শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রোহিঙ্গাদের কাছে মোবাইল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডাটা খরচ কমাতে আসছে টুইটারের নতুন সংস্করণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - লন্ডনে লাইসেন্স বাঁচানোর চেষ্টায় উবার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ড্রোন যখন কৃষকের বন্ধু | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - আইফোন ৮ এর ভেতরে যা দেখা গেল | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডি-লিংক এর স্পেশাল অফার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রংতা ব্র্যান্ডের নতুন পিওএস প্রিন্টার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - নারীর নিরাপত্তা ও শরনার্থীদের শিক্ষা বিষয়ক ধারণা যাচ্ছে ওসলোর টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / ব্র্যাক ব্যাংক :কাগজবিহীন এটিএম আর গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি চরমে
ব্র্যাক ব্যাংক :কাগজবিহীন এটিএম আর গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি চরমে

ব্র্যাক ব্যাংক :কাগজবিহীন এটিএম আর গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি চরমে

দেশের একটি অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক আর গ্রাহক সেবার চটকদার মার্কেটিং করে গ্রাহক জোগাড় করতে সফল একটি ব্যাংকের নাম ব্র্যাক ব্যাংক।শহরে ও শহরের বাইরে প্রচুর সংখ্যক এটিএম-এর কথা বললেও শুধু ওই ব্যাংকটির এটিএম-এ টাকা তোলার পর প্রমাণপত্র হিসেবে যে লেনদেনের কাগজটি বের হওয়ার কথা সেটি এখন আর বের হচ্ছে না। গত কয়েক সপ্তাহে রাজধানী ও রাজধানীর বাইরে অন্তত ডজনখানেক এটিএম-এ টাকা তোলার পর কাগজটি বের না হওয়ায় গ্রাহক দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
ATM
ছোট কাগজটিতে আবার তার অ্যাকাউন্টের জমা টাকার পরিমাণও জানতে পারছে না। এমতবস্থায় আবার অনেক টাকা ব্যাংক থেকে কমে গেলে যে অভিযোগ করণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘আপনিই হয়তো উঠিয়েছেন এখন বলছেন না।’ আবার এর প্রতিকারের বিষয়টা তারা বলছেন না। এমনই একজন হলেন, ঢাকার মোহাম্মদ শ্যামল। চাকরি করেন একটি বেসরকারি স্কুলে। তিনি বলেন, ‘আমি ১ সপ্তাহের জন্য চাঁদপুর গেলাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো এটিএম বুথ নেই, ঢাকায় এসে এটিএম বুথে গিয়ে দেখি আমার ৩০ হাজার টাকা নেই। এই বিষয়টি আমি ব্যাংকে জানতে চাই। জানার জন্য প্রায় ৫০ মিনিট সিরিয়ালে থাকার পর কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘আপনিই তুলেছেন কিন্তু আপনার মনে নেই।’ শ্যামল বলেন, ‘এর প্রমাণ আপনি দেন।’ ব্যাংক কর্মকর্তা কোনো সদুত্তর দিতে পারেন নি। ব্যাংকটি দায়িত্ব নিয়ে ঐ এটিএম মেশিনের মধ্যে লাগানো ক্যামেরা দিয়ে ট্রানজেকশনকারীর ছবি সনাক্ত কিংবা অন্য কোনো উপায়ে এটির প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন। গ্রাহকটিকে টাকা ফেরত না পেয়েই চলে যেতে হলো। অথচ এই এটিএম কার্ডটির জন্য ব্যাংকটি একটি ভালো অংকের কাস্টমারিক ফি, অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট ফি, সরকারি ভ্যাট, ট্যাক্স, বিনোশিনপি চার্জসহ বহুবিধ টাকা নিচ্ছেন কিন্তু গ্রাহক সেবা থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন। রফিক আহমেদ, বেসরকরি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার অ্যাকাউন্ট তার ভাই চট্টগ্রাম থেকে ১০ টাকা জমা দিয়েছে। টাকাটি তার অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে কি না সেটি জানার জন্য ব্যাংকের তার অ্যাকাউন্টের শাখাতে ফোন করলেন কিন্তু ফোন কেউ ধরছেন না। পরবর্তীতে তিনি এটিএম বুথে কার্ড ঢুকিয়ে ব্যালেন্স ইনকোয়ারি চাপলেন কিন্তু কোন কাগজ নেই বলে এটিএম জানালো। কয়েকটি এটিএমএ চেষ্টা করে হতাশ হলেন। আবার শাখায় গিয়ে সশরীরে শুধু টাকাটা জমা হলো কি না এই একটি জানার জন্য ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৫৬ নং সিরিয়ালে থেকে তবেই জানতে পারলেন টাকাটা জমা হয়েছে। এটা তো গেল গ্রাহক হয়রানির কথা। এই ব্যাংকটির মার্কেটিংয়ের মানুষ গ্রাহককে যেসব সুবিধার কথা বলে অ্যাকাউন্ট, কার্ড বা বিভিন্ন সেবা বিক্রি করে আসছেন; সেবাটি কেনার পর সেই মার্কেটিংয়ের লোকের কথার সাথে কোনো মিল পাওয়া যায় না। এরকম একটি উদাহরণ হলো বিশেষ মাসে বিশেষ সুবিধা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে এমন করানো কোনো বাৎসরিক মেয়াদ নেই। ক্রেডিট করার পর মাথায় হাত আসলো বাৎসরিক চার্জ ২০০টাকা, বিনেমটি চার্জ, অমুক চার্ক। এভাবেই গ্রাহককে প্রতারিত করছে ব্যাংকটি। সম্প্রতি এটিএম-এ জাল নোট সরবরাহ করা ব্যাংকের মধ্যে অন্যতম ব্যাংক হিসেবে নাম আসে ব্র্যাক ব্যাংকের। কিন্তু এখানে সেই জাল টাকা পাওয়া গেলেও তার কোনো প্রতিকার নেই। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সিডিউল অব চার্জ সব শাখায় উš§ুক্তভাবে টানানো থাকার কথা থাকলে তারা তা মানছেন না। ব্যাংকটির অ্যাকাউন্ট, লোন, ক্রেডিট কার্ড প্রভৃতি সেবায় কত টাকা কাটা হবে কিংবা লোন প্রসেসিং ফি কত হবে তা যদি প্রকাশ্যে টানানো হতো তবেই গ্রাহক ভোগান্তি কমতো।লোন দিবে ১৫ ভাগ সুদে এই কথা বলে সাধারণ গ্রাহককে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে এসে সেটি ১৭/১৮ ভাগে দাঁড়িয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে গ্রাহকের কিছু করারও থাকে না। দেশে অনলাইন ব্যাংকিং জনপ্রিয় হলেও এই ব্যাংকের অনলাইন সেবা হয়েছে গেছে পুরানো ব্যাংকিংয়ের ধারণায়। সব পরিসেবা গুলোর পুক্সক্ষানুপুক্সক্ষ বিবরণ নেই। আর অনলাইনে পুরানো এই সফটওয়্যারের গতিও অনেক ধীর। অথচ অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনলাইন আরও দ্রুত গতিতে কাজ করে।
সাইদুল ইসলাম

