শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - পাকিস্তানের টাওয়ার কোম্পানি অধিগ্রহণ করছে ইডটকো | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - নোকিয়া ৯ স্মার্টফোনে ৬জিবি এবং ৮জিবি র‌্যাম | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - চীন বানাল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - পদত্যাগ করলেন উবার প্রধান | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - আসছে উড়ন্ত গাড়ি | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - রাজধানীতে ভিক্ষাতে প্রযুক্তির ছোয়া | বৃহস্পতিবার, জুন 22, 2017 - স্মার্টফোন থেকে মুছে যাওয়া ছবি ফিরে পেতে করনীয় | বুধবার, জুন 21, 2017 - সাকিব আল হাসান ও হুয়াওয়ে ভক্তদের চীন সফর | বুধবার, জুন 21, 2017 - নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেটের উন্নততর মানের সূচনা | বুধবার, জুন 21, 2017 - জিপিহাউজে টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম নিয়ে রোড শো অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / কর্পোরেট স্পেশাল / বন্ধ মোবাইলফোনের সিম রিপ্লেস হচ্ছে
বন্ধ মোবাইলফোনের সিম রিপ্লেস হচ্ছে

বন্ধ মোবাইলফোনের সিম রিপ্লেস হচ্ছে

হিটলার এ. হালিম:দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মোবাইলফোনের সিম নতুন মোড়কে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। আর তা জন্ম দিচ্ছে নতুন নতুন ঘটনা। বিক্রেতাদের কাছ থেকে ওই সিম কিনে ক্রেতা চালু করতে গেলেই বাধছে বিপত্তি সিমের মালিকানা দাবি করে বসছে আরেকজন, যিনি সিমটি আগে কিনেছিলেন। এই অসাধু কারসাজির কারণে ক্রেতা নিজের অজান্তেই সিম বিষয়ক জটিলতার ফাঁদে পা দিচ্ছেন।
অন্যদিকে একজনের সিম অন্যজন মালিক সেজে কাস্টমার কেয়ার থেকে তুলে নিচ্ছে প্রতারকরা। মোবাইলফোন ব্যবহারকারীরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। মোবাইলফোন অপারেটররা বলেছেন, ‘এমনটা হওয়ার কথা নয়।’ কেন এবং কীভাবে ঘটছে তা অপারেটররা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন।
কাজী মোস্তাফিজুর রহমান ব্যবহার করেন রবি সিম। বিশেষ প্রয়োজনে তিনি তার সিমটি কিছুদিন বন্ধ রেখেছিলেন। চালু করতে গিয়ে বিশেষ উপায়ে জানতে পারেন তার সিমটি রিপ্লেস হয়েছে। অথচ কাজটি তিনি করেননি। কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে জানতে, পারেন কেউ একজন তার সিম তুলে নিয়েছে (রিপ্লেস)। মোস্তাফিজ জানান, তার নম্বরটি থেকে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করা হয়েছে, তার ই-মেইল ঠিকানা হ্যাক করা হয়েছে। ফেসবুক আইডি পরিবর্তন করা হয়েছে। সিমে সব তথ্য সংরক্ষণ করায় এই বিপত্তি। তিনি এর প্রতিকার চেয়ে দীর্ঘদিন রবি কর্তৃপক্ষের শরনাপন্ন হয়েছেন কিন্তু এখনো সমস্যার কোনো বিহিত হয়নি। শুধু এ দুটোই নয়, এরকম অনেক ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অহরহ এ ধরনের ঘটনা ঘটায় সামাজিক বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছেন অনেকে। তাদের মতে, আগে নিবন্ধনবিহীন সিম বিক্রি করার ফলে এখনো অনেকের কাছে ওই সিম রয়েছে। যেসব সিমের বেশিরভাগ ব্যবহার হয়েছে অকাজে। অকাজে ব্যবহার হওয়া সিমের অধিকাংশই বর্তমানে বন্ধ। সেইসব সিম নতুন করে বাজারে এলে তা কিনে ফেঁসে যেতে পারেন নতুন ক্রেতা। অপরাধ না করেও অভিযুক্ত হতে পারেন অপরাধী হিসেবে ।
রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মোজাহেদুল ইসলাম বছর খানেক আগে ইস্কাটনে তার পরিচিত একজনের (খুচরা মোবাইল সিম বিক্রেতা) কাছ থেকে একটি গ্রামীণফোনের সিম কেনেন। প্রথম প্রথম কিছুদিন সিমটি ব্যবহার করলেও পরবর্তীতে একটানা ২-৩ মাস বন্ধ রাখেন। এর পর চালু করতেই এক ভদ্র মহিলা তাকে ফোন করে গালাগাল করতে থাকেন। ভদ্র মহিলার অভিযোগ, নম্বরটি তার। বিপদে পড়েন মোজাহেদুল ইসলাম। বাজার থেকে নতুন সিম কিনে একি বিপত্তি। ঝামেলা এড়াতে তিনি তাড়াতাড়ি সিমটি মোবাইল থেকে খুলে রাখেন। তিনি বললেন, ‘পরে আমি আর ওই নম্বরটি নিবন্ধন করতে পারিনি।’ তিনি জানালেন, ইস্কাটনের যে দোকান থেকে তিনি সিমটি কিনেছিলেন সেই ব্যবসায়ী তাকে জানিয়েছেন এরকম আগেও একাধিকবার ঘটেছে।
দেশের একটি জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিকে কর্মরত রাশেদ বাবু জানালেন তার এক আÍীয় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা তারই মোবাইলফোন নম্বরটিতে ফোন দিলে জানতে পারেন নম্বরটি অন্য একজন ব্যবহার করছেন। নতুন ব্যবহারকারীর কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন তিনি সিমটি নতুন কিনেছেন। রাশেদ বাবুর আÍীয় হতভম্ব হয়ে পড়েন বিষয়টি জানতে পেরে। সংশ্লিষ্ট মোবাইলফোন কোম্পানিতে তিনি বিষয়টি জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। বরং অভিযোগকারী নিজেই পদে পদে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
শুধু এ তিনটি নয়। এ রকম শতেক উদাহরণ দেয়া যাবে।
মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, অপারেটররা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সিম আবার বিক্রি করছে। নম্বর থাকছে আগেরটাই। ফলে আগের ব্যবহারকারী মোবাইলে টাকা রিচার্জ করলে তার নম্বরটিও (প্রকৃত পক্ষে একই নম্বর) সচল হয়ে যাচ্ছে।
কোনো কারণে কাস্টমার কেয়ার থেকে সিম তুলতে গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু কাগজ ও তথ্যের শতভাগ নয়, ৭০ ভাগ মিললেই (কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩০ ভাগ) সিম দাবিদারের কাছ থেকে আন্ডারটেকেন নিয়ে দেয়া হচ্ছে রিপ্লেস সিম। পরবর্তীকালে সিমের মূল দাবিদার প্রয়োজনীয় কাগজ ও তথ্য জমা দিলেই ঘটছে বিপত্তি। এ ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ তথ্য ও আন্ডারটেকেন দিয়ে সিম নেয়া ব্যক্তির সিম বন্ধ করে দেয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। এরকম চলতে থাকলে এ খাতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যদিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি প্রকৃত ব্যক্তিকে ছাড়া অন্য কাউকে সিম না দিতে একটি নির্দেশনা জারি করেছে। সম্প্রতি মোবাইলে অর্থসেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ‘এজেন্ট’ সিম রিপ্লেস হয়ে টাকা খোয়া যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি এ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনাটি এখনো সম্পূর্ণভাবে মানা হচ্ছে না বলে জানালেন দেশের শীর্ষ দুই মোবাইল অপারেটরের দুই পদস্থ কর্মকর্তা।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সিম নতুন মোড়কে বাজারে বিক্রি ঘোরতর অন্যায় বলে মনে করেন বিটিআরসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচালক। তিনি বলেন, ‘যিনি একটি সিম কেনেন তিনিই আজীবনের জন্য সিমের মালিক হয়ে যান।’ কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সিমট্যাক্স দিয়েই ক্রেতাকে সিমটি কিনতে হয় (বর্তমানে সিম ট্যাক্স ২০০ টাকা। সিমের দাম বাদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকা সংশ্লিষ্ট অপারেটর পরিশোধ করে)। কিছু দিন বন্ধ থাকার পর যদি কোনো অপারেটর ওই সিমের বিপরীতে বাজারে নতুন সিম ছাড়ে সেটা অবৈধ কাজ হবে বলে ওই পরিচালক মনে করেন। তিনি জানান, এরই মধ্যে অনেক গ্রাহক বিটিআরসিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। বন্ধ থাকা সিম বিক্রি বা মালিক সেজে অন্যকেউ রিপ্লেস সিম তোলার বিরুদ্ধে বিটিআরসি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। বিটিআরসির পরিচালক বলেন, ‘এভাবে যদি কোনো অপরাধী বা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার হওয়া সিম সাধারণ মানুষের হাতে চলে যায় তাহলে তার জন্য কী ধরনের ভয়ঙ্কর অবস্থা অপেক্ষা করছে তা বলাই বাহুল্য।’
জানা যায়, কোনো সিম একটানা ৯০ দিন বন্ধ থাকলেই সিমটি বন্ধ ধরে নেয়া হয়। তখনই সিমটি মোট বন্ধ থাকা সিমের তালিকায় চলে যায়। রিচার্জ করা মাত্রই আবার সিমটি চালু হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে গ্রামীণফোনে যোগাযোগ করা হলে অপারেটরটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বিষয়টির খোঁজ খবর করছি। এক বছর কোনো সিম বন্ধ থাকলে সেটি (নম্বরটি) আমরা সেটি পূণরায় বাজারে বিক্রি করতে পারি যদিও আমরা তা করি না।’ তিনি জানান, বর্তমানে অপারেটরটির প্রায় ৫০ লাখ সিম বন্ধ রয়েছে।
রবির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, একবার বিক্রিত সিম পূণরায় বিক্রি করার কোনো নিয়ম নেই। এটি গ্রাহকের আজীবনের জন্য। তবে মূল মালিক ছাড়া অন্যকেউ সিম রিপ্লেস করছে কীনা সে বিষয়টির প্রতি তারা ভবিষ্যতে আরো কৌশলী হবেন বলে জানান।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, একবার বিক্রির পর যদি কোনো সিমের মালিকানা বদল হয় তাহলে অপারেটরদের সিমট্যাক্স দিতে হবে। এ নিয়মের ফলে বন্ধ থাকা সিম পূণরায় বিক্রি কবে আসতে পারে বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের।
নতুন আতঙ্ক সিম কার্ড হ্যাকিং
এদিকে ওয়েবসাইট, ই-মেইলের মতো সিমকার্ডও হ্যাকিংয়ের শিকার হচ্ছে। এর মাধ্যমে দূর থেকেই সিমকার্ডে সংরক্ষিত যাবতীয় তথ্য বের করে নিতে পারে হ্যাকাররা। সম্প্রতি মার্কিন এক নিরাপত্তা গবেষক দাবি করেছেন, তিনি এমন কৌশল উদ্ভাবন করেছেন যাতে দূর থেকেই সিম কার্ড হ্যাক করে মোবাইলফোনের সিমকার্ডের অবস্থান জানা, এসএমএস থেকে তথ্য চুরি ও নম্বর পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য বের করা সম্ভব। পিসি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে । ব্যাপারটি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। দেশীয় অপারেটররা বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে।
ভারতে ১ লাখ সিম ক্লোন
ভারতে কিছুকাল আগে ১ লাখ সিম ক্লোনের অভিযোগ করে শীর্ষ একটি মোবাইলফোন অপারেটর। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুসন্ধান করে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে ওই ১ লাখ সিম বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের নতুন সিম সরবরাহ করে অপারেটরটি। ক্লোন হওয়া ওই ১ লাখ সিমের মাধ্যমে বড় ধরনের অপরাধ সংঘটন করে অপরাধীরা। আর এতে করে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ ব্যবহারকারীরা। অবশ্য ভারতীয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জ্ঞাত থাকায় আইন প্রয়োগকারী মোবাইলফোন ব্যবহারকারীদের হেনস্তা করতে পারেনি বলে জানা গেছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোনো ধরনের তদারকি ছাড়া এভাবে সিম রিপ্লেস হতে থাকলে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও এক সময় বিভিন্ন প্রকারের ঝামেলায় পড়তে পারেন।
