শিরোনাম

শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - ভিসি ও ডিন্স সার্টিফিকেট পেলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির ২৪০শিক্ষার্থী | শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - দারাজের গ্রোসারি পণ্যে ৩৫% পর্যন্ত ছাড়! | শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - মনিটর কিনলেই পাচ্ছেন আর্কষনীয় টি-শার্ট  | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - রবি ও ট্রমা ইনস্টিটিউটের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - দেশের বাজারে হুইনের তারবিহীন কিউ১১কে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট উন্মোচন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফক্সকন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - স্মার্ট টেকনোলজি ও সিভিল এভিয়েশনের চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফিরে আসছে সিটিসেল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - আসছে স্মার্ট রিং |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / প্রযুক্তির দুনিয়ায় দৈবধন অর্জনকারী বাংলাদেশি ইমরান খান
প্রযুক্তির দুনিয়ায় দৈবধন অর্জনকারী বাংলাদেশি ইমরান খান

প্রযুক্তির দুনিয়ায় দৈবধন অর্জনকারী বাংলাদেশি ইমরান খান

imraan-snapchat

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রে যান পড়াশোনা করতে। সেখানে কলোরাডোতে তিনি ইউনিভার্সিটি অব ডেনভার্সের ড্যানিয়েলস কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে গ্র্যাজুয়েশন করেন। ২০১৫-এর শেষের দিকে তিনি স্নাপচ্যাটে যোগ দেন এবং এখনো সেখানেই কর্মরত আছেন। নিজের মেধা এবং মননের সম্মিলনে ইমরান সাফল্যের দুয়ারে পৌঁছেছেন।
স্নাপচ্যাটের মাদার কোম্পানি স্নাপ ইনক তার কিছু সংখ্যক বিক্রয় অধিকারিদের কাছে যায় যারা পাঁচ বছরের মধ্যে শূণ্য থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হয়ে দৈবধন প্রমাণ করবে। ইমরান খান বলেন,‘অসম্ভব্য এক সত্য যে, কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী ২ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত মাত্র দুই বছরে শুধুমাত্র স্নাপে বিনিয়োগ করা হয়েছে ১৪৫ মিলিয়ন ডলার। আইপিও মূল্যে সেগুলোর দাম সম্ভবত আরও বেশি হবে।’ এবং সে গতবছর বোনাস হিসেবে দিয়েছে ৫ মিলিয়ন ডলার। একজন ব্যক্তির জন্য খারাপ না যারা অল্পদিন আগেও এ নিয়ে কাজ করেছে। এভাবেই তার উত্থানের দেয়াল গঠিত হয়েছে, বর্ণনা করেন খান। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে খান, স্নাপে যোগদান করেন পাবলিক ইনিশিয়াল অফার নিয়ে কাজ করার জন্য। বিক্রয়, বিপণন, রাজস্ব, ব্যবসা প্রসারিত করার জন্য তাকে কাজ করতে হয়েছে। তাকে আনা হয়েছিল ক্রেডিট স্যুইস থেকে। ২০১৪ সালে তিনি আলিবাবা গ্র“পের বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ ও ব্যাংকিং এর প্রধান ছিলেন। চীনা ই-কমার্স সাইট আলিবাবা গ্র“পে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং এ বৃহত্তর ভূমিকার জন্য সারাজীবন পরিচিত হয়ে থাকবেন। যখন স্নাপ তার পদক্ষেপের খবর শিরোনাম করেছে যে, খান শুধু মাত্র উত্থানের দেয়াল নয় সে প্রযুক্তির প্রান্তরে সফল উদ্যোক্তা।

