শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / উদ্যোগ / বাংলাদেশ আইসিটিতে একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক-আব্দুল্লাহ এইচ কাফি
বাংলাদেশ আইসিটিতে একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক-আব্দুল্লাহ এইচ কাফি

বাংলাদেশ আইসিটিতে একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক একটি ষ্ট্যান্ডার্ড দেশে পরিণত হোক-আব্দুল্লাহ এইচ কাফি

আব্দুল্লাহ এইচ কাফি। আইসিটি সেক্টরে সফল একজন ব্যক্তিত্ব। সময়ের ব্যবধানে তিনি আইসিটি সেক্টরে বিভিন্ন অবদান রেখে চলেছেন।তিনি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ছিলেন। এশিয়ান ওসেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাষ্ট্রি অর্গঅনাইজেশন (অঝঙঈওঙ) এ কয়েকবার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

kafi বর্তমানে তিনি অঝঙঈওঙ -এর ডেপুটি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জে.এ.এন এসোসিয়েট লি:-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর। উল্লেখ্য জে.এ.এন এসোসিয়েট লি: বাংলাদেশ ক্যানন ব্র্যান্ডের ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার এবং প্রজেক্টর বাজারজাত করছে। বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলাপকালে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে তা কর্পোরেট পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
ডিজিটালইড বিশ্বায়নে বাংলাদেশের আইসিটি শিল্প ফোন অবস্থানে দাঁড়িয়ে?

বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টর দিন দিন বড় হচ্ছে। এই সেক্টরে এখন কম্পিউটার মোবাইল ইন্টারনেট, ওয়েব, কন্টেন সহ অনেক কিছুই রয়েছে। আইসিটি শিল্পের কথা বললে বলব এ দেশে আইসিটি শিল্প এখনও তেমনভাবে গড়ে উঠেনি। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার শিল্প গড়ে না উঠলেও সফটওয়্যার শিল্প, ওয়েব ডেভেলপিং শিল্প গড়ে উঠেছে।

দেশের আইসিটি শিল্পের বিকাশে আপনি কি সন্তুষ্ট?
দেশের আইসিটি শিল্পের বিকাশ নিয়ে আমি মোটেও সন্তুষ্ট না। কারণ একটা শিল্প তখনই গড়ে উঠে যখন ঐ শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা থাকে। বাংলাদেশে সে ধরনের তেমন সুযোগ সুবিধা নেই।

এ ক্ষেত্রে করণীয় কি কি হতে পারে?
করণীয় অনেক কিছুই আছে প্রথমেই বলবো আমাদের ধ্যান ধারনার পরিবর্তন আনতে হবে। কম্পিউটারপ্রায় সকল কাজেরইপ্রধানউপকরণ। অবশ্য এরসাথে আরও কিছু প্রয়োজনীয় ডিভাইস রয়েছে যেমন: মাল্টিফাংশনাল প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রজেক্টর অন্যতম। এগুলোর উপর শুল্ক কমাতে হবে যেন সাধারণ মানুষ এগুলো কিনতে পারে। সরকারের আয়ের একটি অন্যতম শাখা হলো শুল্ক কর। কর না দেওয়ার পক্ষে আমিনই। তবে কিছু কিছু পলিসি নিয়ে ভাবা উচিৎ। যেমন- কোন পণ্যেল উপর অনেক বেশী করআরোপ করা হলে ঐ পণ্য কম বিক্রি হবে,সরকারের কোষাগারেও কম টাকা জমা পড়বে। কিন্তু যে পণ্যের চাহিদা বেশী,কিংবা মানব জীবনের মান উন্নয়নে সহায়ক হবে সে সব পণ্যের উপর শুল্ক কম বা সহনীয় রাখা উচিৎ। খোলাখুলি বললে কম্পিউটার এবং এর সংশ্লিষ্ট সকল পণ্যের উপর শুল্ক কমানো উচিৎ। দেশে সফটওয়্যার শিল্প মোটামুটি এগিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো মেধাশক্তি অর্থাৎ মানব সম্পদ। আইসিটিতে মানব সম্পদ গঠন করার কোন প্রতিষ্ঠান আছে কিনা আমার জানানেই। কোন ছাত্র সফটওয়্যার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে যদি সফটওয়্যার তৈরি করতে না পারে তাহলে কি শিখলো! আমাদের দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ,এমবিএ কিংবা বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারং পাশ করলে যেমন আমরা ধরে নিই সে কিছুনা কিছু পারে। তেমনি আইসিটিতে ইন্টারন্যাশনাল ষ্ট্যান্ডার্ড বিশ্ববিদ্যালয় করা প্রয়োজন। উন্নত দেশগুলোতে বর্তমানে আইসিটিতে প্রচুর দক্ষ জনবল প্রয়োজন। কিছুদিন আগে মালয়েশিয়া আমার কাছে দক্ষ লোক চেয়েছেকিন্তু বাংলাদেশে তেমন দক্ষ লোকবল নেই।

