার পরে তাঁকে নিয়ে প্রত্যেক কর্মীর কাছে ই-মেল করেন জাকারবার্গ। সেই মেলের সাবজেক্ট লাইনে লেখেন, ‘প্লিজ রিজাইন’‌। শুধু মুখ খোলার জন্যই ফেসবুকের দল থেকে একঘরে করা হয়েছিল ওই কর্মীকে।
যদিও কয়েকদিন আগে ফেসবুকের পক্ষ থেকে একটি ব্লগে জানানো হয়, ‘‌সারা বিশ্বের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ জড়িত ফেসবুকে। তাই সংস্থার নীতি নির্ধারণে যত বেশি বৈচিত্র্য থাকবে, ততই লাভ।’‌ কিন্তু সে লক্ষ্যে সংস্থা এখনো পৌঁছতে পারেনি। বরং এখনও ফেসবুকের কর্মীদের মধ্যে বেশিরভাগ সাদা চামড়ার মানুষ ও এশিয়ার মানুষ। নারী কর্মীর সংখ্যাও খুবই কম।‌

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top