শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উদ্বোধন করলেন জয় | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - নতুন অ্যাপ ‘ফাইলস গো’ চালু করেছে গুগল | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / মিস কলেই চালু হবে কম্পিউটার! বাংলাদেশী যুবকের যুগান্তকারী আবিষ্কার
মিস কলেই চালু হবে কম্পিউটার! বাংলাদেশী যুবকের যুগান্তকারী আবিষ্কার

মিস কলেই চালু হবে কম্পিউটার! বাংলাদেশী যুবকের যুগান্তকারী আবিষ্কার

missed-callমিস কল দিলেই নাকি চালু হবে কম্পিউটার! অবাক লাগলেও এমনটায় বাস্তব হতে চলেছে। আর এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে কোনও বিজ্ঞানী নয় বাংলাদেশেরই এক গ্রামের ছেলে নাম আহসান আজগর। কুড়ি বছরের এই যুবক তাঁর তৈরি এই ডিভাইসটির নাম দিয়েছে ‘পিসি পাওয়ার কন্ট্রোলার সার্কিট’।

এই ডিভাইসটিকে মোবাইলের সার্কিটে সিমকার্ড ও ব্যাটারিসহ কয়েকটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র লাগিয়ে সেটিকে কম্পিউটারের সিপিইউয়ের মাদারবোর্ডের সঙ্গে লাগিয়ে, কম্পিউটারে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে হবে। এরপরে অপর একটি মোবাইল থেকে মাদারবোর্ডের ওই যন্ত্রটিতে লাগানো সিমকার্ডের নম্বরে মিসকল দিলেই চালু হবে কম্পিউটার। বন্ধ করার জন্য আবারও মিসকল দিলেই অটোম্যাটিকভাবে বন্ধ হবে কম্পিউটারটি।

আহসানের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে। গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাট বাজার সংলগ্ন পল্টনের মোড়ে মোবাইল ও কম্পিউটার মেরামতের দোকান। আহসান নিজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে জানায় ইলেকট্রিকের দোকানে কাজ করতে গিয়ে তার মাথায় এই বুদ্ধি আসে।

আর্থিক অনটনের কারণে আহসান ২০১২ সালে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাট বাজার সংলগ্ন পল্টনের মোড়ে বড় ভাই আনসার আলীর দোকানে কাজ শুরু করে। পরে সেখানে নিজের চেষ্টায় তিনি মোবাইল ও কম্পিউটার মেরামতের কাজ শেখেন। সেখানে দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় হয়। সেই টাকায় নিজের পড়াশুনার খরচ চালান তিনি। বর্তমানে প্রাথমিকভাবে যেকোনো জায়গা থেকে কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করার যন্ত্র তৈরি করেছি। এরপর দূর থেকে কম্পিউটারকে কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই চালানোর যন্ত্র তৈরি করবো। কিন্তু অর্থের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছি না।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top