imraan-snapchat1অ্যান্থনি নোটো গোল্ড ম্যান শ্যাসের প্রযুক্তি বিষয়ক ব্যাংকিং প্রধান। পূর্বে তিনি টুইটারের অর্থ বিভাগের প্রধান ছিলেন। একজন কৌশলগত চিন্তাবিদ ইমরান খান জানান, তার কর্মজীবনে ব্যবসায়িক কাজে ৬ জন কর্মকর্তা যারা তার কর্মের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরাসরি কাজ করেছেন। এই গল্পের জন্যে কাউকে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করতে হবে না। কিন্তু খান এই গল্পে আলাদা মন্তব্য করেছেন। খানের কর্মজীবনে সে একটি ডাচ ব্যাংকে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে ছিল। অবশেষে চলমান ব্যাংকিং প্রযুক্তি ক্রেডিট স্যুইস জেপি মর্গান বিক্রির আগে একটি গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ চালিয়ে ছিল। সহকর্মীদের বর্ণনা অনুযায়ী উচ্চবিলাসী ও কৌশলগত কর্মজীবন তিনি পছন্দ করতেন। যদিও বলা যায় অধিকাংশ সময়ে বন্ধুত্বপূর্ণ চলাচল করতেন তবুও স্পষ্ট যে, অনলাইন ব্যাংকিং ও কারিগরি শিল্প গবেষণা করে, বিশ্লেষন করে ধনকূপে পরিনত হয়েছে। উদাহারনস্বরূপ এক ব্যাক্তি বলেছেন, ‘খান অন্যকে সহযোগিতার দিক দিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যাংকিং গবেষণা তাকে ধণীতে রুপান্তর হতে সহযোগিতা করেছে।’ ২০১৪ সালের পূর্বে আলিবাবার বিক্রয় ও বিপণন দেখে খানের পুরোনো সহকর্মীরা হিংসার তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। যাতে খান তার চাকরি থেকে বরখাস্ত বা সে রকম কোনো ঝামেলায় জড়ায় এমন ধারনা কারেন ইমরান খান। ইমরান খান সম্পর্কে ডেনভার ইউনিভার্সিটির ওয়েব পেইজে অনেক কিছু আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রে যান পড়াশোনা করতে। সেখানে কলোরাডোতে তিনি ইউনিভার্সিটি অব ডেনভার্সের ড্যানিয়েলস কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে গ্র্যাজুয়েশন করেন। ২০১৫-এর শেষের দিকে তিনি স্নাপচ্যাটে যোগ দেন এবং এখনো তিনি সেখানেই কর্মরত আছেন। নিজের মেধা এবং মননের সম্মিলনে ইমরান সাফল্যের দুয়ারে পৌঁছেছেন, কিন্তু ইমরানের মতো আমেরিকায় থাকা অনেক বাংলাদেশি সফল তরুণ বা পড়–য়াদের ভবিষ্যৎ তখন অনিশ্চয়তার মুখে।

আইটি, বিজ্ঞান বা উচ্চতর গবেষণার কাজে যারা আমেরিকায় আছেন, তাদের অনেকেরই হতাশায় কাটছে এই সময়টা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পর দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে ৭টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের আটকের ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিন পার করছে প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণেরা। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতেও ভয় পাচ্ছেন তারা। ইমরান প্রথমদিকে কাজ করতেন এক সামান্য ‘বাকেট রিসার্চ’ প্রতিষ্ঠানে। সেখান থেকে উঠে এসে কাজ করেছেন আলীবাবা গ্র“পে, যা পৃথবীর অন্যতম বৃহৎ একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। সেখান থেকেই স্নাপচ্যাটে যোগ দেন ইমরান। স্নাপচ্যাটকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অনেক জায়গায় কাজ করেছেন। ২০১৫ সালে তিনি স্নাপচ্যাটে যোগ দেন মূলত স্নাপকে মানুষের কাছে সঠিকভাবে উপস্থাপন করার জন্য, যদিও তার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ছিল ব্যবসার প্রসার ঘটানো এবং বিজ্ঞাপন বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা।
imraan-snapchat2তার সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার সহকর্মীরা তাকে উচ্চাকাঙ্খী এবং সুকৌশলী বলে উল্লেখ করেন। তারা জানান, ইমরান খান তার ক্যারিয়ার খুবই যত্ন সহকারে তৈরি করেছেন। তিনি খুবই কৌশলী চিন্তাবিদ বলে তারা মন্তব্য করেন। তাদের মতে সে জেপি-মরগানের রিসার্চ লিস্টে স্থান অধিকার করেছিলেন শুধু এই কারণে নয় যে, তিনি খুবই স্মার্ট, বরং এই কারণে যে, তিনি জানেন কী করে সিস্টেমকে কাজে লাগাতে হয়। ইমরান মানুষের সঙ্গে দ্রুত মিশে যেতে পারেন বলে তার সহকর্মীরা জানান। তারা আরও জানান, তিনি জানেন কী করে সঠিকভাবে মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়। তার কার্যগত নীতি আর কাজের প্রতি উদ্দীপনাই তার উপরে ওঠার মূলমন্ত্র। ইমরান খানের একান্ত কিছু কথা উদীয়মান যে কৌশলগত চিন্তা দিয়ে চীনা কোম্পানির সঙ্গে খান তার সম্পর্ক গড়ে ছিল, ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন মানুষ দলে দলে মার্কিন আইপিও বাজারে আসতে শুরু করে এই সঙ্গের তার জীবনের বড় পরিবর্তন হয়। ছয় বছর পর তার কোম্পানিতে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে জেপি মর্গানের সঙ্গে গ্রহনযোগ্যতার প্রতিযোগিতা হয়। আলিবাবার কো-ফাউন্ডার জো সাই ও আরও তিন জন বলেন, খান একজন ব্যাংকার যিনি ক্রেডিট স্যুইস সম্পর্কে মানুষকে উৎসাহিত করতে পারেন। তারা ব্যর্থ ছিল যারা এই সিস্টেমকে রুপান্তর করেছে। অপর এক ব্যক্তি বলেন, ইমরান আরও বাণিজ্যিক ছিল, সে নিজেকে ব্যাংকার অনুভব করে এটা তার পোশাকআশাক গবেষণা করে ধারণা করা হয়েছে।

