শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - জিপি অ্যাক্সেলারেটরের চতুর্থ ব্যাচের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - বিসিএস-এ ‘ব্যবসা সাফল্যে প্রচার এবং প্রসার’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে দারাজের ফিউচার লিডারশীপ প্রোগ্রাম | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - ফাঁস হল নকিয়া ৯ এর ফিচার | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ এর সেরা পাঁচে বাংলাদেশের দুই প্রকল্প | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - স্মার্টফোনে চার্জ না থাকার জন্য দায়ী যে সকল অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, মে 25, 2017 - ফেসবুকে ভিডিও আপলোডে পুরস্কার | বুধবার, মে 24, 2017 - গ্রাহকের হাতে পণ্য তুলে দিতে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় মাধ্যম বিক্রয় ডট কম | বুধবার, মে 24, 2017 - জেডটিই এবং বাংলালিংক নিয়ে এলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভার্চুয়াল এসডিএম | বুধবার, মে 24, 2017 - ৩৩১০ সহ নকিয়ার তিনটি স্মার্টফোন জুন থেকে দেশের বাজারে পাওয়া যাবে |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০ ডলারের পুরনো সুইচ, নেই ফায়ারওয়াল
বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০ ডলারের পুরনো সুইচ, নেই ফায়ারওয়াল

বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০ ডলারের পুরনো সুইচ, নেই ফায়ারওয়াল

বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট নেটওয়ার্কে সস্তা সুইচ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ৮০০ কোটি টাকা চুরির তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের প্রধান মোহাম্মদ শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে যেসব কম্পিউটার ব্যবহার করা হতো, তাতে কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছিল না। এগুলোতে মাত্র ১০ ডলার বা ৮০০ টাকা দামের পুরনো সুইচ ব্যবহার করা হতো। এ ছাড়া এগুলোতে কোনো ফায়ারওয়াল ছিল না। ফলে হ্যাকাররা সহজেই এই কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পেয়েছিল।’ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বেশ গুরুত্ব সহকারে খবরটি প্রকাশ করেছে।

রয়টার্সের বরাত দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ তথ্য বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গনমাধ্যম যার মধ্যে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য স্টেট টাইমস, দ্য নেক্সট ওয়েব, গিজমডো প্রভৃতি।

bb-heist

বিবৃতিতে শাহ আলম আরও জানান, যদি ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হতো, তাহলে হ্যাক করা বেশ কঠিন হতো। সস্তা সুইচ ব্যবহার করা হলে জানা যেত হ্যাকাররা এই কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আর কী কী করেছে এবং কোন জায়গা থেকে তারা হ্যাক করেছিল, জানান তিনি।

এ বিষয়ে সাইবার ফার্ম অপটিভের কনসালট্যান্ট জেফ উইচম্যান বলেন, ‘আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলছেন; যারা হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে আছে অথচ সবচেয়ে মৌলিক নিরাপত্তার পূর্বশর্ত পূরণ করেনি।’

শাহ আলম আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৫ হাজার কম্পিউটার ব্যবহার হয়। যে রুমে সুইফট বসানো সেটি ১২ ফিট বাই ৮ ফিটের। ব্যাংকের অ্যানেক্স ভবনের নবম তলায় একটি জানালাবিহীন রুম এটি। এখানে চারটি সার্ভার এবং চারটি মনিটর আছে। আগের দিনের সব লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এখানেই প্রিন্ট হয়।

তিনি বলেন, রুমটির গুরুত্ব বিবেচনায় এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য নেটওয়ার্ক থেকে আলাদা দেয়াল দেওয়া রুম হওয়া এবং নেটওয়ার্কে দামি সুইচ ব্যবহার করা দরকার ছিলো।

তাছাড়া এই রুমে সাপ্তাহিক বন্ধের দিনসহ সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য স্টাফ রাখাও দরকার বলে মত দেন শাহ আলম।

তিনি আরো বলেন, কিছু ব্যাংক পর্যাপ্তভাবে তাদের নেটওয়ার্ক রক্ষা করতে ব্যর্থ কারণ তারা তারা তাদের সুবিধা রক্ষার জন্য নিরাপত্তা বাজেটের চেয়ে শারীরিক দিকটি বেশি ফোকাস করে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয় এবং তা ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসির) চারটি শাখার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

বাংলাদেশ পুলিশের বিশ্বাস এই ঘটনার পুরো সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সুইফটের। সাক্ষাতকারে মোহাম্মদ শাহ আলম এমনটাই জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দায়িত্ব ছিলো। চুরির আগে তারা কোনো ধরনের সিগন্যাাল দিয়েছে বলে এমন কোনো  প্রমাণ আমরা পাইনি।

তবে শাহ আলমের এমন দাবি অস্বীকার করেছে ব্রাসেলস ভিত্তিক সংস্থা সুইফট।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top