শিরোনাম

সোমবার, মে 22, 2017 - সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের নির্বাচন | সোমবার, মে 22, 2017 - বেসিসের সদস্য কোম্পানির জন্য  ইউএসডি মাস্টারকার্ড | সোমবার, মে 22, 2017 - লাভা ও মাইক্রোম্যাক্সের সাথে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন নিয়ে এলো গ্রামীণফোন | সোমবার, মে 22, 2017 - ১০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ কোডার্সট্রাস্টের | রবিবার, মে 21, 2017 - নিজল ক্রিয়েটিভের ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন | রবিবার, মে 21, 2017 - বগুড়ায় দ্বিতীয় আইইটিএফ আউটরিচ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত | রবিবার, মে 21, 2017 - স্যামসাং ও গ্রামীণফোনের আকর্ষণীয় অফার | রবিবার, মে 21, 2017 - সাইবার নিরাপত্তা বিধানে গণসচেতনতা অত্যাবশ্যকীয় | রবিবার, মে 21, 2017 - শেষ হলো ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প | রবিবার, মে 21, 2017 - ‘রি ডটকন’ চালু করল রবি |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

নিজেদের গ্রামে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের চার তরুণ তথ্য প্রযুক্তি প্রকৌশলী। এ উদ্দেশ্যে তারা মধ্য প্রদেশের রাজগড়ে স্থাপন করেছে ওয়াই-ফাই হটস্পট।

wifi-publicম্যাশেবল জানিয়েছে, ভারত সরকারের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা কাজটি করেছে। গত বছরের আগস্টে চার তরুণের গ্রাম শিভনাথপুরে ওয়াইফাই হটস্পট তৈরির কাজ শুরু হয়।

সরকার কিংবা অন্য কোন সংস্থা থেকে কোন ধরনের আর্থিক সহায়তা না নিয়ে একেবারেই নিজেদের অর্থায়নে তারা কাজটি করেছে। পুরো গ্রামে ওয়াইফাই সেবা দিতে গ্রামটিতে স্থাপন করা হয়েছে একটি ৮০ ফুট উঁচু টাওয়ার যাতে যুক্ত আছে উচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পন্ন ডিভাইস। এ ছাড়া এই টাওয়ারে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

চলতি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করলেও গ্রামবাসীদের ওয়াই-ফাই সেবা দেওয়া শুরু হয় গত বছরের অক্টোবরেই।

জানা গেছে, শাকীল আঞ্জুম, তুষার ব্যানার্জী, ভানু যাদব এবং অভিষেক নামের এই চার তরুণ নিজ গ্রামের বাইরে পুরো রাজগড় জেলায় বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারা নিজেদের চাকরিও ছেড়েছেন। তারা জানান, ওয়াইফাই হটস্পট স্থাপন করতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ রুপি।

বিনামূল্যের এই ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সেবা ইতোমধ্যেই গ্রামবাসীর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন এই চার তরুণ উদ্যোক্তা।

তারা জানান, ওয়াই-ফাই চালুর পর অনেকেই স্মার্টফোন কিনেছেন। স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে এখন ব্যবহার করছে অ্যাপ এবং ই-বুক। যে সকল গ্রামবাসী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে জানেন না, তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার শেখাতে একটি স্থানীয় এনজিওর সাথে কাজ করছেন তারা।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top