শিরোনাম

মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - কে করবে অস্ত্রোপচার ? | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - আসছে স্যামসাংয়ের নতুন ট্যাব | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - চেক লেখার সময়ে এই ভুলগুলি করলেই ফাঁকা হবে অ্যাকাউন্ট! | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - জিওনির কম বাজেটের নতুন স্মার্টফোন | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - নিটল ইলেকট্রনিক্স এর শোরুম এখন সিলেটে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - সীমান্তে অবৈধ টাওয়ার, ১৭ কোটি টাকা জরিমানা গুনতে হবে বাংলালিংককে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - টাকা ওঠাতে চার্জ বেশি নিচ্ছে বিকাশ | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - এরিকসনে বিনা নোটিশে ৫০ কর্মী ছাঁটাই করায় অবরুদ্ধ শীর্ষ কর্মকর্তারা | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - যে অ্যাপ বাধ্য করবে সন্তানদের সাড়া দিতে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - মোজিলা ফায়ারফক্সের প্রয়োজনীয় কিছু কীবোর্ড শর্টকাট |
প্রথম পাতা / অফবিট / প্রযুক্তির অতি ব্যবহারে শিশুরদের ক্ষতি
প্রযুক্তির অতি ব্যবহারে শিশুরদের ক্ষতি

প্রযুক্তির অতি ব্যবহারে শিশুরদের ক্ষতি

technologyবাবা-মা স্মার্টফোন দিতে অস্বীকার করায় ৯ বছর বয়সী এক শিশু ছুরি দিয়ে নিজেই নিজের শরীরে আঘাত করেছে। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে।
ফর্টিস ন্যাশনাল মেন্টাল হেলথ কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন ও কনসালট্যান্ট ড. সামির পারিজ -এর মতে বর্তমানে শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে শিশুরা সহজেই বিভিন্ন ডিভাইস পরিচালনায় পারঙ্গম হয়ে উঠছে। তার মতে শিশুদের ডিভাইস ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে ব্যস্ত রাখার একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা আজকাল বাবা-মায়েদের মধ্যে বেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাবা-মায়েদেরকে বিভিন্ন অডিও-ভিজুয়াল সাহায্য করছে তাদের সন্তানদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে। কিন্তু এই সাময়িক স্বস্তি তাদের দীর্ঘমেয়াদে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

ম্যাক্স গ্রুপ হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ড. সমীর মালহোত্রার মতে শিশুর ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির সময়টুকুতে এই শহুরে জীবনযাত্রা এবং প্রযুক্তির আগ্রাসন একটি প্রাণঘাতী ভূমিকা পালন করছে।
বেশিরভাগ বিদ্যালয়ও ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের অত্যধিক ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে এবং বিদ্যালয়ে মোবাইলফোন আনার ক্ষেত্রে শিশুদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি অবলম্বন করছে। কলকাতার স্কুল শিক্ষক পৌলমি পোদ্দারের মতে, শিশুরা তাদের পিতা-মাতার কাছ থেকেই এই অভ্যাসগুলো পায়। তারা দেখে তাদের বাবা-মায়েরা বেশিরভাগ সময় ফোনে ব্যস্ত থাকছে।
তিনি বলেন, একটি স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে আনন্দ পাওয়া যায় তার চেয়ে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক বেশি। বাবা-মায়েরা তাদের ছেলে-মেয়েদের ব্যস্ত রাখার জন্য তাদের হাতে ফোন তুলে দিচ্ছে। বরং এর পরিবর্তে তাদের উচিত সন্তানদেরকে দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মসূচিতে অংশ নিতে উৎসাহিত করা।

এক্ষেত্রে নিবিড়ভাবে সন্তানের সমস্যাগুলো জানা, তার জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা, মোবাইল ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া এবং গঠনমূলক শখকে উৎসাহিত করা। এসবই তাদেরকে এই আসক্তি থেকে দূরে রাখার ভাল উপায় বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন মোবাইলফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। পরিবারের সদস্যদের বন্ডিংয়ের জন্য সময় দিতে হবে। বাবা-মা হিসেবে যে ভূমিকা পালন করার কথা তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। তার মতে গ্যাজেট আসক্তি নিয়ন্ত্রণ করার এখনই উপযুক্ত সময়।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top