শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - টেকনো আনলো নতুন সেলফি ফোন | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ড্যাফোডিলে এসিএম আইপিসি অনলাইন প্রিলিমিনারি প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - জংশেন ও হুন্দাই মোটরসাইকেল এখন বিক্রয় ডট কম-এ | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - আইবিএম আবারও বাংলাদেশে অফিস খুলতে চায় | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রোহিঙ্গাদের কাছে মোবাইল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডাটা খরচ কমাতে আসছে টুইটারের নতুন সংস্করণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - লন্ডনে লাইসেন্স বাঁচানোর চেষ্টায় উবার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ড্রোন যখন কৃষকের বন্ধু | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - আইফোন ৮ এর ভেতরে যা দেখা গেল | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডি-লিংক এর স্পেশাল অফার |
প্রথম পাতা / টেলিকম / বিটিআরসি মামলা করছে না ডিজিকনের বিরুদ্ধে!
বিটিআরসি মামলা করছে না ডিজিকনের বিরুদ্ধে!

বিটিআরসি মামলা করছে না ডিজিকনের বিরুদ্ধে!

Digicon-BTRC copy

আইজিডব্লিউ অপারেটর ডিজিকন টেলিকমিউনিকেশনের কাছ থেকে ১৯.৮৪ কোটি টাকা নিতে রাজি হয়েছে বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন)। টাকা আদায়ে আদালতে মামলা দায়েরে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই মূলত রাজি হলো বিটিআরসি।

বিটিআরসি কর্মকর্তা জানান, ডিজিকন ২০১২ সালে নেটওয়ার্ক পরীক্ষার সময়কালে অসাধুভাবে বাণিজ্যিক অপারেশনের মেয়াদ দাবি করলে অপারেটরটির বকেয়া পড়ে যায়। রেগুলেটরটি গত বছর অপারেটরটির বিরুদ্ধে বকেয়া আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করতে চেয়েছিল। কিন্তু কিছু অজ্ঞাত কারণে সিদ্ধান্তটি বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি।

বিটিআরসি কর্মকর্তা বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ঐ বছরের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিন্তু তারা ঐ সময়কে পরীক্ষার পিরিয়ড অভিহিত করে সরকারকে রাজস্ব দিতে অস্বীকৃতি জানায়। প্রতিষ্ঠানটি বিটিআরসির একটি ভুয়া কাগজ দিয়ে দাবি প্রমাণ করার চেষ্টা করে বলে জানান ঐ কর্মকর্তা। ডিজিকনের এই বিশৃঙ্খলতার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে তিন বিটিআরসি কর্মকর্তাকে তদন্ত করা হচ্ছে।

বিটিআরসির এক জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমার ডিজিকনকে বকেয়া পরিশোধের সুযোগ দিয়েছি। তবে আইনানুযায়ী বিলম্বিত জরিমানা এবং অন্যান্য ফি যুক্ত করব আমরা।’ তবে ডিজিকনের বিরুদ্ধে ১ বছর আগে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা কোন বাস্তবায়ন করা হলো না এ প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি ঐ কর্মকর্তা।

তথ্যসূত্র অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার ডিজিকনে শেয়ার থাকায় বিটিআরস‘র বকেয়া আদায়ের প্রক্রিয়াতে দেরি হয়ে যায়। বিটিআরসি কর্মকর্তারা ২০১২ সালের জুন মাসে জানিয়েছিলেন যে, ডিজিকন পরীক্ষামূলকভাবে ট্রান্সমিশনের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালের ১ অক্টোবর বাণিজ্যিকভাবে ট্রান্সমিট করার অনুমোদন পায়।  ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর বিটিআরসির নিয়মিত তদারকিতে দেখা যায় যে, অপারেটরটি প্রচুর পরিমাণ কল নিষ্পন্ন করছে অথচ কমিশনকে এ ব্যাপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না।

পরবর্তীতে, ডিজিকন বিটিআরসি অনুমোদিত একটি চিঠি দাখিল করে দাবি করে যে, তারা ঐ সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রান্সমিশন করেছে। অথচ, বিটিআরসি তদন্ত করে দেখে যে, চিঠিটি আসল নয়। ২০১৪ সালের জুন মাসে বিটিআরসি ডিজিকনকে বকেয়া পরিশোধ করার জন্য নোটিশ পাঠায়। কিন্তু নোটিশের প্রত্যুত্তরে প্রতিষ্ঠানটি বিবাদ মিমাংসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানায়। ডিজিকনের চিঠির প্রত্যুত্তরে বিটিআরসি ২০১৪ সালের আগস্টে অপারেটরটিকে জানায়, দাবিকৃত ১৯.৮৪ কোটি টাকায় কোন ধরণের বিতর্ক নেই এবং প্রতিষ্ঠানটিকে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে বলে।

সূত্র: নিউ এইজ

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top