শিরোনাম

মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - কে করবে অস্ত্রোপচার ? | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - আসছে স্যামসাংয়ের নতুন ট্যাব | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - চেক লেখার সময়ে এই ভুলগুলি করলেই ফাঁকা হবে অ্যাকাউন্ট! | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - জিওনির কম বাজেটের নতুন স্মার্টফোন | মঙ্গলবার, আগস্ট 22, 2017 - নিটল ইলেকট্রনিক্স এর শোরুম এখন সিলেটে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - সীমান্তে অবৈধ টাওয়ার, ১৭ কোটি টাকা জরিমানা গুনতে হবে বাংলালিংককে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - টাকা ওঠাতে চার্জ বেশি নিচ্ছে বিকাশ | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - এরিকসনে বিনা নোটিশে ৫০ কর্মী ছাঁটাই করায় অবরুদ্ধ শীর্ষ কর্মকর্তারা | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - যে অ্যাপ বাধ্য করবে সন্তানদের সাড়া দিতে | সোমবার, আগস্ট 21, 2017 - মোজিলা ফায়ারফক্সের প্রয়োজনীয় কিছু কীবোর্ড শর্টকাট |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ভবিষ্যতে গাড়ি চলবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি দিয়ে
ভবিষ্যতে গাড়ি চলবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি দিয়ে

ভবিষ্যতে গাড়ি চলবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি দিয়ে

carবর্তমান বিশ্বে শক্তির প্রধান উত্স ডিজেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানি। মানব সভ্যতায় এর অবদান ব্যাপক। গ্রামের কুঁড়েঘর থেকে শুরু করে আধুনিক সভ্যতার পরিবহন ব্যবস্থা-সর্বত্রই এর ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু হতাশার কথা হলো, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারে পরিবেশ দূষণ খুব বেশি ঘটে। মোটর গাড়ি, এরোপ্লেন, জাহাজ, ট্রেন চালাতে ব্যবহূত জীবাশ্ম জ্বালানিতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়। মোটর গাড়ি ও কলকারখানার নির্গত ধোঁয়ায় বাড়ছে উষ্ণায়ন। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় বাসযোগ্যতা হারাবে পৃথিবী।

জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে তাই গ্রীন এনার্জির দিকে ঝুঁকছে অনেক দেশ। ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য ভারত, ফ্রান্স এবং নরওয়ের পাশাপাশি আরো কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে গ্যাস এবং ডিজেলের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে আনতে চায় তারা। জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে ইলেকট্রিক এবং হাইব্রিড গাড়ি তৈরির ওপর জোর দিতে চান তারা। এখন পর্যন্ত সবুজ জ্বালানি বিষয়ে নিজেদের আন্তরিকতা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কানাডা, নরওয়ে, ভারত, জার্মানি,   সুইডেন এবং নেদারল্যান্ডস। বিশ্বের উত্পাদিত বিদ্যুত্ নির্ভর গাড়ির ৯৫ শতাংশই বিক্রি হয় এই দশটি দেশে।

যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সমপ্রতি বলা হয়েছে, দেশকে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে ২০৪০ সালের মধ্যে গ্যাস এবং ডিজেল চালিত গাড়ি উত্পাদন থেকে সরে আসতে চায় তারা। ২০৫০ সালের মধ্যে রাস্তায় কোন ডিজেল চালিত গাড়ি চলতেই পারবে না। ঐ সময়ে সব গাড়িকে দূষণের পরিমাণ শূন্য মাত্রায় রাখতে হবে। যুক্তরাজ্যের পরিবেশ বিষয়ক সেক্রেটারি মিচেল গোভে বলেন, দূষণের হাত থেকে নতুন প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই। জ্বালানি হিসেবে ভবিষ্যতে ডিজেল এবং পেট্রল নিষিদ্ধ করা হবে। আইএইচএস মার্কিটের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক স্টিফেনি ব্রিনলি বলেন, এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসতে হলে রাজনীতিবিদদের সদিচ্ছা থাকতে হবে। সরকার আইন করলে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তা মেনে নিতে বাধ্য।

যুক্তরাজ্যের আগেই কিছুদিন আগে ফ্রান্সের পক্ষ থেকেও একই ধরনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সতর্কতা মাথায় রেখে ২০৪০ সালের মধ্যে গ্যাস-ডিজেল চালিত গাড়ি উত্পাদন বন্ধ করে দেবে ফ্রান্স। ঐ সময়ের পর গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু বিদ্যুত্চালিত কিংবা অন্য সবুজ জ্বালানির গাড়ি বিক্রি করতে পারবে। ফ্রান্সের পরিবেশগত পরিবর্তন বিষয়ক কমিটির প্রধান নিকোলাস হুলোট বলেন, ফ্রান্সের মোট যানবাহনের মাত্র ৪ শতাংশ বিদ্যুত্, হাইব্রিড এবং বিকল্প জ্বালানি নির্ভর। তবে আশার কথা হলো, এ বছরের প্রথম তিন মাসে বিক্রি হওয়া মোট গাড়ির ২৫ শতাংশই ছিল সবুজ জ্বালানি নির্ভর। এটাই প্রমাণ করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। একই সাথে সবুজ জ্বালানি নির্ভর গাড়ি উত্পাদনে এগিয়ে আসছে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এই লক্ষ্য নির্ধারণের ফলে অগ্রগামীতে বিশ্ব বাজারেও নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে ফ্রান্সের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ বছরের শুরুতেই ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের প্রত্যেক গাড়িতে বিদ্যুত্ নির্ভর জ্বালানি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা অনিল কুমার জৈন বলেন, এটি শুনতে অনেকটা উচ্চাকাঙ্খার মতো মনে হতে পারে। কিন্তু চেষ্টা করলে অবশ্যই তা সম্ভব। ভারতের বেশ কয়েকটি শহর দূষণের দিক দিয়ে শীর্ষের তালিকায়। একারণেই বিকল্প জ্বালানির বিষয়ে বেশ আন্তরিক ভারত সরকার।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top