শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / বিনিয়োগ নির্ভর করছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গ্যাস-বিদ্যুত এর উপর

বিনিয়োগ নির্ভর করছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গ্যাস-বিদ্যুত এর উপর

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মতে, ‘অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যেও দেশের অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অসম্ভব এক অন্তর্নিহিত শক্তি অর্জন করেছে আমাদের অর্থনীতি। যে শক্তি দিয়ে দেশি-বিদেশি নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় সিডরের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরও গত কয়েক বছর ধরে ৬ শতাংশের বেশি বা কাছাকাছি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এমনকি বিশ্ব অর্থনীতির মহামন্দাও আমরা এই অন্তর্নিহিত শক্তি দিয়ে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছি।’
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন আরেক সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মির্জ্জা আজিজ বলেছেন, ‘মন্দার মধ্যেও দেশের অর্থনীতি মোটামুটি ভালোই বলা চলে। দু-একটি সূচক ছাড়া অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো ইতিবাচক। তবে শঙ্কাও আছে। এরই মধ্যে রাজনৈতিক আকাশে কালো মেঘের গর্জন শোনা যাচ্ছে। জানি না কী হবে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যদি অস্থিতিশীল না হয় আর গ্যাস ও বিদ্যু? সমস্যার সমাধান হয় তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউই ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। তবে শুধু মুখে না বলে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে সত্যিকার অর্থেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে।’
তিনি বলেন, সরকারিভাবে দেশে বিনিয়োগের স্থবিরতা কেটে যাচ্ছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে সে অবস্থা এখনো সৃষ্টি হয়নি। অনেক শিল্প উদ্যোক্তা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও শুধু গ্যাস-বিদ্যু? সংকটের কারণে শিল্প স্থাপন করছেন না। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দেশে বিনিয়োগসহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন এ সাবেক উপদেষ্টা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগ যে আমাদের প্রধান সমস্যা সে কথা আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বলে আসছি। তবে এখন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গত দুই-আড়াই বছর যে স্থবিরতা ছিল তা কেটে যেতে শুরু করেছে। শিল্প স্থাপনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বেড়েছে। বেড়েছে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ। গত অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নও হয়েছে আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিদ্যু? সমস্যার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আরও উন্নতি হবে। গ্যাস সমস্যা সমাধানেরও নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে বিনিয়োগের একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হতে শুরু করেছে। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। দেশে যদি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করে তাহলে এবার সত্যিই আমাদের অর্থনীতি একটা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি, অবৈধ স্থাপনা, কর ফাঁকিসহ নানা ধরনের অভিযানের কারণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্থবিরতা নেমে আসে। দুর্নীতির অভিযোগে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কারাগারে পাঠানো হয়। সে সময় নতুন বিনিয়োগ তো দূরে থাক; বড় বড় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উ?পাদন কর্মকা  বন্ধ হয়ে যায়? বিনিয়োগ না হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার (অতিরিক্ত তারল্য-অবিনিয়োগযোগ্য তারল্য) পাহাড় জমে যায়। ওই সময় একপর্যায়ে ব্যাংকগুলোতে অলস অর্থের পরিমাণ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে। ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা জেল থেকে বেরিয়ে আসেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে আবার মনোনিবেশ করেন। সবার মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করে। এরপরও পরিস্থিতির পুরোটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে হয় না। কেননা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এখনো ব্যাংকগুলোতে প্রায় হাজার কোটি টাকার (আগস্ট ২০১০ শেষে) অলস অর্থ পড়ে আছে। ব্যাংকগুলো এ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে অতিরিক্ত মুনাফা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বিনিয়োগসংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ২৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থা? গত জুলাই মাসে আগের বছরের জুলাই মাসের চেয়ে বেসরকারি খাতে ঋণ ২৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে এ খাতে ঋণ বেড়েছিল ২৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থা? গত অর্থবছরে আগের অর্থবছরের (২০০৮-০৯) চেয়ে বেসরকারি খাতে ২৪ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ হয়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে এ বৃদ্ধির হার ছিল ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ।
অন্যদিকে শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানিও সন্তোষজনক। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরিমাণ বেড়েছে ৯৭ দশমিক ১৬ শতাংশ।
