শিরোনাম

সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ ও আমেরিকায় মেডিক্যাল পড়াশোনা | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ সাইপ্রাসে পড়াশোনা ও কাজ | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - আসুসের নতুন অষ্টম প্রজন্মের মাদারর্বোড বাজারে | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ক্লাউড কম্পিউটিং মেলায় অংশ গ্রহন করছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - পাতায়া ভ্রমনের স্বপ্ন পূরণ | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - বৃৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত বই পড়া প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সামিট ও অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ |
প্রথম পাতা / টেলিকম / প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের মধ্যেও গ্রামীণফোনের সার্বিক সাফল্য
প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের মধ্যেও গ্রামীণফোনের সার্বিক সাফল্য

প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের মধ্যেও গ্রামীণফোনের সার্বিক সাফল্য

gpগ্রামীণফোন ৬ কোটি ১৬ লক্ষ স্বক্রিয় গ্রাহক নিয়ে ২০১৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষ করেছে, যা ২০১৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে ২.৯% বেশি। ডাটা গ্রাহকের সংখ্যা ২ কোটি ৭০ লক্ষ হওয়ায় গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকের শতকরা ৪৩.৯ ভাগ বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে গ্রামীণফোন ৩২৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে যা প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ৫.৮% বেশি।

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন,”এই প্রান্তিক খুবই প্রতিযোগিতামূলক ছিল, বিশেষ করে গ্রাহক যোগ করার দিক থেকে। এই পরিবেশে থেকেও আমরা ডাটা এবং ভয়েস উভয় খাতেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছি।”

কর প্রদানের পর এ্ই প্রান্তিকে নেট মুনাফা হয়েছে ৭৯০ কোটি টাকা। উচ্চতর রাজস্ব এবং পরিচলন দক্ষতার ফলে ইবিআইটিডিএ (অন্যান্য আইটেমের আগে) ১৯৯০ কোটি টাকা। এই প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫.৮৭ টাকা।

গ্রামীণফোনের সিএফও দিলীপ পাল বলেন, “এই প্রান্তিকে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি এবং আয় বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি আর দক্ষতার প্রতি আমাদের বিশেষ মনোযোগের বহিঃপ্রকাশ।’ তিনি আরো বলেন,” আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে গ্রামীণফোনের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস পরিশোধিত মূলধনের শতকরা ১০৫ ভাগ অন্তবর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।”

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি আরো বলেন,”ব্যবসায়িক পরিবেশ, বিশেষ করে রেগুলেটরি ব্যবস্থা ও স্থানীয় করনীতি ব্যবসায়িক সাফল্যকে ম্লান করে দিচ্ছে। আমরা আশাবাদী যে ৪জি লাইসেন্স, স্পেকট্রাম নিউট্রালিটি/নিলাম, পুরানো সিম ট্যাক্স এর দাবি এবং গ্রাহকের সেবা ব্যবহারের উপর কর এর মতো বিষয়গুলো নিয়ে সরকার ও আমাদের শিল্পের মধ্যে অর্থপূর্ণ সংলাপ বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো দৃশ্যমান পরিবেশ ও গ্রাহকদের জন্য সুলভ সেবার পথ সুগম হবে। ” তিনি আরো বলেন,”মোবাইল শিল্প বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্র একটি  সাফল্যের দৃষ্টান্ত। এই শিল্পে আরো বৈদেশিক বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহীদের জন্য বিষয়টিকে আকর্ষনীয় রাখতে আমাদের সকলের মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

গ্রামীণফোন লিঃ এই প্রান্তিকে ৩জি ও ২জি কাভারেজ বিস্তারে এবং গ্রাহকের অভিজ্ঞতা উন্নয়নে ৩৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।এই সময়ে ১৪১টি ২জি এবং ২২৫টি ৩জি বেস স্টেশন (বিটিএস) নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে, ফলে মোট ২জি  বিটিএস এর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১২৩৬৩টি এবং ৩জি বিটিএস ১১,৫৫৭টি। এই প্রন্তিকে কোম্পানি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে কর, ভ্যাট, শুল্ক ও লাইসেন্স ফি আকারে  ১৬৪০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে, যা মোট রাজস্বের ৫০.৬ ভাগ

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top