ইমরান খান সম্পর্কে অন্যরা যা বললেন খানের তরি ও চাইনিক কোম্পানি মার্কিন বাজারে ফিরে আসার সঙ্গে ক্রেডিট স্যুইস এর মূল প্রতিষ্ঠান অবতরন করতে শুরু করে। প্রযুক্তি ব্যাংকের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে খান আইপিও গ্রুপ এ কাজ করতে শুরু করে। যদিও চীনা কোম্পানি ওয়েইবো ও টোডোতে চেয়ে আলিবাবা বিনিয়োগ ২৫ বিলিয়ন বেশি। আরএক ব্যাক্তি বলেন, ‘ইমরান মানুষের সামনে খুব ভালো, সে নমনীয় , সে স্মার্ট এবং মানুষের সাথে খুব দ্রুত সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’ আর এক ব্যাক্তি বলেন,‘ তিনি কাজ ও শক্তির স্তর’ যে ছিল তালিকার বাইরে, সে তার কৃতিত্ব ও সাফল্য নিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে।’ আলিবাবার ক্রেডিট স্যুইস পেশাদারী নেতৃত্বেদানের কারণে খান অনেক কিছু অর্জন করেন। যখন তিনি স্নাপে চলে গেলেন ওয়ার্ড স্ট্রিট জার্নাল তাকে কারিগরি মহাজন তারকা বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু তিন ব্যক্তি বলেছিলেন, সে জোর করে অনেক মর্জাদা পাচ্ছে। ব্যবসার ভিতরগত দিক পরিবর্তন তার দায়িত্ব। আলিবাবার চেয়ে ক্রেডিট স্যুইস এর সাথে ইমরানের সম্পর্ক অনেক পুরানো। বিক্রম মনোত্রা বলেন,ইমরান খান আগমনের পূর্বে এশিয়া প্যাসিফিক বিনিয়োগ ব্যাংকের প্রধান এবং বুন সিমস একত্রে তারা বিশ্ব সেরা ছিল। মনোত্রা বলেন ক্রেডিট স্যুইস বিজয়ী ব্যবসায়ীর শরীরে প্রবাহিত রক্ত আর পূর্ববর্তীদের রক্ত কারোটাই খারাপ না। অপর আর এক ব্যাক্তি বলেন, ‘দুই ব্যাংকার চুক্তিতে হাতে হাত রেখে কাজ করেন, প্রতিদিন কথা বলেন এবং তারা পরস্পরে ঘনিষ্ট হয়।’ মনোত্রা ব্যতীত আর এক ব্যক্তি বলেন,‘ইমরান বেড়িয়ে এসেছে কারণ, সে সেই ব্যাক্তি যার উপর স্পট লাইটের আলো পরেছে।’ খানের সেই দক্ষতা আছে যা দিয়ে সে নিজেকে চুক্তির ভিতরে রাখতে পারে। তার একটি মনোভাব হলো ‘সকল সুযোগকে খুজে বেড় করা এবং সেই সুযোগকে যথা সময়ে কাজে লাগানো।’স্নাপচ্যাটে আসার পর সে আরও বেশি ব্যক্তিগত হয়েছে। এক ব্যক্তি বলেন, ‘স্নাপচ্যাটের সিইও ইভান স্পিজেল তার নির্জনতা লক্ষ করেন।’

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top