প্রতিবছরের মতো এবারও অর্থবছরের শুরুতে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের চিত্র হতাশাজনক। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অর্থা? জুলাই-আগস্ট সময়ে মোট এডিপির মাত্র ৬ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। তবে গত অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়ন বেশ সন্তোষজনক ছিল। ২০০৯-১০ অর্থবছর শেষে দেখা যায়, সংশোধিত এডিপির ৯১ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৮০ শতাংশের মতো। গত অর্থবছরে মূল এডিপির আকার ছিল ৩০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। চলতি ২০১০-১০ অর্থবছরের বাজেটে এডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে পিপিপি উদ্যোগের অগ্রগতি সেই তিমিরেই রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) উদ্যোগে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে এক মহাপরিকল্পনা হাতে নেয় সরকার। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নীতিমালা চূড়ান্ত করতেই পার হয়ে যায় ওই বছর। এরপর চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী পিপিপি উদ্যোগের নানা সীমাবদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করে আবার এ উদ্যোগের মাধ্যমে বড় বড় প্রকল্প (মেগা প্রকল্প) বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু চলতি অর্থবছরের চার মাস পার হতে চললেও পিপিপি উদ্যোগের তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।
সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) খারাপ অবস্থা এখনও কাটেনি। গত অর্থবছরে ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারের এফডিআই দেশে এসেছে। আগের অর্থবছরে এসেছিল ৯৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে এসেছিল ৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরের বিদেশি বিনিয়োগের এক মাসের তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই মাসে ৫৮ মিলিয়ন ডলারের এফডিআই দেশে এসেছে। গত বছরের জুলাই মাসে এসেছিল ৫৭ মিলিয়ন ডলারের এফডিআই।
মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সরকারবিরোধী আন্দোলনে মাঠে নামবে বলে এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আগামীতে দেশের রাজনৈতিক মাঠ গরম থাকবে। আর এর ধারাবাহিকতায় দেশে আবার যদি হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও -অবরোধের মতো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে দেশের বিনিয়োগ তথা অর্থনীতির জন্য খুবই খারাপ হবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দুপক্ষকেই (সরকার-বিরোধী দল) সহনশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি?
সেবা খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ
সেবা খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। ২০১০ সালের এপ্রিল-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে দেশের উদ্যোক্তারা মোট যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধন করেছেন, এর প্রায় ৩৭ শতাংশই বিনিয়োগ হচ্ছে সেবা খাতে। এই খাতে মাত্র ৬০টি শিল্প ইউনিটে ৯ হাজার ৪৫৪ কোটি আট লাখ টাকা বিনিয়োগের জন্য নিবন্ধন করেছেন উদ্যোক্তারা। ২০১০ সালের এপ্রিল-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশের শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা ১০টি খাতে ২৫ হাজার ৫৬৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগের জন্য নিবন্ধন করেছেন। বিনিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, খাতওয়ারি বিবেচনায় সেবা খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বোচ্চ। মূলত কয়েকটি বিদ্যু?কেন্দ্র স্থাপনে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ হওয়ায় এ খাত এগিয়ে গেছে। টাকার অঙ্কে সেবা খাত এগিয়ে থাকলেও শিল্প ইউনিটের দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে। টেঙ্টাইল, কৃষিভিত্তিক শিল্প ও রাসায়নিক শিল্পে প্রকল্প সংখ্যা অনেক হলেও টাকার অঙ্কে বিনিয়োগের পরিমাণ কম।
বিনিয়োগ বোর্ডের পরিচালক তৌহিদুর রহমান খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০০৯-২০১০ অর্থবছরজুড়ে যেখানে ২৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। তিনি জানান, চলতি অর্থবছর প্রকল্প সংখ্যার দিক দিয়ে গার্মেন্ট শিল্প এগিয়ে থাকলে বড় ধরনের বিনিয়োগ আসছে বিদ্যু? ও রাসায়নিক শিল্পে। কোনো কোনো ব্যবসায়ী এসব শিল্পে দুই-তিন হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের নিবন্ধন করছেন।
গত ছয় মাস ধরে স্থানীয় বিনিয়োগে বেশ উত্থান-পতন ঘটছে। বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধনের পরিমাণ বাড়লেও ৩০ দিনের ব্যবধানেই বিনিয়োগ চিত্রে ষ্পষ্ট ফারাক দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৩৮৭টি শিল্প ইউনিট বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধিত হয়েছে। এতে বিনিয়োগ করা হবে ১৬ হাজার ৫৬৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসে ৯২টি শিল্প ইউনিটে এক হাজার ৯৭১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, আগস্টে ১৫২টি শিল্প ইউনিটে ৯ হাজার ৬১২ কোটি ২৯ লাখ টাকা, জুলাই মাসে ১৪৩টি ইউনিটে ৪ হাজার ৯৮০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিনিয়োগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছে।
২০০৯-১০ অর্থবছরের শেষ তিন মাসে ৪২৫টি শিল্প ইউনিটে ৯ হাজার চার কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুন মাসে ১৩৪টি শিল্প ইউনিটে দুই হাজার ২৫১ কোটি, মে মাসে ১৩৩টি ইউনিটে দুই হাজার ৩৭৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা এবং এপ্রিল মাসে ১৫৮টি শিল্প ইউনিটে চার হাজার ৩৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা বিনিয়োগ নিবন্ধিত হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের খাতওয়ারি বিনিয়োগ চিত্র
বিনিয়োগ বোর্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে ৯২টি শিল্প ইউনিটে এক হাজার ৯১৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ নিবন্ধন করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে কৃষিভিত্তিক ছয়টি প্রকল্পে ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা, ফুড ও অ্যালাইড শিল্পের একটি ইউনিটে ৩১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, টেঙ্টাইল শিল্পে ৩৯টি প্রকল্পে ২২১ কোটি ৩২ লাখ, প্রিন্টিং ও পাবলিশিং শিল্পে এক প্রকল্পে তিন কোটি ২৭ লাখ, রাসায়নিক শিল্পে ১৫ ইউনিটে ৪৫১ কোটি ৪৩ লাখ, গ্লাস ও সিরামিক শিল্পে এক ইউনিটে আট কোটি ৫৪ লাখ, হাল্কা প্রকৌশল শিল্পে ২১ প্রকল্পে ৫২০ কোটি ২৪ লাখ ও সেবা খাতের আটটি শিল্প ইউনিটে ৭২৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ নিবন্ধন হয়েছে।

Comments

comments



One comment

  1. interesting blog . It would be great if you can put up more contingents about it. Thanks you.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top