শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - বাংলাদেশেই তৈরি হবে সকল ডিজিটাল ডিভাইস : মোস্তাফা জব্বার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - যে কারণে অনলাইন অ্যাকাউন্টে কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - ফিশিং জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন জিমেইল ব্যবহারকারীরা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - দেশের বাজারে লেনোভোর এইচডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - হিটাচি প্রজেক্টরে ম্যাজিক অফার | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - বাংলাদেশে ডি-লিংক কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের অংশীদার কম্পিউটার সোর্স | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - অপ্পোর নতুন ২ স্মার্টফোনে গ্রামীণফোনের ফ্রি ইন্টারনেট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এর পার্টনার মিট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নগ্রাফি ভিডিও | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - আসছে স্বল্প মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল
বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

বিতর্কিত মন্তব্য সরিয়ে ফেলতে সম্মত ফেসবুক-টুইটার ও গুগল

সামাজিক মাধ্যমে হরহামেশাই দেখা যায় নানা বাজে এবং বিতর্কিত মন্তব্য। আর সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এমন মন্তব্য মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে প্রযুক্তি অঙ্গনের জায়ান্ট তিন প্রতিষ্ঠান ফেসবুক, টুইটার এবং গুগল।

social-apps-corporateমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জার্মানিতে আপত্তিকর বা বাজে মন্তব্য মুছে ফেলতে রাজি হয়েছে প্রতিষ্ঠানতিনটি। সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

জার্মান কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে ও আইনত অবৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় ফেসবুক, টুইটার ও গুগল বিতর্কিত এসব মন্তব্য সরিয়ে ফেলার বিষয়টিতে একমত হয়েছে।

সম্প্রতি জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় ও তিনটি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, গুগল, ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারকারী ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের জন্য কোনো বাজে মন্তব্যকে পতাকা (ফ্ল্যাগ) প্রদর্শনের বিষয়টি এখন সহজ হবে। কোনো কনটেন্টকে পতাকা দেখানো হলে বিশেষ একটি টিম তা পরীক্ষা করে এক দিনের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে চেষ্টা করবে।

এর আগে জার্মান কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বর্ণবাদী মন্তব্য ছড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বিচারমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়ার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, বরং অনলাইনে জার্মান আইন মানার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এটি করা হয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top