দেশে একটি ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা কিন্তু এখনও হয়নি। এ সম্বন্ধে কিছু বলুন-
এরকম অনেক কথাই শুনাযায়। বাস্তবে এর কোন প্রতিফলনই নেই। কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক, মহাখালীতে আইটি ভিলেজ এরকম অনেক প্রকল্প সরকারের হাতে রয়েছে। মুখে বড় বড় কথা না বলে কাজ করে দেখাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে নিয়ে ভাবতে হবে।

দেশের আইসিটি অবকাঠামো সম্পন্ধে বলুন-
দেশের আইসিটি অবকাঠামো আরও সুসংহত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইসের দাম কমানোর পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। প্রত্যেকটা স্কুলে ইন্টারনেট ফ্রি করতে হবে। ঢাকার স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ওয়াই-ফাই করে দিলে পরবর্তি প্রজন্ম আইসিটিতে আরও স্মার্ট হবে।

সরকার ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এ সম্বন্ধে কিছু বলুন-
সরকারের এই উদ্যোগটা খুব ভাল। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন এই প্রজেক্ট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে কম্পিউটার, প্রিন্টার, ক্যামেরার পাশাপাশি পাওয়ার সাপ্লাই নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারকে বাংলা কন্টেন্ট-এর প্রতি নজর দিতে হবে। কারণ গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনও ইংরেজিতে দক্ষ হয়নি। তাহলে এই ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ে তুলতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ টু আই প্রোগ্রাম সম্পর্কে কিছু বলুন-
এটি একটি ভাল উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সরকারের ভিতরে ও বাহিরে অনেক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

আপনি এসোসিয়ো এর ডেপুটি প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করছেন। এই এসোসিয়ো থেকে বাংলাদেশ কি কি সুবিধা পেতে পারে?
এসোসিয়ো মূলত ২২টি ইকোনমি নিয়ে গঠিত। আমরা আসলে একেকটি দেশকে ইকোনমি বলে থাকি। এই অর্গানাইজেশনের মূল কাজ হলো টিম ওয়ার্ক। খুলে বললে- ধরুন, একটা দেশে হিউম্যান রিসোর্সের অভাব কিন্তু অন্য আরেকটা দেশে হিউম্যান রিসোর্স রয়েছে। আমরা এই গ্যাপটাকে পূরণ করে দেই। আমরানলেজ শেয়ারক।ি স্কিল ডেভেলপ নিয়ে কাজ করি।

বাংলাদেশের আইসিটি শিল্পকে কোথায় দেখতে চান?
আমি বলবোনা বাংলাদেশ ওমুক দেশের মতো হোক। আমিবলবো শুধু এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো হলেই চলবে। আরেকটা জিনিস চাই বাংলাদেশ আইসিটিতে ষ্ট্যান্ডার্ড একটি দেশে পরিণত হোক। যেন অন্যান্য দেশ গুলো বলে দেখ বাংলাদেশ কতটা ষ্ট্যান্ডার্ড।

Comments

comments



One comment

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top