শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - রবি ও ট্রমা ইনস্টিটিউটের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - দেশের বাজারে হুইনের তারবিহীন কিউ১১কে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট উন্মোচন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফক্সকন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - স্মার্ট টেকনোলজি ও সিভিল এভিয়েশনের চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফিরে আসছে সিটিসেল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - আসছে স্মার্ট রিং | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - মহাকাশযানে লেটুস চাষ | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফেসবুকের আয় প্রত্যাশা ছাড়িয়ে | বুধবার, জুলাই 26, 2017 - শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এর ঋণ সহায়তা পাবেন বেসিস সদস্যরা |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে নিয়ে কাজ করবে ‘আইডিয়া প্রজেক্ট’
স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে নিয়ে কাজ করবে ‘আইডিয়া প্রজেক্ট’

স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে নিয়ে কাজ করবে ‘আইডিয়া প্রজেক্ট’

bariবাংলাদেশে টেক স্টার্টআপ কালচারটা এখনও অনেক নতুন। বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে পুরো ইকোসিস্টেমকে গুছিয়ে আনতে হবে। আর সেই পুরো ইকোসিস্টেমকে একসাথে আনতেই এই ‘আইডিয়া প্রজেক্ট’ শুরু করতে যাচ্ছে আইসিটি মন্ত্রণালয়’।
এক সাক্ষাতকারে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মোঃ আব্দুল বারী।
সাক্ষাৎকারে আরও উঠে আসে আইসিটি মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশের স্টার্টআপদের জন্য নেয়া বিভিন্ন প্রজেক্ট, স্টার্টআপ বাংলাদেশ এবং স্টার্টআপগুলোর ভবিষ্যৎ গন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা।
কেন এই ‘আইডিয়া প্রজেক্ট’?
বাংলাদেশের তরুণদের কাছেই দারুণ সব আইডিয়া রয়েছে। সেসব আইডিয়া দিয়ে খুব সহজেই দেশের বড় কোন সমস্যার সমাধান সম্ভব। কেউ কেউ আবার নিজে থেকেই স্টার্টআপ খুলেছেন, কিন্তু এর ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও শঙ্কায় রয়েছেন। তাদের জন্য প্লাটফর্ম হবে আইডিয়া প্রজেক্ট। শুধু তাই নয়, মেন্টরশিপ, অফিস স্পেস, টেকনিক্যাল সাপোর্ট এবং পুরো স্টার্টআপ সিস্টেমকে নিয়ে একসাথে কাজ করার জন্যই এই আইডিয়া প্রজেক্ট শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বারী।
“আইডিয়া প্রজেক্ট থেকে নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো পুরো একটি ফ্লোর জুড়ে ফ্রি অফিস স্পেস পাবে যেখানে প্রায় ১০০ জন একসাথে কাজ করতে পারবে। স্টার্টআপদের টেকনিকাল সাপোর্ট দেয়া ছাড়াও এক্সপার্ট মেন্টরদের সাথে নিয়ে কাজ করার মত সাপোর্ট দিতে প্রস্তুত আইসিটি মন্ত্রণালয়’।
ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশের স্টার্টআপ কমিউনিটিকে পৌঁছে দেয়াঃ
কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে ছোট-বড় অনেক স্টার্টআপ নিজেদের প্রোডাক্ট নিয়ে বেশ জোড়ে-সোরেই কাজ শুরু করেছেন। এমনও কিছু স্টার্টআপ রয়েছে যারা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে। কিন্তু বাংলাদেশের এই উদীয়মান স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের কথা দেশের বাইরের মানুষ কতটাই বা জানে। আর তার জন্য ব্র্যান্ডিং-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি বলে মনে করছেন বারী।
‘আমারা আমাদের দেশের স্টার্টআপদের সহযোগিতা করতে আন্তর্জাতিক এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম ফাইভ হান্ড্রেড স্টার্টআপ এবং সিলিকন ভ্যালীর সাথেও পার্টনারশিপ করার পরিকল্পনা করছে আইসিটি মন্ত্রণালয়’।
এতে করে বাংলাদেশের কোন স্টার্টআপ তাদের আইডিয়া এবং প্রোটোটাইপকে নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে। তাছাড়া আইসিটি মন্ত্রণালয় আয়োজন করতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ডেমো ডে যেখানে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশি স্টার্টআপ নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবে। আর এর সবকিছুই হবে একটা গোছানো ব্র্যান্ডিং পলিসির মাধ্যমে। আর তাই বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে নিয়ে ব্র্যান্ডিং নিয়েও আইসিটি অধিদপ্তর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বারী।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই স্টার্টআপের শুরুঃ
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই স্টার্টআপের শুরু হতে পারে এমনটাই মনে করে বারী জানান,
“আইসিটি ডিভিশন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই তরুণদের স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করার মত সুযোগ-সুবিধা দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আর তাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিন্সট্রেশন(আইবিএ)কে নিয়ে একসাথে ‘ভার্চুয়াল ইউনিভার্সিটি অফ মাল্টিমিডিয়া ইনোভেশন’ নামে একটি প্রজেক্টও আনতে যাচ্ছে আইসিটি”।
তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ সেমিস্টারে এসে যেই প্রজেক্ট পেপার নিয়ে কাজ করতে হয় সেটা যেন একটি প্রোটোটাইপ হিসেবে ছাত্ররা শিক্ষকদের সামনে তুলে ধরে সেটা নিয়েও কাজ করতে আগ্রহী আইসিটি মন্ত্রণালয়।
এছাড়াও যে কেউ তাদের আইডিয়াকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সরকারের দেয়া ‘ইনোভেশন ফান্ড’-এর জন্য আবেদন করতে পারবে বলেও জানালেন বারী।যেকোনো সম্ভাবনাময় আইডিয়া, ব্যবসা কিংবা স্টার্টআপ এই ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। এমনকি ব্যাক্তিপর্যায়েও ‘ইনোভেশন ফান্ড’-এর জন্য আবেদন করা যাবে।
কাজ করতে হবে বাংলাদেশের সমস্যা সমাধানেঃ
“বাংলাদেশে অনেক বেশি সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ রয়েছে যারা দারুণ-দারুণ সব আইডিয়া নিয়ে কাজ করছেন। তবে স্টার্টআপদের সফলতা পেতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজনীয়তার ধরন বুঝে কাজ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মত হবে।কারণ অনেক সময়ই দেখা যায় যে আইডিয়া কিংবা প্রোজেক্টটি অনেক ভাল হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একেবারেই বেমানান। আর তাই সেই স্টার্টআপটির সফলতার সম্ভাবনাও অনেক কমে যায়’।

বাংলাদেশের স্টার্টআপদের জন্য পরামর্শ হিসেবে এমনটাই বললেন বারী। তাছাড়া যেকোনো সম্ভাবনাময় স্টার্টআপের জন্য বাংলাদেশ আইসিটি মন্ত্রণালয় সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেও বলে আশ্বাসব্যাক্ত করেন বারী।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top