শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - উভয় পাশ স্ক্যান সুবিধার স্ক্যানার আনলো ইপসন | বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - প্রপার্টি ভাড়া ও কেনা-বেচায় বিপ্রপার্টি ডটকম | বুধবার, মার্চ 22, 2017 - স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ কিনতে সাবধান ! | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - বাংলাদেশে ইউসিসিকে একমাত্র পরিবেশক ঘোষনা করলো ট্রান্সসেন্ড | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - এসএসডি-টেক এবং প্যাভিলিয়নের মধ্যে কন্টেন্ট পার্টনারশিপ সম্পন্ন | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - মোবাইল অ্যাপস চালু করলো উরি ব্যাংক | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - গার্ডিয়ান লাইফ এর জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে এসএসএল ওয়্যারলেস | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - মাইক্রোম্যাক্সের নতুন দুইটি মডেলের স্মার্টফোন | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরার হ্যালিও স্মার্টফোন আনল এডিসন গ্রুপ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - জিপি মিউজিকে ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল
বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

সামাজিক মাধ্যমে হরহামেশাই দেখা যায় নানা বাজে এবং বিতর্কিত মন্তব্য। আর সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এমন মন্তব্য মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে প্রযুক্তি অঙ্গনের জায়ান্ট তিন প্রতিষ্ঠান ফেসবুক, টুইটার এবং গুগল।

social-apps-corporateমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জার্মানিতে আপত্তিকর বা বাজে মন্তব্য মুছে ফেলতে রাজি হয়েছে প্রতিষ্ঠানতিনটি। সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

জার্মান কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে ও আইনত অবৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় ফেসবুক, টুইটার ও গুগল বিতর্কিত এসব মন্তব্য সরিয়ে ফেলার বিষয়টিতে একমত হয়েছে।

সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, গুগল, ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারকারী ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের জন্য কোনো বাজে মন্তব্যকে পতাকা (ফ্ল্যাগ) প্রদর্শনের বিষয়টি এখন সহজ হবে। কোনো কনটেন্টকে পতাকা দেখানো হলে বিশেষ একটি টিম তা পরীক্ষা করে এক দিনের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে চেষ্টা করবে।

এর আগে জার্মান কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বর্ণবাদী মন্তব্য ছড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বিচারমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়ার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, বরং অনলাইনে জার্মান আইন মানার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এটি করা হয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top