শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রংতা ব্র্যান্ডের নতুন পিওএস প্রিন্টার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - নারীর নিরাপত্তা ও শরনার্থীদের শিক্ষা বিষয়ক ধারণা যাচ্ছে ওসলোর টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - খুলনায় দুইদিনের বেসিক আরডুইনো কর্মশালা অনুষ্ঠিত | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ঢাকা মহিলা পলিটেকনিককে স্যামসাং এর পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ল্যাব হস্তান্তর  | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - সিডস্টারস ঢাকায় দেশের সেরা স্টার্টআপ সিমেড হেলথ | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহারের উপায় | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আসছে নকিয়ার আরও দুই ফোন | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ফেসবুকের পাঁচ মজাদার অপশন যা জানেন না অনেকেই |
প্রথম পাতা / স্থানীয় খবর / মোবাইল সফটওয়ার অপব্যবহার করে প্রতারনার মাধ্যমে চাঁদা আদায়কারী আটক
মোবাইল সফটওয়ার অপব্যবহার করে প্রতারনার মাধ্যমে চাঁদা আদায়কারী আটক

মোবাইল সফটওয়ার অপব্যবহার করে প্রতারনার মাধ্যমে চাঁদা আদায়কারী আটক

অপহরণ, অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবী অপরাধীদের একটি পুরাতন কৌশল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র‌্যাব এ ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার কর্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অতিসম্প্রতি র‌্যাবের নিটক বিভিন্ন মহল থেকে তথ্য/অভিযোগ আসে, ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ ব্যক্তিকে ফিরিয়ে দেবার শর্তে মোটা অংকের অর্থ মুক্তিপণ/চাঁদা হিসেবে দাবী করে আসছে। অনেক ক্ষেত্রে এমন সব ব্যক্তিদের পরিবারের নিকট মুক্তিপণ দাবী করা হচ্ছে যারা হয়তো গত ৪/৫ মাস বা এক বছরের সময় যাবত নিখোঁজ। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে তাদের পরিবারকে ফোন করা হচ্ছে এবং নিজেদের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে বলা হচ্ছে যে, সংশিস্নষ্ট নিখোঁজ ব্যক্তিটি তাদের জিম্মায়/পাহারায় বন্দী অবস্থায় আছে। এক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষে থেকে নগদ অর্থ পেলে তারা চুপিসারে ঐ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেবার/পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে দিবে।

Picture2

 

যার প্রেক্ষিতে বহু পরিবার ইতিমধ্যেই মোটা অংকের চাঁদা/মুক্তিপণ প্রদান করে প্রতারিত হয়েছে। এ সার্বিক প্রক্রিয়ায় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করায় তাদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এই প্রেক্ষিতে র‌্যাবের একটি বিশেষ দল মূল ঘটনা উদঘাটনের লক্ষেএবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরম্ন করে। বহু অনুসন্ধানের পর সঠিক তথ্য উপাত্ত বিশেস্নষণপূর্বক র‌্যাব উক্ত চক্রের সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং একটি অত্যামত্ম ভয়াবহ চাঞ্চল্যকর বিষয় উদঘাটন করে। পরবর্তীতে ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে গত ০৭ নভেমবর ২০১৩ তারিখ ১০৩০ ঘটিকায় রসায়ন রেষ্টুরেন্ট, মিরপুর ১ হতে প্রতারক-চাঁদাবাজ চক্রের সক্রিয় সদস্য (১) মোঃ শাহাদাত হোসেন ব্যাপারী(২৮), পিতা- মোঃ নুরুল ইসলাম ব্যাপারী, সাং-মালিকান্দা, থানা-উজিরপুর, জেলা- বরিশাল, (২) মোঃ মহিউদ্দিন খান ওরফে মাহি(২৪), পিতা-মোঃ মরম আলী, সাং-কানাইনগর, থানা-তিতাস, জেলা- কুমিল্লা, (৩) মিঠুন সরকার (২৩), পিতা-যুধিষ্ঠী সরকার, সাং-ডোমাইন, থানা-মধুখালী, জেলা-ফরিদপুর, (৪) মোঃ সুরুজ শেখ ওরফে শামীম(২২), পিতা-মোঃ বাকা শেখ, সাং-ডোমাইন, থানা-মধুখালী, জেলা-ফরিদপুর, (৫) মোঃ মাজহারুল ইসলাম ওরফে হিরু, পিতা-মোঃ বশিউর রহমান, সাং-নিশ্চিতপুর, থানা-মধুখালী, জেলা-ফরিদপুর (৬) মোঃ মিজানুর রহমান(৩৯), পিতা-সমির উদ্দিন, সাং-নয়াডিংগী, থানা-সিংগাইল, জেলা-মানকিগঞ্জদেরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় বের করে তাদেরকে ফোনে চাঁদা আদায়ের প্রতারনার বিয়টি স্বীকার করে এবং তাদের নিকট থেকে চাঁদাবাজিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমান দামী মোবাইল, সিম কার্ড, ল্যাপটপ, মনিটর, মডেমসহ একটি অত্যাধুনিক মোবাইল ডায়ালার সফটওয়্যার ও ভিওআইপি সফটওয়্যার উদ্ধার করা হয় । ৩। চক্রটিকে আরো জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত সফটওয়্যারগুলি ব্যবহার করে নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর উক্ত সফটওয়্যারে সেট করে তার পরিবারকে ফোন দেয়। উক্ত চক্রটি পুরাতন সংবাদপত্র ঘেঁটে বিভিন্ন সময়ে নিঁখোজ ব্যক্তিদের আত্মীয় স্বজন ও পরিবারের অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সমত্মানদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করত। অতঃপর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাদের আত্মীয়/বন্ধুদের নিকট হতে ও স্থানীয় সাংবাদিকের নিকট হতে নিঁখোজ ব্যক্তির ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ও তার পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করত এবং উক্ত ডায়ালার সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ফোন দিতো ও অবস্থাভেদে চাঁদা দাবি করত। স্বাভাবিক ভাবেই পরিবার তাদের মোবাইলে নিখোঁজ ব্যক্তির নম্বর থেকে ফোন পেয়ে বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দিতো । অর্থাৎ হারানো ব্যক্তিটিকে ফিরে পাবার আশায় মুক্তিপণকৃত অর্থ চক্রটির হাতে তুলে দিতো। ফলে সার্বিক বিষয়টি সাধারন জনমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তির উপর বিরূপ প্রভাব বিসত্মার করেছে।

উপরোক্ত ঘটনাটির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top