শিরোনাম

মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - বেসিস নির্বাচন :লটারিতে বাদ পড়েছেন মোস্তাফা জব্বার, রাসেল ও ফারহানা | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - গাজীপুরে স্যামসাং এর ৫০তম ব্র্যান্ড শপ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - ঢাকা বিভাগে পুরোদমে চলছে রবি-এয়ারটেল নেটওয়ার্কের সমন্বয় | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে হুয়াওয়ের আকর্ষণীয় অফার | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - আইসিটি স্কলার ফেলোশিপ | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - ড্যাফোডিলে ই-প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম উদ্বোধন | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - সফলভাবে সমাপ্ত হল র্স্টাটআপ উইকেন্ড ঢাকা | সোমবার, মে 22, 2017 - সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের নির্বাচন | সোমবার, মে 22, 2017 - বেসিসের সদস্য কোম্পানির জন্য  ইউএসডি মাস্টারকার্ড | সোমবার, মে 22, 2017 - লাভা ও মাইক্রোম্যাক্সের সাথে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন নিয়ে এলো গ্রামীণফোন |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ নিয়ে এখনো অস্পষ্টে বিটিআরসি
রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ নিয়ে এখনো অস্পষ্টে বিটিআরসি

রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ নিয়ে এখনো অস্পষ্টে বিটিআরসি

একীভূত হওয়ার অনুমতি চেয়ে গত সেপ্টেম্বরে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন করে দেশের দুই সেলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা ও এয়ারটেল বাংলাদেশ। সহায়ক দলিল হিসেবে আবেদনের সঙ্গে জমা দেয় ১৮টি ডকুমেন্ট (দলিল)। যদিও এ সংক্রান্ত অনেক বিষয়ই স্পষ্ট করেনি তারা। তাই একীভূতকরণের বিস্তারিত পরিকল্পনাসহ ১২টি প্রয়োজনীয় দলিল চেয়ে দুই অপারেটরকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

robi-airtel

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠান দুটি যেসব কাগজপত্র জমা দিয়েছে, তার মধ্যে আছে সংঘস্মারক ও সংঘবিধি, কোম্পানির নিবন্ধন সনদ, বার্ষিক শেয়ার সংখ্যার সারসংক্ষেপ এবং সেলুলার মোবাইল ফোন ও থ্রিজি সেলুলার মোবাইল ফোন লাইসেন্সের অনুলিপি। থ্রিজি রেডিও কমিউনিকেশন লাইসেন্সের অনুলিপি ও প্রস্তাবিত লেনদেনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বোর্ডের অনুমোদনপত্রের সত্যায়িত সংক্ষিপ্তসারও জমা দিয়েছে তারা। এসব কাগজপত্র তারা জমা দিয়েছে আলাদাভাবে।

তবে একীভূত হলে রবি ও এয়ারটেলের বিদ্যমান কর্মীদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে তা উল্লেখ করা হয়নি আবেদনে। এমনকি একীভূত প্রতিষ্ঠানটি কী নামে কার্যক্রম পরিচালনা করবে, তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি। তাই প্রতিষ্ঠান দুটিকে তাদের বোর্ডসভার পূর্ণাঙ্গ কার্যবিবরণী, একীভূতকরণের বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা, রোডম্যাপ, তরঙ্গ একীভূত করার পরিকল্পনা, নাম্বারিং, সেবা, মানবসম্পদ একীভূতকরণ পদ্ধতি, বর্তমান শেয়ার ও শেয়ার মূলধনসংশ্লিষ্ট বিবরণীসহ আরো কিছু কাগজপত্র জমা দিতে বলেছে বিটিআরসি। এসব কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একীভূতকরণের বিষয়ে নির্দেশনা দেবে কমিশন।

বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, মানবসম্পদ ও তরঙ্গ একীভূতকরণের পরিকল্পনাসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে এরই মধ্যে অপারেটর দুটিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। একীভূতকরণের ফলে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরিচ্যুত হবেন না এবং এতে বেকারত্ব সৃষ্টি হবে না, এমন শর্তও দেয়া হয়েছে তাদের। এছাড়া একীভূত কোম্পানিতে যোগদানে অনিচ্ছুকদের জন্য নির্দিষ্ট সুযোগ রাখতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে রবি ও এয়ারটেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে চায়নি কেউ। উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

একীভূত হওয়ার অনুমোদন চেয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিটিআরসিতে আবেদন করে রবি ও এয়ারটেল। রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুপুন বীরাসিংহে এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের এমডি ও সিইও পিডি শর্মা স্বাক্ষরিত যৌথ আবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি একীভূত হলেও তাতে গ্রাহকদের কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। বরং আরো উন্নত ভয়েস ও ডাটাভিত্তিক সেবাদান সম্ভব হবে। চিঠির অনুলিপি দেয়া হয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবকেও।

রবি ও এয়ারটেলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের নিয়মিত সভার আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বিষয়টি। আলোচনা শেষে একীভূত হওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে মানবসম্পদ ও তরঙ্গের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির বিস্তারিত পরিকল্পনা কমিশনের কাছে জানতে চায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে কমিশন।

সূত্রমতে, স্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক ও শিক্ষানবিশ মিলিয়ে রবির কর্মী রয়েছে ১ হাজার ৬২৫ ও এয়ারটেলের ৭৫০ জন। মূলত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা, কল সেন্টার, গ্রাহক সেবা কেন্দ্র এবং পণ্য ও সেবার পরিবেশনায় কাজ করছেন তারা। এর বিভিন্ন কারিগরি সেবা, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো, কল সেন্টার, যানবাহন, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, ডে-কেয়ার সেন্টার, আইটি হেল্পডেস্ক, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও প্যাকেজিং সেবা নেয়া হচ্ছে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে। রবি ২ হাজার ৫০০ ও এয়ারটেল প্রায় দুই হাজার কর্মী সংগ্রহ করেছে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে।

গ্রাহক সংখ্যায় বর্তমানে দেশের তৃতীয় শীর্ষ সেলফোন অপারেটর রবি। একীভূতকরণের বিষয়ে অনুমোদন মিললে বাংলালিংককে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসবে একীভূত প্রতিষ্ঠানটি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট শেষে গ্রামীণফোনের সংযোগ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার, রবির ২ কোটি ৮৩ লাখ ১৬ হাজার, এয়ারটেলের ৯৩ লাখ ৯২ হাজার, টেলিটকের ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ও সিটিসেলের ১১ লাখ ৩৮ হাজার। এ হিসাবে রবি ও এয়ারটেলের মোট গ্রাহক দাঁড়ায় ৩ কোটি ৭৭ লাখ; যা দ্বিতীয় শীর্ষ সেলফোন অপারেটর বাংলালিংকের চেয়ে ৪৮ লাখ বেশি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top