শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - বাংলাদেশেই তৈরি হবে সকল ডিজিটাল ডিভাইস : মোস্তাফা জব্বার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - যে কারণে অনলাইন অ্যাকাউন্টে কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - ফিশিং জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন জিমেইল ব্যবহারকারীরা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - দেশের বাজারে লেনোভোর এইচডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - হিটাচি প্রজেক্টরে ম্যাজিক অফার | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - বাংলাদেশে ডি-লিংক কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের অংশীদার কম্পিউটার সোর্স | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - অপ্পোর নতুন ২ স্মার্টফোনে গ্রামীণফোনের ফ্রি ইন্টারনেট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এর পার্টনার মিট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নগ্রাফি ভিডিও | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - আসছে স্বল্প মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন |
প্রথম পাতা / কর্পোরেট স্পেশাল / বাংলাদেশে ব্যবহূত সফটওয়্যারের ৮০ ভাগই পাইরেটেড!
বাংলাদেশে ব্যবহূত সফটওয়্যারের ৮০ ভাগই পাইরেটেড!

বাংলাদেশে ব্যবহূত সফটওয়্যারের ৮০ ভাগই পাইরেটেড!

পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষস্থানে আছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া। সম্প্রতি এক বাজার গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স। মাইক্রোসফট, অ্যাপল, ইন্টেল, ওরাকল এবং অ্যাডোবির মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এ সংস্থার সদস্য। প্রায় ২২ হাজার কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত তথ্য, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নীতিনির্ধারণী মহলের বক্তব্য এবং সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
piracy-bangladeshপ্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৫ সালে ব্যবহূত মোট সফটওয়্যারের ৬০ শতাংশই ছিল পাইরেটেড যার মোট বাজারমূল্য প্রায় ১৯.১ বিলিয়ন ডলার।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ সময়ে সবচেয়ে বেশি পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ায়। দেশ তিনটিতে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের পরিমাণ ৮০ শতাংশেরও বেশি। অন্যদিকে বিশ্বে এ সময়ে সফটওয়্যার পাইরেসির হার ছিল ৩৯ শতাংশ।
এ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৩ সালে পাকিস্তানে সফটওয়্যার পাইরেসির হার ছিল ৮৫ শতাংশ যা এক শতাংশ কমে ২০১৫ সালে ৮৪ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র পাকিস্তানেই ২০১৫ সালে ২৭৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের সফটওয়্যার পাইরেসির ঘটনা ঘটেছে। মজার ব্যাপার হলো বর্তমানে বিশ্বে ব্যাংকিং, ইন্স্যুরেন্স এবং নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারের হার ২৫ শতাংশ যা এই খাতগুলোর জন্য বেশ উদ্বেগজনক।
২০১৫ সাল পর্যন্ত হিসেবে এর আগের দুই বছরে বিশ্বে সফটওয়্যার পাইরেসির হার দুই শতাংশ কমলেও এ সময়ে এশিয়ায় পাইরেসি মাত্র এক শতাংশ কমে হয়েছে ৬১ শতাংশ। তবে এ প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে শুধু কম্পিউটারে ব্যবহূত সফটওয়্যারই গণ্য করা হয়েছে। দ্য সফটওয়্যার অ্যালায়েন্সের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের একজন সিনিয়র ডিরেক্টর এ বিষয়ে জানান, পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধ করতে বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের মতো স্পর্শকাতর একটি খাতে এ ধরনের লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহার বন্ধ করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ‘গত দুই বছরের তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কমলেও এখনও সফটওয়্যার পাইরেসির হার অনেক বেশি। উদীয়মান অর্থনীতির দেশে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি’ বলেন তিনি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top