শিরোনাম

রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - আকর্ষণীয় ফিচার নিয়ে বাজারে আসছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৯ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাংলালিংকের ‘হেলথলিংক ৭৮৯’ সার্ভিসে যুক্ত হল ‘ডক্টরস অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ সুবিধা | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - গ্লোবাল ব্র্যান্ড নিয়ে এসেছে লেনোভো আউডিয়াপ্যাড ৩২০ ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - ব্যবসায়ীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - হ্যাকিংয়ের কাবলে ওয়ানপ্লাস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - আসছে ইন্টেল কোর আই৯ প্রসেসর এর ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাণিজ্য মেলায় অপো এফ৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - আরও কঠিন হচ্ছে ইউটিউব থেকে উপার্জন | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - ফেসবুক হ্যাকড হলে করনীয় | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - কর্মজীবি নারীদের মানহানি বন্ধে আহব্বান |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার হচ্ছে বাংলাদেশে
বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার হচ্ছে বাংলাদেশে

বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার হচ্ছে বাংলাদেশে

চীনের জেডটিই কর্পোরেশনের সহায়তায় দেশে পৃথিবীর ৫ম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে বাংলাগভনেট প্রকল্পের ন্যাশনাল ব্যাকবোক নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

data-bcc

কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কের পাশে ২০ একর জমিতে চলতি বছরেই এই ডাটা সেন্টারের কাজ শুরু হবে। এতে পাবলিক-প্রাইভেট সকল ডাটার সংস্থান হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

পলক বলেন, বর্তমান সরকার গত ছয় বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিয়েছে। এতে সরকারী প্রতিটি কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবার পাশাপাশি সেবার মান অনেক সহজ হয়েছে। আগে সাধারণ একটি জমির পর্চা তুলতে এমপি, মন্ত্রী, ডিসির সুপারিশ লাগতো। কিন্তু এখন ইউনিয়ন তথ্য সেবাকেন্দ্র থেকে তা সহজেই মিলছে।

সরকারী অফিসগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি প্রদান করতে ২০১০ সালে বাংলাগভনেট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং ১১৪টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থা, ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং ৬৪টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংযোগ দেয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ২ টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং ১০৮টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থাকে সংযুক্ত করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সফট লোন এবং রাজস্ব খাতের সহায়তায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাগভনেট প্রকল্পভূক্ত সকল দপ্তরে বিনা খরচে কথা বলার জন্য আইপি টেলিফোন প্রদান করা হবে। এছাড়া স্টেমিনিশিং ডিজিটাল কানেকশন নামের একটি নতুন প্রজেক্ট আসছে। এর মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণের সাথে সরকারের সংযোগ ঘটানো হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, সরকার কাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি যোগ্য মানব সম্পদ তৈরি করছে। এছাড়াও হার্ড কপি থেকে পেপার লেস প্রযুক্তির দিকে যেতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাগভনেট প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুর রহমান এবং কোরিয়ার এসকে সিঅ্যান্ডসি কোম্পানির পক্ষ থেকে নিযুক্ত প্রকল্প পরিচালক ইন হিউন ছাই। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের ২০০ জন কর্মকর্তা সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top