শিরোনাম

রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - খুলনায় দুইদিনের বেসিক আরডুইনো কর্মশালা অনুষ্ঠিত | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ঢাকা মহিলা পলিটেকনিককে স্যামসাং এর পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ল্যাব হস্তান্তর  | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - সিডস্টারস ঢাকায় দেশের সেরা স্টার্টআপ সিমেড হেলথ | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহারের উপায় | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আসছে নকিয়ার আরও দুই ফোন | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ফেসবুকের পাঁচ মজাদার অপশন যা জানেন না অনেকেই | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - প্যাটার্ন লকও নাকি অনিরাপদ! | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - ৭-১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডস ২০১৭ |
প্রথম পাতা / স্থানীয় খবর / প্রোগ্রামিংয়ে ভালো করতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-পলক
প্রোগ্রামিংয়ে ভালো করতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-পলক

প্রোগ্রামিংয়ে ভালো করতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-পলক

“দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বেশি বেশি প্রোগ্রামার তৈরি করতে হবে। দেশে যত বেশী প্রোগ্রামার তৈরি হবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কার্যক্রম তত জোরালো হবে। তাই ব্যক্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে আজকের এই সম্মাননা। আমরা চাই বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত এগিয়ে যাক। এগিয়ে যাক আমাদের তারুণ্য।” তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মানিত সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে আজ সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ১৯৯৮ সাল থেকে আইসিপিসি ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সম্মননা ও প্রণোদনা এবং এবারের ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্সে অংশগ্রহণকারীদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী  জুনাইদ আহমেদ পলক এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী সম্মননা ও অনুদান প্রাপ্তদের অধ্যাবসায়ী হওয়া এবং ইংরেজি শিক্ষার প্রতি জোর দিতে আহবান জানিয়ে বলেন, “প্রোগ্রামিং কনটেস্ট একটি কো-কারিকুলারএক্টিভিটি। এখানে সফল হতে হলে চায় দ্রুত ও নিখুত কোডিং, জটিল সমস্যা সমাধান করার সক্ষমতা, ধৈর্য্য, অধ্যাবসায়, ভালো টিম ওয়ার্ক, চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে সমস্যা সমাধানের ঝোঁক এবং সর্বোপরি  ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা।”এখন থেকে এই সম্মননা ও সরকারের তরফ থেকে সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ সময় সবাইকে একযোগে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনিমার্ণে কাজ আহবান জানান।
প্রোগ্রামিংয়ে ভালো করে আধুনিক ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন “গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফটের মতো বড় বড় কোম্পানীগুলো ভালো প্র্রোগ্রামিং জানা তরুণ-তরুণীদেরকে এবং যারা এসব প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় ভালো করে তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকুরী প্রদান করে থাকে। সেক্ষেত্রে প্রোগ্রামিং জানা আমাদের তরুণ প্রজন্মের ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে। ভালো ক্যারিয়ার সৃষ্টিতে আমরা আপনাদেরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং তা অব্যাহত থাকবে। কারণ আমরা বিশ্বস করি, দেশকে পরিবর্তনের ধারায় এগিয়ে নেবে তরুণরাই। আর তারুণ্যদীপ্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে প্রোগ্রামিং অনন্য ভূমিকা রাখবে।”
acm-ICTD
আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৯৯৮ সাল থেকে আইসিপিসি ও আঞ্চলিক পর্যায়ে শীর্ষস্থান অধিকারী বিভিন্ন টিমের ৮০ জনকে সম্মননা প্রদান করা হলো। এছাড়াও, এবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন টিমের প্রত্যেককে ৫০,০০০ টাকা করে প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্সে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগাতে তাজিকিস্থানে অনুষ্ঠিতব্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের রাউন্ড-ট্রিপে বিমান ভাড়া ও দৈনন্দিন ব্যয় বাবদ মোট ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সবচেয়ে বড় প্রোগ্রামিং আয়োজনের নাম হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট বা আইসিপিসি। আইসিপিসি’র মূল আয়োজক হচ্ছে এসোসিয়েশন অব কম্পিউটার মেশিনারিজ বা এসিএম। এজন্য এই আয়োজনকে একসাথে এসিএম-আইসিপিসি বলে। আইসিপিসি মূলত দুইটি ধাপে আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রথম ধাপ আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা বা রিজিওনাল কনটেস্ট এবং দ্বিতীয় ধাপ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ বা ওয়ার্ল্ড ফাইনালস । বর্তমানে অনেক জায়গায় আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আগে অনলাইনে একটি বাচাই প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হয়ে থাকে। এসব প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক বা একাধিক দল অংশগ্রহণ করতে পারে। আরো উল্লেখ্য যে, আইসিপিসিতে অংশ নিতে হলে কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষার্থী হতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। প্রোগ্রামিং জানা যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন বিভাগের শিক্ষার্থী হলেই এতে অংশ নেয়া যায়। সেক্ষেত্রে ৩ জন মিলে একটি দল করেই অংশ নিতে হয়। মূল প্রতিযোগিতায় প্রতিটি দলকে দেয়া হয়া হয় একটি কম্পিউটার, এক সেট প্রোগ্রামিং সমস্যা ( ৯টি থেকে ১২ টি) এবং সে সমস্যাগুলো সমাধানে ৫ ঘন্টা সময়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে দল সবচেয়ে বেশি সমস্যা সমাধান করতে পারে তারাই বিজয়ী হয়। সমান সংখ্যাক সমস্যার সমাধান করলে যারা কম সময়ে সমাধান করেছেন এবং যাদের পেনাল্টি কম (সমাধান ভূল হলে ২০ মিনিট পেনাল্টি) তারা র‌্যাঙ্ক লিস্টে উপরে থাকে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ একবারই সেরা ২০ দলের মধ্যে অবস্থান নিশ্চিত করতে পেরেছিল, তা ১৯৯৯ সালে। সেবার বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে সেরা ২০ দলের মধ্যে ১১তম স্থান নিশ্চিত করেছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ১৯৯৮ সাল থেকে আইসিপিসি’র ওয়ার্ল্ড ফাইনালসে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকলেও এবারই প্রথম সরকারি উদ্যোগে এ ধরণের সম্মননা, প্রণোদনা ও অনুদান প্রদান করা হলো।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top