সিম রিপ্লেসমেন্ট কর
এনবিআর’র দাবি ৩ হাজার ১০০, রিভিউ কমিটির প্রতিবেদনে পাওনা আড়াইশ’ কোটি টাকা
দেশের চার মোবাইলফোন অপারেটরের কাছে সিম রিপ্লেসমেন্ট কর বাবদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দাবি করেছে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে এ সংক্রান্ত রিভিউ কমিটি সম্প্রতি যে অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তাতে এনবিআর এ বাবদ টাকা পায় ২৫১ কোটি টাকার কিছু বেশি। রিভিউ কমিটি গত ২৭ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
এনবিআর’র বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) হিসাব মতে অপারেটররা ৩ লাখ সিম রিপ্লেসমেন্ট কর পরিশোধ না করায় গ্রামীণফোনের কাছে ১ হাজার ৫৮০, বাংলালিংকের কাছে ৭৭৪, রবির কাছে ৬৬৫ ও এয়ারটেলের কাছে ৮৫ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে এনবিআর। এনবিআর’র হিসাবে ২০০৭ সালের জুন মাস থেকে ২০১১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যক রিপ্লেসমেন্ট সিম ইস্যু করে।
তবে বিশাল অংকের টাকা বকেয়া দেখানোর আগে এনবিআর অভিযুক্ত সিমগুলো থেকে দৈব চয়নের ভিত্তিতে (র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং) মাত্র ২০টি সিম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। অন্যদিকে রিভিউ কমিটি স্যাম্পল হিসেবে ৪ হাজার ৯০০টি সিম পরীক্ষার জন্য নেয়। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ১ হাজার ৪০০, বাংলালিংকের ১ হাজার ২০০, রবির ১ হাজার ২০০ এবং এয়ারটেলের ১ হাজার ১০০ সিম রয়েছে। এর মধ্যে বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেলের প্রায় সব এবং গ্রামীণফোনের ৪৪ শতাংশ সিম ২০টি উপায়ে পরীক্ষা করে দেখেছে রিভিউ কমিটি।
রিভিউ করা সিমের মধ্যে বাংলালিংকের ৪ দশমিক ৮৩, রবির ৩, এয়ারটেলের ০ দশমিক ৩৬ এবং গ্রামীণফোনের ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ সিমে সমস্যা শনাক্ত করেছে রিভিউ কমিটি। রিভিউ কমিটির অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদন অনুসারে গ্রামীণফোনের বকেয়া ১৯৪ কোটি, বাংলালিংকের ৩৭ দশমিক ৩৮ কোটি, রবির ১৯ দশমিক ৬৫ কোটি এবং এয়ারটেলের ০ দশমিক ১৮৯৮ কোটি টাকা। মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৫১ দশমিক ২১ কোটি টাকা। তবে সব সিম রিভিউ শেষ হলে মোট বকেয়া টাকার পরিমাণ আরো কিছু বাড়বে তবে তা কোনো অবস্থাতেই ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস জানিয়েছিলেন, থ্রিজি নিলামের আগেই এ সংক্রান্ত সমস্যার সুরাহা করা হবে কিন্তু গত রোববার থ্রিজি নিলামের আগ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, নিলামের পরেই সংস্থাটি বিষয়টির সমাধান করবে। যদিও এরই মধ্যে বিটিআরসি, মোবাইলফোন অপারেটররা অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদন গ্রহণ (একসেপ্ট) করেছেন। এনবিআর থেকে রিভিউ কমিটির আহবায়ককে একটি নোট পাঠনো হয়েছে। ওই নোটে অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এখনই সরকারকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

e-mail : hitlarhalim@yahoo.com

Comments

comments



One comment

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top