Comments

comments



One comment

  1. ব্র্যাক ব্যাংক ইন্টারনেট সিকিউরিটিতে মারাম্তক ত্রুটি !
    গত ১৩ জুন ২০১৩ ব্র্যাক ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর সিকিউরিটি আপগ্রেড করে । সিকিউরিটি আপগ্রেড করার পর যা দাড়ায়, তাকে এক কথায় হ্যাকারদের স্বগরাজ্য বলা যায়। আগে হ্যাকারদের যেসব বাধা ছিল, সেসব বাধা দূর করা হয়েছে। যা করা হয়েছে, দেখে মনে হয় ইচ্ছাকৃত ভাবে গ্রাহকের টাকা লুট করার আয়োজন করা হয়েছে। এখন দেখা যাক সিকিউরিটি আপগ্রেড করার নামে কি কি করা হয়েছে।

    ১ ) ব্র্যাক ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ লগইন করার জন্য OTP ( One time password) চালু করে। এ ব্যবস্থায় প্রতিবার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ লগইন করার জন্য ইউজার নেম, পাসওয়াড দেয়ার পর ব্যাংক গ্রাহকের মোবাইল ফোনে এবং ইমেইল এ OTP ( One Time Password) পাঠায়।! এই OTP ওয়েব সাইটে প্রবেশ করাইলে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ লগইন করতে দিবে।

    ২) আগে টাকা ট্রান্সফার করার জন্য Transaction Password নামে ২য় একটি পাসওয়াড চালু ছিল। যা গ্রাহকের একাউন্টকে সুরক্ষা দিত। কিন্তু বতমানে এই ২য় পাসওয়াড কে তুলে দিয়ে এর পরিবর্তে OPT (One Time Password) টাইপ করার বিধান চালু করা হয়েছে।

    এখন দেখা যাক নতুন এই বিধান চালু করার পর হ্যাকারদের কিকি বাধা দূর হয়েছে।

    হ্যাকারদের সবচেয়ে বড় যে বাধা ছিল তা হল ২য় পাসওয়াড বা Transaction password. এই পাসওয়াডকে বাদ দিয়ে এর পরিব‍তে OTP চালু করে। ফলে যা দাড়ালো তা এক কথায় চুরি করার যে বাধা ছিল তা তুলে ফেলা হল। কারন, আগে একজন হ্যাকার কারো ইমেইল এড্রেস হ্যাক করতে পারলে, সে শুধু তার ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্টে লগইন করতে পারত। সে হিসাবপত্র দেখতে পারত, কিন্ত ২য় পাসওয়াড বা Transaction password না জানার জন্য সে কোন টাকা ট্রান্সফার করতে পারত না। এখন যেহেতু ইমেইলেই সে OTP পেয়ে যাচছে, সুতরাং টাকা ট্রান্সফারের আর কোন বাধা রইল না। সবকিছু দেখে মনে হয়, শরসের মধ্যেই ভুত।

    ছোট্ট একটু পরিবতন করলেই এই ভাংগা সিকিউরিটিকে শক্তিশালী সিকিউরিটিতে উন্নয়ন করা যায়।

    ১) OTP ( One Time Password) শুধুমাত্র গ্রাহকের মোবাইল ফোনে পাঠাতে হবে। ইমেইলে কোন OTP (One Time Password) পাঠানো যাবে না।

    ২) টাকা ট্রান্সফার করার সময় OTP (One Time Password) এর বদলে পুরাতন ট্রানজেকশন পাসওয়াড এর প্রবতন করতে হবে।

    কতৃপক্ষ এদিকে নজর দেবেন কি ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top