শিরোনাম

শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - ৭-১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডস ২০১৭ | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - ঢাকায় জাবরা করপোরেট নাইট অনুষ্ঠিত | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - ২৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার সনি এক্সপেরিয়া এক্সএ১ প্লাস | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - গো কিবোর্ড হাতাচ্ছে ব্যবহারকারীদের তথ্য | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইউটিউবে পেইড চ্যানেল সেবা | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - হুয়াওয়ের চার ক্যামেরার স্মার্টফোন উন্মুক্ত | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - কাগজের মতো ভাঁজ হয়ে যাবে স্যামসংয়ের নতুন এই স্মার্টফোন | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - কী এই হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমা? | শনিবার, সেপ্টেম্বর 23, 2017 - লন্ডনে ব্যবসা হারাতে যাচ্ছে উবার! | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 21, 2017 - গাড়ি চালাতে এবার থেকে আর কোনও চাবির প্রয়োজন নেই! |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল
বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

সামাজিক মাধ্যমে হরহামেশাই দেখা যায় নানা বাজে এবং বিতর্কিত মন্তব্য। আর সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এমন মন্তব্য মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে প্রযুক্তি অঙ্গনের জায়ান্ট তিন প্রতিষ্ঠান ফেসবুক, টুইটার এবং গুগল।

social-apps-corporateমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জার্মানিতে আপত্তিকর বা বাজে মন্তব্য মুছে ফেলতে রাজি হয়েছে প্রতিষ্ঠানতিনটি। সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

জার্মান কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে ও আইনত অবৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় ফেসবুক, টুইটার ও গুগল বিতর্কিত এসব মন্তব্য সরিয়ে ফেলার বিষয়টিতে একমত হয়েছে।

সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, গুগল, ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারকারী ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের জন্য কোনো বাজে মন্তব্যকে পতাকা (ফ্ল্যাগ) প্রদর্শনের বিষয়টি এখন সহজ হবে। কোনো কনটেন্টকে পতাকা দেখানো হলে বিশেষ একটি টিম তা পরীক্ষা করে এক দিনের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে চেষ্টা করবে।

এর আগে জার্মান কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বর্ণবাদী মন্তব্য ছড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বিচারমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়ার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, বরং অনলাইনে জার্মান আইন মানার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এটি করা হয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top