শিরোনাম

মঙ্গলবার, জানুয়ারী 17, 2017 - ১৯ তারিখ আসছে নোকিয়া ৬ | মঙ্গলবার, জানুয়ারী 17, 2017 - বিক্রয় ডটকমে নারী কর্মীর অনুপাত ৩৬ শতাংশ | মঙ্গলবার, জানুয়ারী 17, 2017 - চিকিত্সকদের মাঝে ই-কিউর প্রেসক্রিপশান সফটওয়্যার বিতরণ | মঙ্গলবার, জানুয়ারী 17, 2017 - স্যামসাং প্রধানকে গ্রেপ্তারের আবেদন | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - নতুন নম্বর সিরিজ ০১৩ পাচ্ছে না জিপি | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সিওরক্যাশের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারবে পেইজা গ্রাহকেরা | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই দেওয়া হবে : পলক | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে কাজ করবে টেন মিনিট স্কুল | সোমবার, জানুয়ারী 16, 2017 - ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত | বুধবার, জানুয়ারী 11, 2017 - আফতাব-উল-ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পরিচালক |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে কর্মশালায়
বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে কর্মশালায়

বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে কর্মশালায়

মামলা জট কমাতে এবং আদালত ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ ডিজিটালাইজেশন অব বাংলাদেশ জুডিসিয়ারি’ শীর্ষক কর্মশালায় এ উদ্যোগের কথা জানানো হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আইনমন্ত্রী অনিসুল হক, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা করা হয়।

বিচার বিভাগের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির চাহিদা নিরুপন করা ও সে অনুযায়ী প্রকল্প প্রণয়ন করে দ্রুত মামলা নিস্পত্তির উপায় বের করাই এই কর্মশালার অন্যতম লক্ষ্য ছিলো।

কর্মশালায় তথ্যপ্রযুক্তি ও কোর্টরুম টেকনোলজি বিষয়ে উচ্চ আদালতের বিচারপতি ও উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি, বাংলাদেশে ই-জাস্টিস পদ্ধতি বাস্তবায়নে একটি কম্প্রেনসিভ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বিচার কার্যক্রমে উন্নত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সফলতা ও শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ই-জাস্টিস কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার ও দাতাগোষ্ঠীর সহায়তা নিশ্চিত করতে দিক-নির্দেশনা ঠিক করা হয়।

judiciary

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, মামলা জট কমাতে দেশের সকল জেলা আদালতের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ ও স্বচ্ছ মনিটরিং সিস্টেম সংযোজনে নিম্ন আদালতের বিচারকদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে মনিটরিংয়ে আনতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বল্প খরচে জুডিসিয়ারির জন্য উপযোগী আইসিটি অবকাঠামো তৈরির সময় এসেছে। এটি দ্রুত মামলা নিস্পত্তিতে ভূমিকা রাখবে।

কোর্ট বান্ধব আইসিটি সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে দেশের সকল আদালতে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করে বিচার ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগী করা ও দেশের সাতটি বিভাগের সকল জেলা আদালতে উন্নত দেশের আদলে আধুনিক উইটনেস ডেপোজিশন সিস্টেম চালুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ই-জুডিশিয়ারির জন্য আদালত কক্ষ বান্ধব নির্দেশনামুলক বাংলা লেখার যন্ত্র, সকল আদালতের জন্য ওয়াইফাই সুবিধা, বিচারপ্রার্থীদের জন্য অনলাইনে মামলার তথ্য প্রাপ্তির সুবিধা, ওয়েব এবং এসএমএসে কার্যতালিকা, সুপ্রিম কোর্ট এবং জেলা আদালতের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ, ইলেক্ট্রনিক মামলা রুজু পদ্ধতি, জেলা আদালতের জন্য মামলা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, প্রত্যেক আদালতের জন্য ডিজিটাল ডিসপ্লে এক্ষেত্রে নতুন কাঠামো তৈরি করবে।

এছাড়া রায় সংরক্ষণের জন্য আর্কাইভ, স্বয়ংক্রিয় সেকশন, রেকর্ড ডিজিটালাইজেশন, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার, ই-লাইব্রেরি, ইনভেনটরি সিস্টেম, জেলা আদালতের জন্য ডাটা সেন্টার, বায়ো-মেট্রিক অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম, বিচারক ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিচার বিভাগের উন্নয়নে প্রধান বিচারপতির নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বিচার বিভাগকে ডিজিটালাইজেশনে সরকার বহুমূখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিচার বিভাগকে তথ্যপ্রযুক্তির বাইরে রেখে সত্যিকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নেয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, খুব শীঘ্রই দেশের সব আদালতকে একটি নেটওয়ার্ক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা হবে।

কর্মশাল জানানো হয়, আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং দেশের সার্বিক বিচার ব্যবস্থা ও আদালত ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করতে ইউএনডিপি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে ২০১১ সাল থেকে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

এতে সুপ্রীম কোর্টের সাথে ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও রাঙ্গামাটি জেলা আদালতে ইন্টারনেট সংযোগে অনলাইন যোগাযোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া তিনটি আদালতের বিচারক ও কর্মকর্তাদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া হয়েছে।

এসব আদালতে অনলাইন কজ লিস্টও চালু করা হয়ছে।  মোবাইল ফোনের এসএমএস ও বিডি কোর্টস অ্যাপসের মাধ্যমে মামলার সর্বশেষ অবস্থা সর্ম্পকে জানা যাচ্ছে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিনস।

এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ ও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের সুপীম কোর্টের ই-কমিটির প্রাক্তন সভাপতি ড. জিসি বারুকা ও ইন্ডিয়ার আইসিটি বিশেষজ্ঞ কমল মুখার্জীসহ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কর্মশালার বিভিন্ন সেশনে উপস্থাপনা রাখেন।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top