শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - কুমিল্লায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি চালু করলো গ্রামীণফোন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ট্রাভেল বুকিং এ যুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী 23, 2018 - অনলাইন পোর্টালের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ তাসকিন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - দর্শনার্থী নেই বেসিস সফটএক্সপোতে ! | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিসিএস নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - ২০১৭ সালে রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য অপো স্মার্টফোনসমূহ ৪জি সেবা দিতে প্রস্তুত | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিইউপিবিজিএ-এর বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - উদ্বোধন হলো বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’র | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - এলো টোটেলিংক এর হাই স্পীড ওয়াইফাই রাউটার |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / উদ্যোগ / বাংলা-থাই তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা আরও বাড়বে

বাংলা-থাই তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা আরও বাড়বে

“বাংলাদেশের সাথে থাইল্যান্ডের তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা দিনে দিনে আরও ব্যাপকতর হবে এবং এর পরিমাণ বিপুলভাবে বাড়বে। আমরা একই ভাষা পরিবারের সদস্য। এর পাশাপাশি আমরা দুদেশের মানুষ একই সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের  অংশিদারী। আমাদের জীবনবোধ ও সৃজনশীলতা পরস্পরের সহায়ক।” বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাত্কালে থাইল্যান্ডের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্¿ণালয়ের মন্¿ী  ছুটি ক্রাইরিস্ক এই কথাগুলো বলেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা বিসিএস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার, এসোসিওর ডেপুটী প্রেসিডেন্ট জনাব আব্দুল্লাহ এইচ কাফি, বিসিএস এর মহাসচিব জনাব মুজিবুর রহমান স্বপন এবং আনন্দ কম্পিউটার্সের নির্বাহী জনাব বিজয় জব্বার সেই সময়ে উপস্থিত ছিলেন। ব্যাঙ্কক সফটওয়্যার সামিট ২০১০ উদ্বোধনের আগে ব্যাঙ্ককের কুইন সিরিকিত কনভেনশন সেন্টারের ভিআইপি কক্ষে মন্¿ীর সাথে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এই অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাত্ হয়। জবাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মাননীয় মন্¿ীকে জানানো হয় যে, বিসিএস এরই মাঝে এটিসিআই-এর সাথে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে এবং পরস্পর গভীর যোগাযোগ রক্ষা করছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মন্¿ীকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বাংলাদেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান ব্যাঙ্কক সফটওয়্যার সামিটে তাদের পণ্য প্রদর্শণ করছে বলেও মন্¿ীকে অবহিত করা হয়। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে থাই প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক বাংলাদেশের প্রদর্শকদেরকে সৌজন্যমূলক স্টল বরাদ্দ দেবার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

কম্পিউটার পার্ক থাইল্যান্ড এবং দি এ্যসোসিয়েশন অব থাই আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি (এটিসিআই) যৌথভাবে ব্যাংককের সুখ্যাত রানী সিরিকিত প্রদর্শনী কেন্দ্রে ২২-২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখ ‘ব্যাংকক সফট্ওয়্যার সামিট ২০১০’-এর আয়োজন করে। থাইল্যান্ডে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিদেশী বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করা এবং  তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের এ মিলনমেলা।  এ আয়োজনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশী  তথ্যপ্রযুক্তি  প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে তাদের ব্যবসাকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পৌঁছে দেবার এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রতিনিধিদলের মধ্যে ছিলেন বিসিএস-এর সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার; এসোসিওর ডেপুটী প্রেসিডেন্ট-উইটসার উপদেষ্টা ও জেএএন এসোসিয়েটস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আব্দুল্লাহ এ্ইচ কাফি;  বিসিএস-এর মহাসচিব জনাব মজিবুর রহমান স্বপন; এটিআই লিমিটেড এর নির্বাহী পরিচালক জনাব শেখ আবু রেজা, আইটি ভিলেজ লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব গাজী আমিনুল হক; ড্যাটাবিজ ইনকর্পোরেট এর সিইও জনাব রাশেদ কামাল; ইউজিআই ট্রেড কো. এর স্বত্বাধিকারী জনাব মো: জাকির খান এবং আনন্দ কম্পিউটার্সের নির্বাহী জনাব বিজয় জব্বার।

থাইল্যান্ডের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্¿ণালয়ের মন্¿ী জনাব ছুটি ক্রাইরিস্ক এই সামিটের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আইসিটি সমিতিসমূহের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিসিএস সভাপতি ও বাংলাদেশের দলনেতা জনাব মোস্তাফা জব্বার এবং এসোসিওর ডেপুটী প্রেসিডেন্ট জনাব আব্দুল্লাহ এইচ কাফি। গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১০ দিনব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে আয়োজিত এসোসিওর অধিবেশনে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিদ্যমান অবস্থা সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশের দলনেতা এবং বিসিএস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার। বাংলাদেশ দলটি ২৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের অন্যতম সেরা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান সিএসআই পরিদর্শন করেন এবং থাইল্যান্ডের প্রাচীন রাজধানী অয়োথা ভ্রমণ করেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ ‘ব্যাংকক সফট্ওয়্যার সামিট ২০১০’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বায়ারস নাইটস এবং মূল প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সেমিনার, গ্রুপ ভিত্তিক আলোচনা, বিজনেস-টু-বিজনেস, ওয়ান-টু-ওয়ান আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন । আয়োজকবৃন্দ বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির জন্য বিনামূল্যে তিনটি স্টলের ব্যবস্থা করেন। আইটি ভিলেজ লি:, ড্যাটাবিজ ইনকর্পোরেট এবং ইউজিআই ট্রেড কো. উক্ত প্রদর্শনীতে তাদের তৈরী বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়্যার প্রদর্শন করেন। তাদের পণ্য ও সেবা মেলায় আগত দর্শকদের মধ্যে প্রচুর আগ্রহ সঞ্চার করে।

থাইল্যান্ড এবং থাইল্যান্ডের বাইরে থেকে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান ‘ব্যাংকক সফট্ওয়্যার সামিট ২০১০’ মেলায় অংশগ্রহণ করে এবং তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে। মেলা চলাকালে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মেলাস্থল পরিদর্শন করেন। আধুনিক প্রযুক্তির নানা নিদর্শন এবং নতুন নতুন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন তাঁদের মোহিত করে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top